কার্ডিফ, ২৩ ফেব্রুয়ারি: প্রচণ্ড শীত ও বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে মাতৃভাষার টানে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে ওয়েলস বাংলাদেশ কমিউনিটি। গণতন্ত্রের মাতৃভূমি নামে খ্যাত বহুজাতিক ও বহুসাংস্কৃতিক রাষ্ট্র যুক্তরাজ্য-এর কার্ডিফ শহরে অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ মনুমেন্ট তথা শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে এ শ্রদ্ধা জানানো হয়।
শহীদ মিনার ফাউন্ডার্স ট্রাস্ট কমিটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সুশৃঙ্খলভাবে অনুষ্ঠানে অংশ নেন কার্ডিফের কাউন্সিলারবৃন্দ, মনুমেন্ট ফাউন্ডার্স ট্রাস্ট কমিটি, ওয়েলস আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, ওয়েলস কার্ডিফ বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের সাউথ ওয়েলস রিজিওন, ‘অর্গানাইজেশন ফর দ্য রিকগনিশন অব বাংলা অ্যাজ অ্যান অফিসিয়াল ল্যাঙ্গুয়েজ অব দ্য ইউনাইটেড নেশনস’ সাউথ ওয়েলস কমিটি-সহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ থেকে আগত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
কার্ডিফ কাউন্টি কাউন্সিলের সাবেক ডেপুটি লর্ড মেয়র কাউন্সিলার দিলওয়ার আলীর সভাপতিত্বে এবং শহীদ মিনার ফাউন্ডার্স ট্রাষ্ট কমিটির সেক্রেটারি কমিউনিটি লিডার মোহাম্মদ মকিস মনসুর এর পরিচালনায় মনুমেন্ট প্রাঙ্গণে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় ব্যাবসায়ী আলহাজ্ব আসাদ মিয়া, রাজনীতিবিদ গোলাম মর্তুজা, সাংস্কৃতিক সংগঠক সৈয়দ কাহের, সাবেক ছাত্রনেতা সাজেল আহমেদ, সাংবাদিক আতিকুল ইসলাম ও মহিলা প্রতিনিধি সায়েদা আফরীন জাহান বক্তব্য রাখেন।
একুশ আমাদের অহংকার, একুশ আমাদের আত্মপরিচয়; একুশের পথ ধরেই আমরা পেয়েছি লাল বৃত্তের সবুজ পতাকা এমন মন্তব্য করে ইউকে বিডি টিভির চেয়ারম্যান ও ইন্টারন্যাশনাল মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ মনুমেন্ট তথা শহীদ মিনার ফাউন্ডার্স ট্রাস্ট কমিটির সেক্রেটারি মোহাম্মদ মকিস মনসুর প্রবাসে বেড়ে ওঠা নবপ্রজন্মের সন্তানদের বাংলা ভাষা শিক্ষায় গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যুক্তরাজ্যে বেড়ে ওঠা শিশু-কিশোরদের মাতৃভাষার সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখতে তাদের নিয়মিত বাংলা স্কুলে পাঠানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের সর্বস্তরে বাংলা ভাষার কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন। মোহাম্মদ মকিস মনসুর আরও বলেন, বাংলাকে জাতিসংঘ-এর দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার লক্ষ্যে চলমান আন্তর্জাতিক ক্যাম্পেইনে প্রবাসীসহ সকল বাংলাদেশিকে ঐক্যবদ্ধভাবে সহযোগিতা করতে হবে।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠান সফল করতে উপস্থিত সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়ে কাউন্সিলার দিলওয়ার আলী বলেন, ভাষা আন্দোলনের রক্তক্ষয়ী দিনটি এখন আর কেবল শোক ও বেদনার দিন নয়; এটি জাতি, ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সব মানুষের নিজ নিজ ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার এক সর্বজনীন উৎসবের দিন।
অনুষ্ঠানে ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে ইন্টারন্যাশনাল মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ মনুমেন্ট প্রাঙ্গণে উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিরা ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করে একুশের চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
