২০২২ সালের ৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ সালে অ্যান আরবারে অবস্থিত প্রাক্তন গেলম্যান সাইটে একটি পানির ট্যাঙ্কের পাশে গাছ লাগানো হয়। এসব গাছ ১,৪-ডাইঅক্সেন দূষণ প্রতিকারের অংশ হিসেবে রোপণ করা হয়। ইউনাইটেড স্টেটস এনভায়রনমেন্টাল প্রোটেকশন এজেন্সি জানিয়েছে, এই মাসের শেষ দিকে অ্যান আরবারে তথাকথিত “গেলম্যান প্লাম”-এর আশপাশে ভূগর্ভস্থ পানির নমুনা সংগ্রহ শুরু করা হবে। এই পরীক্ষা দূষিত এলাকাটিকে সুপারফান্ড সাইট হিসেবে তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ/Photo : Robin Buckson, The Detroit News
অ্যান আরবার, ১২ মার্চ : শহরে অবস্থিত একটি প্রাক্তন মেডিকেল ফিল্টার উৎপাদনকারী কারখানার স্থানকে দেশের সবচেয়ে দূষিত স্থানের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে ইউনাইটেড স্টেটস এনভায়রনমেন্টাল প্রোটেকশন এজেন্সি।
বৃহস্পতিবার সংস্থাটি জানায়, জেলম্যান সায়েন্সেস ইনকর্পোরেটেড পুরোনো সাইটটিকে তাদের সুপারফান্ড জাতীয় অগ্রাধিকার তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে স্থানটি দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশ পরিষ্কার কার্যক্রমের জন্য ফেডারেল তহবিল পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে।
ইপিএ-এর আঞ্চলিক প্রশাসক অ্যান ভোগেল এক বিবৃতিতে বলেন, এই সুপারফান্ড ঘোষণার মাধ্যমে সংস্থাটি তার আইনি ক্ষমতা ব্যবহার করে মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় কোম্পানিটিকে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করবে। তিনি বলেন, প্রশাসক লি জেলডিনের নেতৃত্বে সংস্থাটি পানীয় জলের উৎস রক্ষা এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ পানি নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করছে।
রাজ্য কর্মকর্তারা জানান, ২০১৬ সালে অ্যান আরবার এবং সায়ো টাউনশিপের এলাকার নিচে কয়েক দশক ধরে ছড়িয়ে থাকা বিষাক্ত রাসায়নিক ১,৪-ডাইঅক্সেন-এর একটি বড় স্তূপ শনাক্ত করা হয়। এই রাসায়নিকটি সাউথ ওয়াগনার রোডের কাছে অবস্থিত সাবেক কারখানা এলাকা থেকে ছড়িয়ে পড়ে।
জেলম্যান সায়েন্সেস ইনকর্পোরেটেড ১৯৬৩ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত সেখানে মেডিকেল ফিল্টার তৈরি করত। উৎপাদন প্রক্রিয়ার সময় ১,৪-ডাইঅক্সেনযুক্ত বর্জ্য কাছাকাছি পুকুরে ফেলা হতো, যার ফলে ভূগর্ভস্থ পানিতে একটি বড় রাসায়নিক প্লাম তৈরি হয়। ধারণা করা হয়, এই প্লাম প্রায় ৩ মাইল দীর্ঘ এবং ১ মাইল প্রশস্ত।
কর্মকর্তারা জানান, দূষিত এই প্লাম ইতিমধ্যে পানীয় জলের উৎসের দিকে অগ্রসর হয়েছে। ইপিএ-এর মতে, ১,৪-ডাইঅক্সেন লিভার ও কিডনির ক্ষতি করতে পারে এবং ক্যান্সারের ঝুঁকিও বাড়াতে পারে।
তবে বর্তমানে মানুষের সরাসরি সংস্পর্শে এই রাসায়নিকের প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ইপিএ। তবুও এটি হুরন নদী এবং আশপাশের পানীয় জলের কূপগুলো দূষিত করার সম্ভাবনার কারণে উদ্বেগের কারণ হয়ে রয়েছে।
দূষণ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ায় মিশিগানের পরিবেশ সুরক্ষা বিভাগ বিষাক্ত রাসায়নিক নিয়ন্ত্রণে জরুরি নিয়ম জারি করতে বাধ্য হয়। ২০১৬ সালে অ্যান আর্বারের সিটি কাউন্সিল দূষণ দ্রুত পরিষ্কারের দাবিতে একটি প্রস্তাবও অনুমোদন করে।
এদিকে মার্কিন প্রতিনিধি ডেবি ডিঙ্গেল, ডি-ডিয়ারবর্নপরিস্থিতি মোকাবিলায় ইপএ-এর তদারকি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। পরে ২০২১ সালে মিশিগান কর্তৃপক্ষ সাইটটিকে জাতীয় অগ্রাধিকার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে ইপিএ-কে অনুরোধ জানায়।
