ওয়ারেন, ২৬ মার্চ : বসন্তের আমেজে ভক্তিমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে বাসন্তী পূজা। আজ মহাষ্টমী তিথিতে দেবী দুর্গার আরাধনায় মগ্ন রয়েছেন ভক্তবৃন্দ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই বাসন্তী পূজা এখন মহাধুমধামে চলছে। আগামীকাল নবমী পূজা এবং শনিবার দশমীতে দেবীর বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটবে। যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে বসন্তের দেবী বাসন্তী পূজিত হচ্ছেন ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে।
শাস্ত্রমতে বাসন্তী পূজাই দুর্গাপূজার আদি রূপ। এ বছর দেবীর আগমন হয়েছে পালকি বা দোলায়, অর্থাৎ মানুষের কাঁধে চেপে দেবী মর্ত্যে আগমন করেছেন বলে ধর্মীয় বিশ্বাস রয়েছে। শাস্ত্রীয় ব্যাখ্যায় পালকিতে দেবীর আগমনকে বিশেষ শুভ হিসেবে গণ্য করা হয় না; এতে মহামারীর আশঙ্কা, ব্যবসায়িক ক্ষতি এবং অর্থনৈতিক অস্থিরতার ইঙ্গিত রয়েছে বলে পুরাণ ও শাস্ত্রবিদদের মত।
অন্যদিকে, দেবীর বিদায় হবে গজবাহনে বা হাতিতে চড়ে। শাস্ত্র অনুসারে গজবাহনে দেবীর গমন অত্যন্ত শুভ ফল বয়ে আনে। এর ফলে কৃষিক্ষেত্রে ভালো ফলন, আর্থিক সমৃদ্ধি এবং সমাজে শান্তি ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠিত হয় বলে বিশ্বাস করা হয়। অর্থাৎ বিদায়ের সময় দেবী দুর্গা মর্ত্যবাসীর জন্য সমৃদ্ধি ও কল্যাণের আশীর্বাদ দিয়ে যাবেন—এমনটাই ভক্তদের প্রত্যাশা।
হিন্দুশাস্ত্র অনুযায়ী চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষে বসন্তকালে বাসন্তী পূজার আয়োজন করা হয়। পুরাণে বর্ণিত আছে, রাজা সুরথ ও সমাধি নামক এক বৈশ্য ঋষি মেধসের আশ্রমে বসন্তকালে দেবী দুর্গার আরাধনা করেন। দেবীর কৃপায় রাজা সুরথ তাঁর হারানো রাজ্য ফিরে পান এবং বৈশ্য সমাধি লাভ করেন পরম জ্ঞান। বসন্তকালে এই পূজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণেই এর নাম হয় ‘বাসন্তী পূজা’, যা পরবর্তীতে হিন্দু সমাজে প্রচলিত হয়ে ওঠে।
অন্যদিকে, শরৎকালে অনুষ্ঠিত দুর্গাপূজাকে ‘অকালবোধন’ বলা হয়। লঙ্কারাজ রাবণকে বধের উদ্দেশ্যে ভগবান শ্রীরামচন্দ্র শরৎকালে দেবী দুর্গার অকাল বোধন করেন এবং সেই থেকেই শরৎকালের দুর্গাপূজার প্রচলন শুরু হয়। সব মিলিয়ে, বসন্তের এই পবিত্র সময়ে বাসন্তী পূজা শুধু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান নয়, বরং ভক্তদের জন্য শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণের বার্তা বহন করে চলেছে।
এদিকে রাজ্যের বিভিন্ন মন্দিরে বাসন্তী পূজাকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ওয়ারেনের শিব মন্দির টেম্পল অব জয়, ডেট্রয়েট দুর্গা টেম্পল এবং মিশিগান কালিবাড়িতে আজ বাসন্তী পূজা অনুষ্ঠিত হবে। আগামীকাল শুক্রবার হ্যামট্রাম্যাক সিটির রাধাকৃষ্ণ টেম্পলে বাসন্তী পূজা উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
উইকেন্ডে পূজার আয়োজন আরও বর্ণিল হয়ে উঠবে। শনিবার ওয়ারেনের শিব মন্দির টেম্পল অব জয়-এ বিশেষ বাসন্তী পূজার আয়োজন করা হয়েছে। এ দিনের পূজার স্পন্সর হচ্ছেন মন্দিরের কো-কর্ডিনেটর কমলেন্দু পাল। ভক্তদের অংশগ্রহণে পূজা, অঞ্জলি ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচি পালিত হবে।
