এগ হারবার সিটি, ১৬ ফেব্রুয়ারি : যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সি অঙ্গরাজ্যের আটলাণ্টিক কাউণ্টিতে বসবাসরত প্রবাসী হিন্দু সম্প্রদায় গভীর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে শিব চতুর্দশী উদ্যাপন করেছেন। এগ হারবার সিটির ৫৭১, সাউথ পোমোনা রোডে অবস্থিত বৈকুন্ঠ হিন্দু জৈন মন্দিরে গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় এ উপলক্ষে বিশেষ পূজা ও ব্রতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
শিব চতুর্দশী উপলক্ষে ভক্তরা শিবরাত্রি ব্রত পালন করেন এবং শিব বিগ্রহে অর্ঘ্য নিবেদন করেন। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, শিবরাত্রিতে উপবাস থেকে শিবদর্শন ও পূজার্চনা করলে ভগবান শিবের কৃপা লাভ করা যায়। সেই পুণ্যলাভের আশায় আটলান্টিক কাউন্টির সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা সম্মিলিতভাবে এ পূজার আয়োজন করেন।
শিবরাত্রি সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় অনুষ্ঠান। ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে এই পবিত্র ব্রত পালিত হয়। শিবরাত্রি মূলত দেবাদিদেব মহাদেব শিবের মহারাত্রি—অজ্ঞতা ও অন্ধকার দূর করে আত্মশুদ্ধির এক আধ্যাত্মিক সাধনা। এদিন অসংখ্য ভক্ত শিবলিঙ্গে গঙ্গাজল, দুধ, বেলপাতা ও ফুল অর্পণ করে পূজা করেন এবং মহাদেবের আশীর্বাদ কামনা করেন।
হিন্দু মহাপুরাণ, বিশেষত শিব পুরান অনুসারে, এই পবিত্র রাতেই ভগবান শিব সৃষ্টি, স্থিতি ও প্রলয়ের মহাতাণ্ডব নৃত্য করেছিলেন। আরেকটি প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রাতেই শিব ও পার্বতীর শুভ বিবাহ সম্পন্ন হয়। এর আধ্যাত্মিক তাৎপর্য হলো—শিব ও শক্তির মিলন, অর্থাৎ পুরুষ ও আদিশক্তি বা পরাপ্রকৃতির ঐক্য। মহাশিবরাত্রির এই মহিমায় শিব তাঁর প্রতীক লিঙ্গরূপে প্রকাশিত হয়ে জীবের পাপ নাশ ও মুক্তির পথ প্রদর্শন করেন।
শিব চতুর্দশী উপলক্ষে ভক্তরা শিবরাত্রি ব্রত পালন করেন এবং শিব বিগ্রহে অর্ঘ্য নিবেদন করেন। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, শিবরাত্রিতে উপবাস থেকে শিবদর্শন ও পূজার্চনা করলে ভগবান শিবের কৃপা লাভ করা যায়। সেই পুণ্যলাভের আশায় আটলান্টিক কাউন্টির সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা সম্মিলিতভাবে এ পূজার আয়োজন করেন।
শিবরাত্রি সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় অনুষ্ঠান। ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে এই পবিত্র ব্রত পালিত হয়। শিবরাত্রি মূলত দেবাদিদেব মহাদেব শিবের মহারাত্রি—অজ্ঞতা ও অন্ধকার দূর করে আত্মশুদ্ধির এক আধ্যাত্মিক সাধনা। এদিন অসংখ্য ভক্ত শিবলিঙ্গে গঙ্গাজল, দুধ, বেলপাতা ও ফুল অর্পণ করে পূজা করেন এবং মহাদেবের আশীর্বাদ কামনা করেন।
হিন্দু মহাপুরাণ, বিশেষত শিব পুরান অনুসারে, এই পবিত্র রাতেই ভগবান শিব সৃষ্টি, স্থিতি ও প্রলয়ের মহাতাণ্ডব নৃত্য করেছিলেন। আরেকটি প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রাতেই শিব ও পার্বতীর শুভ বিবাহ সম্পন্ন হয়। এর আধ্যাত্মিক তাৎপর্য হলো—শিব ও শক্তির মিলন, অর্থাৎ পুরুষ ও আদিশক্তি বা পরাপ্রকৃতির ঐক্য। মহাশিবরাত্রির এই মহিমায় শিব তাঁর প্রতীক লিঙ্গরূপে প্রকাশিত হয়ে জীবের পাপ নাশ ও মুক্তির পথ প্রদর্শন করেন।