২০২২ সালে ইপিএ তদন্তকারী দল পাঠিয়ে দূষণের মাত্রা যাচাই করে এবং পরের বছর জানায় যে সাইটটি সুপারফান্ড তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্য। এখন এই তালিকাভুক্তির মাধ্যমে এলাকাটিতে দীর্ঘমেয়াদি পরিষ্কার কার্যক্রমের পথ খুলে গেছে।
Source & Photo: http://detroitnews.com
অ্যান আরবার, ১২ মার্চ : শহরে অবস্থিত একটি প্রাক্তন মেডিকেল ফিল্টার উৎপাদনকারী কারখানার স্থানকে দেশের সবচেয়ে দূষিত স্থানের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে ইউনাইটেড স্টেটস এনভায়রনমেন্টাল প্রোটেকশন এজেন্সি।
বৃহস্পতিবার সংস্থাটি জানায়, জেলম্যান সায়েন্সেস ইনকর্পোরেটেড পুরোনো সাইটটিকে তাদের সুপারফান্ড জাতীয় অগ্রাধিকার তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে স্থানটি দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশ পরিষ্কার কার্যক্রমের জন্য ফেডারেল তহবিল পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে।
ইপিএ-এর আঞ্চলিক প্রশাসক অ্যান ভোগেল এক বিবৃতিতে বলেন, এই সুপারফান্ড ঘোষণার মাধ্যমে সংস্থাটি তার আইনি ক্ষমতা ব্যবহার করে মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় কোম্পানিটিকে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করবে। তিনি বলেন, প্রশাসক লি জেলডিনের নেতৃত্বে সংস্থাটি পানীয় জলের উৎস রক্ষা এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ পানি নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করছে।
রাজ্য কর্মকর্তারা জানান, ২০১৬ সালে অ্যান আরবার এবং সায়ো টাউনশিপের এলাকার নিচে কয়েক দশক ধরে ছড়িয়ে থাকা বিষাক্ত রাসায়নিক ১,৪-ডাইঅক্সেন-এর একটি বড় স্তূপ শনাক্ত করা হয়। এই রাসায়নিকটি সাউথ ওয়াগনার রোডের কাছে অবস্থিত সাবেক কারখানা এলাকা থেকে ছড়িয়ে পড়ে।
জেলম্যান সায়েন্সেস ইনকর্পোরেটেড ১৯৬৩ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত সেখানে মেডিকেল ফিল্টার তৈরি করত। উৎপাদন প্রক্রিয়ার সময় ১,৪-ডাইঅক্সেনযুক্ত বর্জ্য কাছাকাছি পুকুরে ফেলা হতো, যার ফলে ভূগর্ভস্থ পানিতে একটি বড় রাসায়নিক প্লাম তৈরি হয়। ধারণা করা হয়, এই প্লাম প্রায় ৩ মাইল দীর্ঘ এবং ১ মাইল প্রশস্ত।
কর্মকর্তারা জানান, দূষিত এই প্লাম ইতিমধ্যে পানীয় জলের উৎসের দিকে অগ্রসর হয়েছে। ইপিএ-এর মতে, ১,৪-ডাইঅক্সেন লিভার ও কিডনির ক্ষতি করতে পারে এবং ক্যান্সারের ঝুঁকিও বাড়াতে পারে।
তবে বর্তমানে মানুষের সরাসরি সংস্পর্শে এই রাসায়নিকের প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ইপিএ। তবুও এটি হুরন নদী এবং আশপাশের পানীয় জলের কূপগুলো দূষিত করার সম্ভাবনার কারণে উদ্বেগের কারণ হয়ে রয়েছে।
দূষণ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ায় মিশিগানের পরিবেশ সুরক্ষা বিভাগ বিষাক্ত রাসায়নিক নিয়ন্ত্রণে জরুরি নিয়ম জারি করতে বাধ্য হয়। ২০১৬ সালে অ্যান আর্বারের সিটি কাউন্সিল দূষণ দ্রুত পরিষ্কারের দাবিতে একটি প্রস্তাবও অনুমোদন করে।
এদিকে মার্কিন প্রতিনিধি ডেবি ডিঙ্গেল, ডি-ডিয়ারবর্নপরিস্থিতি মোকাবিলায় ইপএ-এর তদারকি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। পরে ২০২১ সালে মিশিগান কর্তৃপক্ষ সাইটটিকে জাতীয় অগ্রাধিকার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে ইপিএ-কে অনুরোধ জানায়।
২০২২ সালে ইপিএ তদন্তকারী দল পাঠিয়ে দূষণের মাত্রা যাচাই করে এবং পরের বছর জানায় যে সাইটটি সুপারফান্ড তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্য। এখন এই তালিকাভুক্তির মাধ্যমে এলাকাটিতে দীর্ঘমেয়াদি পরিষ্কার কার্যক্রমের পথ খুলে গেছে।
Source & Photo: http://detroitnews.com