রোববার মিশিগান কালিবাড়িতে বিশেষ পূজা, অঞ্জলি, প্রার্থনা ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বাসন্তী পূজার সমাপনী আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজকরা জানান, ভক্তদের উপস্থিতিতে এই পূজা উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করার জন্য সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে।
শাস্ত্রমতে বাসন্তী পূজাই দুর্গাপূজার আদি রূপ। এ বছর দেবীর আগমন হয়েছে পালকি বা দোলায়, অর্থাৎ মানুষের কাঁধে চেপে দেবী মর্ত্যে আগমন করেছেন বলে ধর্মীয় বিশ্বাস রয়েছে। শাস্ত্রীয় ব্যাখ্যায় পালকিতে দেবীর আগমনকে বিশেষ শুভ হিসেবে গণ্য করা হয় না; এতে মহামারীর আশঙ্কা, ব্যবসায়িক ক্ষতি এবং অর্থনৈতিক অস্থিরতার ইঙ্গিত রয়েছে বলে পুরাণ ও শাস্ত্রবিদদের মত।
অন্যদিকে, দেবীর বিদায় হবে গজবাহনে বা হাতিতে চড়ে। শাস্ত্র অনুসারে গজবাহনে দেবীর গমন অত্যন্ত শুভ ফল বয়ে আনে। এর ফলে কৃষিক্ষেত্রে ভালো ফলন, আর্থিক সমৃদ্ধি এবং সমাজে শান্তি ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠিত হয় বলে বিশ্বাস করা হয়। অর্থাৎ বিদায়ের সময় দেবী দুর্গা মর্ত্যবাসীর জন্য সমৃদ্ধি ও কল্যাণের আশীর্বাদ দিয়ে যাবেন—এমনটাই ভক্তদের প্রত্যাশা।
হিন্দুশাস্ত্র অনুযায়ী চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষে বসন্তকালে বাসন্তী পূজার আয়োজন করা হয়। পুরাণে বর্ণিত আছে, রাজা সুরথ ও সমাধি নামক এক বৈশ্য ঋষি মেধসের আশ্রমে বসন্তকালে দেবী দুর্গার আরাধনা করেন। দেবীর কৃপায় রাজা সুরথ তাঁর হারানো রাজ্য ফিরে পান এবং বৈশ্য সমাধি লাভ করেন পরম জ্ঞান। বসন্তকালে এই পূজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণেই এর নাম হয় ‘বাসন্তী পূজা’, যা পরবর্তীতে হিন্দু সমাজে প্রচলিত হয়ে ওঠে।
অন্যদিকে, শরৎকালে অনুষ্ঠিত দুর্গাপূজাকে ‘অকালবোধন’ বলা হয়। লঙ্কারাজ রাবণকে বধের উদ্দেশ্যে ভগবান শ্রীরামচন্দ্র শরৎকালে দেবী দুর্গার অকাল বোধন করেন এবং সেই থেকেই শরৎকালের দুর্গাপূজার প্রচলন শুরু হয়। সব মিলিয়ে, বসন্তের এই পবিত্র সময়ে বাসন্তী পূজা শুধু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান নয়, বরং ভক্তদের জন্য শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণের বার্তা বহন করে চলেছে।
এদিকে রাজ্যের বিভিন্ন মন্দিরে বাসন্তী পূজাকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ওয়ারেনের শিব মন্দির টেম্পল অব জয়, ডেট্রয়েট দুর্গা টেম্পল এবং মিশিগান কালিবাড়িতে আজ বাসন্তী পূজা অনুষ্ঠিত হবে। আগামীকাল শুক্রবার হ্যামট্রাম্যাক সিটির রাধাকৃষ্ণ টেম্পলে বাসন্তী পূজা উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
উইকেন্ডে পূজার আয়োজন আরও বর্ণিল হয়ে উঠবে। শনিবার ওয়ারেনের শিব মন্দির টেম্পল অব জয়-এ বিশেষ বাসন্তী পূজার আয়োজন করা হয়েছে। এ দিনের পূজার স্পন্সর হচ্ছেন মন্দিরের কো-কর্ডিনেটর কমলেন্দু পাল। ভক্তদের অংশগ্রহণে পূজা, অঞ্জলি ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচি পালিত হবে।
রোববার মিশিগান কালিবাড়িতে বিশেষ পূজা, অঞ্জলি, প্রার্থনা ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বাসন্তী পূজার সমাপনী আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজকরা জানান, ভক্তদের উপস্থিতিতে এই পূজা উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করার জন্য সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে।