লন্ডন, ৮ মার্চ: যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর।
গতকাল শনিবার (৭ মার্চ) রাতে কমনওয়েলথের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে লন্ডন পৌঁছান প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। সেখানে স্থানীয় বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি আবিদা ইসলামের প্রত্যাহারের বিষয়টি জানান। হুমায়ুন কবীর বলেন, “একটা সুখবর আছে। শোনেন, একটা সুখবর হলো এই হাইকমিশনারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম হ্যাজ বিন রিমুভড ফ্রম হার পোস্ট।”
বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি প্রথম কোনো বাংলাদেশি কূটনীতিকের প্রত্যাহার। আবিদা ইসলামকে গত বছরের জানুয়ারিতে অন্তর্বর্তী সরকার লন্ডনের হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল। তিনি সাইদা মুনা তাসনিমের স্থলাভিষিক্ত হন।
আবিদা ইসলাম এর আগে মেক্সিকো ও দক্ষিণ কোরিয়াতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার (প্রধান মিশন) হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন।
গতকাল শনিবার (৭ মার্চ) রাতে কমনওয়েলথের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে লন্ডন পৌঁছান প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। সেখানে স্থানীয় বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি আবিদা ইসলামের প্রত্যাহারের বিষয়টি জানান। হুমায়ুন কবীর বলেন, “একটা সুখবর আছে। শোনেন, একটা সুখবর হলো এই হাইকমিশনারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম হ্যাজ বিন রিমুভড ফ্রম হার পোস্ট।”
বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি প্রথম কোনো বাংলাদেশি কূটনীতিকের প্রত্যাহার। আবিদা ইসলামকে গত বছরের জানুয়ারিতে অন্তর্বর্তী সরকার লন্ডনের হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল। তিনি সাইদা মুনা তাসনিমের স্থলাভিষিক্ত হন।
আবিদা ইসলাম এর আগে মেক্সিকো ও দক্ষিণ কোরিয়াতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার (প্রধান মিশন) হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন।