ঢাকা, ২৪ ফেব্রুয়ারি : “কোটি-কোটি মানুষ যা শুনেছে এবং সেদিন তিনি যা বলেছিলেন, আর এখন যা বলছেন—তার হিসাব রাষ্ট্রপতি মিলিয়ে দেবেন কি?”—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির আচরণ অগ্রহণযোগ্য।
সাম্প্রতিক একটি পত্রিকায় রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকার প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়। এ বিষয়ে ডা. শফিকুর রহমান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে রাষ্ট্রপতির বক্তব্য নিয়ে কড়া মন্তব্য করেন।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে দেওয়া পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, গত ৫ আগস্ট ২০২৪-সংক্রান্ত বিষয়ে রাষ্ট্রপতি অনেক কিছুই গোপন রেখেছেন। কথিত পলাতক প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ প্রসঙ্গে উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে তিনি যা বলেছিলেন এবং পরবর্তীতে জাতির উদ্দেশে যা জানিয়েছিলেন—বর্তমান বক্তব্যে তার সঙ্গে মিল পাওয়া যাচ্ছে না বলে দাবি করেন তিনি।
পোস্টে আরও বলা হয়, “কোটি-কোটি মানুষ যা শুনেছে এবং সেদিন তিনি যা বলেছিলেন, আর এখন যা বলছেন—তার হিসাব রাষ্ট্রপতি মিলিয়ে দেবেন কি?” ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জাতি অবুঝ নয়। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে থেকে এ ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
জামায়াত আমিরের পোস্টটি সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যে এতে প্রায় ৪২ হাজার মানুষ প্রতিক্রিয়া জানান, প্রায় আড়াই হাজার মন্তব্য করেন এবং এক হাজারের বেশি বার শেয়ার করা হয়।
সাম্প্রতিক একটি পত্রিকায় রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকার প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়। এ বিষয়ে ডা. শফিকুর রহমান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে রাষ্ট্রপতির বক্তব্য নিয়ে কড়া মন্তব্য করেন।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে দেওয়া পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, গত ৫ আগস্ট ২০২৪-সংক্রান্ত বিষয়ে রাষ্ট্রপতি অনেক কিছুই গোপন রেখেছেন। কথিত পলাতক প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ প্রসঙ্গে উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে তিনি যা বলেছিলেন এবং পরবর্তীতে জাতির উদ্দেশে যা জানিয়েছিলেন—বর্তমান বক্তব্যে তার সঙ্গে মিল পাওয়া যাচ্ছে না বলে দাবি করেন তিনি।
পোস্টে আরও বলা হয়, “কোটি-কোটি মানুষ যা শুনেছে এবং সেদিন তিনি যা বলেছিলেন, আর এখন যা বলছেন—তার হিসাব রাষ্ট্রপতি মিলিয়ে দেবেন কি?” ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জাতি অবুঝ নয়। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে থেকে এ ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
জামায়াত আমিরের পোস্টটি সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যে এতে প্রায় ৪২ হাজার মানুষ প্রতিক্রিয়া জানান, প্রায় আড়াই হাজার মন্তব্য করেন এবং এক হাজারের বেশি বার শেয়ার করা হয়।