সিলেট, ২৪ ফেব্রুয়ারি : সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নতুন প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি আধুনিক ও বাসযোগ্য নগরী গড়ে তোলার লক্ষ্যে ‘গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটি’ (সবুজ ও পরিচ্ছন্ন শহর) ধারণা দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন। বিশেষ করে মশক নিধন, নিরবচ্ছিন্ন পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার এবং ব্যাপক বৃক্ষরোপণের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে একটি কার্যকর কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের রূপরেখা জমা দিতে প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছয়টি সিটি কর্পোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসকদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে এসব তথ্য জানান কাইয়ুম চৌধুরী।
তিনি আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশনের কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে প্রধানমন্ত্রী নিজেই বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করবেন। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বাস্তব চিত্র এবং অগ্রগতি সরাসরি দেখতে তিনি মাঠপর্যায়ে যাবেন বলেও জানিয়েছেন।
এর আগে নবনিযুক্ত প্রশাসকরা প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রীদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন। ছয় সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকরা প্রথমে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরে তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন।
প্রশাসকরা জানান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ছয় মাসব্যাপী বিশেষ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে তারা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছেন। জনভোগান্তি কমিয়ে একটি স্বচ্ছ, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী গড়ে তুলতে তারা বদ্ধপরিকর।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছয়টি সিটি কর্পোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসকদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে এসব তথ্য জানান কাইয়ুম চৌধুরী।
তিনি আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশনের কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে প্রধানমন্ত্রী নিজেই বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করবেন। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বাস্তব চিত্র এবং অগ্রগতি সরাসরি দেখতে তিনি মাঠপর্যায়ে যাবেন বলেও জানিয়েছেন।
এর আগে নবনিযুক্ত প্রশাসকরা প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রীদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন। ছয় সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকরা প্রথমে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরে তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন।
প্রশাসকরা জানান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ছয় মাসব্যাপী বিশেষ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে তারা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছেন। জনভোগান্তি কমিয়ে একটি স্বচ্ছ, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী গড়ে তুলতে তারা বদ্ধপরিকর।