কুমিল্লা, ৮ মার্চ: কুমিল্লা শহরের ঠাকুরপাড়া বাগানবাড়ি এলাকার একটি শিব মন্দিরে ককটেল বিস্ফোরণে পুরোহিতসহ অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। শনিবার সন্ধ্যায় শনি পূজার সময় এ ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে র্যাব ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে মুখোশ পরা এক ব্যক্তি ব্যাগ হাতে মন্দিরে প্রবেশ করেন। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, তিনি ব্যাগটি রেখে দ্রুত পালিয়ে যান এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই বিস্ফোরণ ঘটে। এতে মন্দিরে থাকা লোকজন আতঙ্কিত হয়ে ছোটাছুটি শুরু করেন। বিস্ফোরণে পুরোহিত কেশব চক্রবর্তী আহত হন এবং তাঁকে কুমিল্লা সদর হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়েছে।
পুরোহিত কেশব চক্রবর্তী বলেন, “প্রথমে বুঝতে পারিনি কী হয়েছে। সাদা কিছু আমার সামনে এসে পড়েছিল, পরে ধোঁয়া দেখে বুঝলাম বিস্ফোরণ হয়েছে। কে বা কেন করেছে জানি না।” দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যাওয়ার পথে পার্শ্ববর্তী বৌদ্ধ মন্দির ও ব্র্যাক অফিসের সামনে আরও দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে তিনজন আহত হন। আহতদের মধ্যে আব্দুল বারেক ও জিহাদ নামে দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপর একজনের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ওসি মো. তৌহিদুল আনোয়ার জানান, সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। বিস্ফোরণের কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রশাসন জানিয়েছে, এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে মুখোশ পরা এক ব্যক্তি ব্যাগ হাতে মন্দিরে প্রবেশ করেন। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, তিনি ব্যাগটি রেখে দ্রুত পালিয়ে যান এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই বিস্ফোরণ ঘটে। এতে মন্দিরে থাকা লোকজন আতঙ্কিত হয়ে ছোটাছুটি শুরু করেন। বিস্ফোরণে পুরোহিত কেশব চক্রবর্তী আহত হন এবং তাঁকে কুমিল্লা সদর হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়েছে।
পুরোহিত কেশব চক্রবর্তী বলেন, “প্রথমে বুঝতে পারিনি কী হয়েছে। সাদা কিছু আমার সামনে এসে পড়েছিল, পরে ধোঁয়া দেখে বুঝলাম বিস্ফোরণ হয়েছে। কে বা কেন করেছে জানি না।” দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যাওয়ার পথে পার্শ্ববর্তী বৌদ্ধ মন্দির ও ব্র্যাক অফিসের সামনে আরও দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে তিনজন আহত হন। আহতদের মধ্যে আব্দুল বারেক ও জিহাদ নামে দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপর একজনের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ওসি মো. তৌহিদুল আনোয়ার জানান, সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। বিস্ফোরণের কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রশাসন জানিয়েছে, এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।