ওয়ারেন, ২৯ মার্চ : ভক্তি ও উৎসবমুখর পরিবেশে মিশিগান রাজ্যের ওয়ারেন শহরে অবস্থিত শিবমন্দির টেম্পল অব জয়ে শ্রীশ্রী বাসন্তী পূজা যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় উদযাপিত হয়েছে। প্রবাসী সনাতনী হিন্দু সম্প্রদায়ের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে গতকাল শনিবার মন্দির প্রাঙ্গণ দিনভর পরিণত হয় এক আধ্যাত্মিক মিলনমেলায়।
পূজাকে কেন্দ্র করে দুপুর থেকেই ভক্তদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে মন্দির চত্বর। পুরোহিতের মন্ত্রোচ্চারণ, ঢাক-ঢোল, শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনিতে চারপাশ ভরে ওঠে এক পবিত্র আবহে। দিনভর অনুষ্ঠিত হয় পূজার্চনা, পুষ্পাঞ্জলি প্রদান, প্রার্থনা ও বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান। ভক্তরা দেবী দুর্গার চরণে অঞ্জলি নিবেদন করে পরিবারের সুখ-শান্তি, সমৃদ্ধি ও বিশ্বমানবতার কল্যাণ কামনা করেন। পূজার সার্বিক আয়োজনে ছিলেন মন্দিরের কো অর্ডিনেটর কমলেন্দু পাল।

দুপুরে ভক্তদের মাঝে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়। প্রবাসী বাঙালি ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা পরিবার-পরিজন নিয়ে পূজায় অংশগ্রহণ করে এক আন্তরিক ধর্মীয় ও সামাজিক বন্ধনে মিলিত হন। প্রসাদ বিতরণের পর মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা ড. দেবাশীষ মৃধা ও চিনু মৃধার একমাত্র কন্যা অমিতা মৃধার শুভ জন্মদিন উপলক্ষে কেক কেটে আনন্দঘন পরিবেশে জন্মদিন উদযাপন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ভক্তরা অমিতা মৃধার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।
দিন শেষে সন্ধ্যায়ও বিপুল সংখ্যক ভক্ত পুষ্পাঞ্জলি প্রদান করেন এবং সন্ধ্যা আরতিতে অংশ নেন। আরতি শেষে মন্দিরের প্রিস্ট পূর্নেন্দু চক্রবর্তী অপু শান্তি ভক্তদের মাথায় শান্তি জল প্রয়োগ করেন।

সন্ধ্যা আরতিতে মিশিগান কালিবাড়ির প্রেসিডেন্ট শ্যামা বি হালদার সস্ত্রীক উপস্থিত থেকে পূজার সৌন্দর্য ও আয়োজকদের আন্তরিকতার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, প্রবাসে এ ধরনের ধর্মীয় আয়োজন নতুন প্রজন্মকে সনাতন সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
আয়োজকরা জানান, বাসন্তী পূজার মতো ধর্মীয় অনুষ্ঠান প্রবাসে সনাতনী হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব ও আধ্যাত্মিক চেতনাকে আরও সুদৃঢ় করে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আয়োজন নিয়মিতভাবে আয়োজন করা হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পূজাকে কেন্দ্র করে দুপুর থেকেই ভক্তদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে মন্দির চত্বর। পুরোহিতের মন্ত্রোচ্চারণ, ঢাক-ঢোল, শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনিতে চারপাশ ভরে ওঠে এক পবিত্র আবহে। দিনভর অনুষ্ঠিত হয় পূজার্চনা, পুষ্পাঞ্জলি প্রদান, প্রার্থনা ও বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান। ভক্তরা দেবী দুর্গার চরণে অঞ্জলি নিবেদন করে পরিবারের সুখ-শান্তি, সমৃদ্ধি ও বিশ্বমানবতার কল্যাণ কামনা করেন। পূজার সার্বিক আয়োজনে ছিলেন মন্দিরের কো অর্ডিনেটর কমলেন্দু পাল।

দুপুরে ভক্তদের মাঝে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়। প্রবাসী বাঙালি ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা পরিবার-পরিজন নিয়ে পূজায় অংশগ্রহণ করে এক আন্তরিক ধর্মীয় ও সামাজিক বন্ধনে মিলিত হন। প্রসাদ বিতরণের পর মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা ড. দেবাশীষ মৃধা ও চিনু মৃধার একমাত্র কন্যা অমিতা মৃধার শুভ জন্মদিন উপলক্ষে কেক কেটে আনন্দঘন পরিবেশে জন্মদিন উদযাপন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ভক্তরা অমিতা মৃধার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।
দিন শেষে সন্ধ্যায়ও বিপুল সংখ্যক ভক্ত পুষ্পাঞ্জলি প্রদান করেন এবং সন্ধ্যা আরতিতে অংশ নেন। আরতি শেষে মন্দিরের প্রিস্ট পূর্নেন্দু চক্রবর্তী অপু শান্তি ভক্তদের মাথায় শান্তি জল প্রয়োগ করেন।

সন্ধ্যা আরতিতে মিশিগান কালিবাড়ির প্রেসিডেন্ট শ্যামা বি হালদার সস্ত্রীক উপস্থিত থেকে পূজার সৌন্দর্য ও আয়োজকদের আন্তরিকতার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, প্রবাসে এ ধরনের ধর্মীয় আয়োজন নতুন প্রজন্মকে সনাতন সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
আয়োজকরা জানান, বাসন্তী পূজার মতো ধর্মীয় অনুষ্ঠান প্রবাসে সনাতনী হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব ও আধ্যাত্মিক চেতনাকে আরও সুদৃঢ় করে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আয়োজন নিয়মিতভাবে আয়োজন করা হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।