হবিগঞ্জ, ৭ মার্চ : হবিগঞ্জে ধর্ষণ মামলার আসামি জামিনে বের হয়ে মামলা তুলে নিতে বাদীপক্ষকে ভয়ভীতি ও চাপ প্রয়োগ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আজ শনিবার দুপুরে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব-এ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মামলার বাদী নিভা রানী দেব লিখিত বক্তব্যে এ অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, তার বোবা ও প্রতিবন্ধী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার আসামি রনদীর গোপ সম্প্রতি জামিনে মুক্ত হয়ে মামলা তুলে নিতে চাপ দিচ্ছে। শুধু তাই নয়, মামলা না তুললে উল্টো ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। লোকজনের মাধ্যমে বলা হচ্ছে, টাকার জোরে মামলাটি সহজেই শেষ করে দেওয়া হবে। নিভা রানী দেব প্রশাসনের কাছে মেডিক্যাল রিপোর্ট পুনরায় যাচাইয়ের দাবি জানিয়ে বলেন, টাকার মাধ্যমে কোনো ধরনের কারসাজি হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, গত বছরের ১৩ নভেম্বর হবিগঞ্জ শহরের ঘোষপাড়া এলাকার মৃত মনিন্দ্র গোপের ছেলে রনদীর গোপ তার ২৫ বছর বয়সী বোবা ও প্রতিবন্ধী মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ঘটনার পর তার মেয়ে ইশারার মাধ্যমে একজনকে বিষয়টি জানায় এবং পরে মাকে নিয়ে অভিযুক্তের বাড়িতে গিয়ে ঘটনাটি বোঝায়।
তিনি আরও জানান, পরদিন ১৪ নভেম্বর মেয়েকে হবিগঞ্জ জেলা সদর ২৫০ শয্যা হাসপাতাল-এর ওসিসিতে ভর্তি করে চিকিৎসা করানো হয় এবং সেখানে তার মেয়ের বক্তব্য রেকর্ড করা হয়। একইদিন তিনি রনদীর গোপকে আসামি করে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা-এ মামলা দায়ের করেন। বাদীর দাবি, প্রথমদিকে আসামিকে গ্রেফতার করতে পুলিশ গড়িমসি করলেও পরে বারবার অনুরোধ এবং গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর তাকে গ্রেফতার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে নিভা রানী দেব বলেন, তিনি একজন হতদরিদ্র নারী। তার স্বামী অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী এবং তিনি চতুর্থ শ্রেণীর একটি চাকরি করে কষ্টে সংসার চালাচ্ছেন। অন্যদিকে প্রতিপক্ষ আর্থিকভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি ন্যায়বিচার নিয়ে শঙ্কিত। গণমাধ্যমের মাধ্যমে তিনি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।
তিনি বলেন, তার বোবা ও প্রতিবন্ধী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার আসামি রনদীর গোপ সম্প্রতি জামিনে মুক্ত হয়ে মামলা তুলে নিতে চাপ দিচ্ছে। শুধু তাই নয়, মামলা না তুললে উল্টো ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। লোকজনের মাধ্যমে বলা হচ্ছে, টাকার জোরে মামলাটি সহজেই শেষ করে দেওয়া হবে। নিভা রানী দেব প্রশাসনের কাছে মেডিক্যাল রিপোর্ট পুনরায় যাচাইয়ের দাবি জানিয়ে বলেন, টাকার মাধ্যমে কোনো ধরনের কারসাজি হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, গত বছরের ১৩ নভেম্বর হবিগঞ্জ শহরের ঘোষপাড়া এলাকার মৃত মনিন্দ্র গোপের ছেলে রনদীর গোপ তার ২৫ বছর বয়সী বোবা ও প্রতিবন্ধী মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ঘটনার পর তার মেয়ে ইশারার মাধ্যমে একজনকে বিষয়টি জানায় এবং পরে মাকে নিয়ে অভিযুক্তের বাড়িতে গিয়ে ঘটনাটি বোঝায়।
তিনি আরও জানান, পরদিন ১৪ নভেম্বর মেয়েকে হবিগঞ্জ জেলা সদর ২৫০ শয্যা হাসপাতাল-এর ওসিসিতে ভর্তি করে চিকিৎসা করানো হয় এবং সেখানে তার মেয়ের বক্তব্য রেকর্ড করা হয়। একইদিন তিনি রনদীর গোপকে আসামি করে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা-এ মামলা দায়ের করেন। বাদীর দাবি, প্রথমদিকে আসামিকে গ্রেফতার করতে পুলিশ গড়িমসি করলেও পরে বারবার অনুরোধ এবং গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর তাকে গ্রেফতার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে নিভা রানী দেব বলেন, তিনি একজন হতদরিদ্র নারী। তার স্বামী অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী এবং তিনি চতুর্থ শ্রেণীর একটি চাকরি করে কষ্টে সংসার চালাচ্ছেন। অন্যদিকে প্রতিপক্ষ আর্থিকভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি ন্যায়বিচার নিয়ে শঙ্কিত। গণমাধ্যমের মাধ্যমে তিনি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।