প্রবাসের মাটিতে মাতৃভাষার প্রতি এমন ভালোবাসা প্রমাণ করে—ভাষা কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এটি জাতির আত্মা, ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের ধারক। দূরদেশে থেকেও একুশের অমর বাণী প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন অংশগ্রহণকারীরা।
শহীদ মিনার ফাউন্ডার্স ট্রাস্ট কমিটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সুশৃঙ্খলভাবে অনুষ্ঠানে অংশ নেন কার্ডিফের কাউন্সিলারবৃন্দ, মনুমেন্ট ফাউন্ডার্স ট্রাস্ট কমিটি, ওয়েলস আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, ওয়েলস কার্ডিফ বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের সাউথ ওয়েলস রিজিওন, ‘অর্গানাইজেশন ফর দ্য রিকগনিশন অব বাংলা অ্যাজ অ্যান অফিসিয়াল ল্যাঙ্গুয়েজ অব দ্য ইউনাইটেড নেশনস’ সাউথ ওয়েলস কমিটি-সহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ থেকে আগত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
কার্ডিফ কাউন্টি কাউন্সিলের সাবেক ডেপুটি লর্ড মেয়র কাউন্সিলার দিলওয়ার আলীর সভাপতিত্বে এবং শহীদ মিনার ফাউন্ডার্স ট্রাষ্ট কমিটির সেক্রেটারি কমিউনিটি লিডার মোহাম্মদ মকিস মনসুর এর পরিচালনায় মনুমেন্ট প্রাঙ্গণে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় ব্যাবসায়ী আলহাজ্ব আসাদ মিয়া, রাজনীতিবিদ গোলাম মর্তুজা, সাংস্কৃতিক সংগঠক সৈয়দ কাহের, সাবেক ছাত্রনেতা সাজেল আহমেদ, সাংবাদিক আতিকুল ইসলাম ও মহিলা প্রতিনিধি সায়েদা আফরীন জাহান বক্তব্য রাখেন।
একুশ আমাদের অহংকার, একুশ আমাদের আত্মপরিচয়; একুশের পথ ধরেই আমরা পেয়েছি লাল বৃত্তের সবুজ পতাকা এমন মন্তব্য করে ইউকে বিডি টিভির চেয়ারম্যান ও ইন্টারন্যাশনাল মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ মনুমেন্ট তথা শহীদ মিনার ফাউন্ডার্স ট্রাস্ট কমিটির সেক্রেটারি মোহাম্মদ মকিস মনসুর প্রবাসে বেড়ে ওঠা নবপ্রজন্মের সন্তানদের বাংলা ভাষা শিক্ষায় গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যুক্তরাজ্যে বেড়ে ওঠা শিশু-কিশোরদের মাতৃভাষার সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখতে তাদের নিয়মিত বাংলা স্কুলে পাঠানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের সর্বস্তরে বাংলা ভাষার কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন। মোহাম্মদ মকিস মনসুর আরও বলেন, বাংলাকে জাতিসংঘ-এর দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার লক্ষ্যে চলমান আন্তর্জাতিক ক্যাম্পেইনে প্রবাসীসহ সকল বাংলাদেশিকে ঐক্যবদ্ধভাবে সহযোগিতা করতে হবে।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠান সফল করতে উপস্থিত সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়ে কাউন্সিলার দিলওয়ার আলী বলেন, ভাষা আন্দোলনের রক্তক্ষয়ী দিনটি এখন আর কেবল শোক ও বেদনার দিন নয়; এটি জাতি, ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সব মানুষের নিজ নিজ ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার এক সর্বজনীন উৎসবের দিন।
অনুষ্ঠানে ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে ইন্টারন্যাশনাল মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ মনুমেন্ট প্রাঙ্গণে উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিরা ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করে একুশের চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
প্রবাসের মাটিতে মাতৃভাষার প্রতি এমন ভালোবাসা প্রমাণ করে—ভাষা কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এটি জাতির আত্মা, ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের ধারক। দূরদেশে থেকেও একুশের অমর বাণী প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন অংশগ্রহণকারীরা।