নিউপোর্ট, ১ মার্চ : যুক্তরাজ্য আওয়ামী যুবলীগ নিউপোর্ট শাখার উদ্যোগে গতকাল মঙ্গলবার মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ঈদ পুনর্মিলনী ডিনার পার্টি অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠান রাত ১১টায় স্থানীয় তারানা রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রক্ষার অঙ্গীকারের মাধ্যমে প্রবাসে দেশের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের তাৎপর্য স্মরণ করা হয়।
নিউপোর্ট যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুর রুউফ তালুকদারের সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি রুহুল আমিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য নিউপোর্ট আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শেখ মোহাম্মদ তাহির উল্লাহ। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য ও ওয়েলস আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাবেক ছাত্রনেতা মোহাম্মদ মকিস মনসুর। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ওয়েলস আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রাক্তন ছাত্রনেতা আব্দুল মালিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মর্তুজা, নিউপোর্ট আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ নজরুল ইসলাম, ওয়েলস যুবলীগের সভাপতি ভিপি সেলিম আহমদ, নিউপোর্ট যুবলীগের সাবেক সভাপতি মুহিবুর রহমান মুহিব এবং সাধারণ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন আনহার মিয়া।
এছাড়াও আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন যুবনেতা সিতাব আলি, আনহার মিয়া, জয়নাল আবেদীন, সাবেক ছাত্রনেতা রাজিবুর রহমান, ব্যাবসায়ী রহিম বাবুল, আজর আলী, রিফাত আলী.সুয়েব হুসেইন, আবদুর রব, মৌলা আফতাব, বাবলু খান, রাজিবুর রহমান. ও আবুল কালাম প্রমুখ।
সভায় ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ সহ সকল নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনে আত্মত্যাগী শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন অতিথিবৃন্দ ও সকল অংশগ্রহণকারীরা। একই সঙ্গে সমবেত কণ্ঠে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়।
বক্তারা উল্লেখ করেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও আওয়ামী লীগ এক ও অভিন্ন। বঙ্গবন্ধু মানে বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু মানে বাংলার মানচিত্র। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ ও দুই লাখ মা-বোনের আত্মত্যাগ, এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি একটি স্বাধীন ভূখণ্ড, নিজস্ব মানচিত্র এবং লাল-সবুজের গর্বিত পতাকা। বক্তারা আরও বলেন, “৭১ আমাদের অহংকার, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা আমাদের অস্তিত্ব। এর সঠিক ইতিহাস নব প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা আমাদের দায়িত্ব।”
আলোচনা সভায় বক্তারা আরও বলেন, ২৬ শে মার্চ ছিল বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। এটি বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ও গৌরবোজ্জ্বল দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে পৃথিবীর মানচিত্রে যুক্ত হয় স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের নাম। এটি কেবল একটি রাষ্ট্রের জন্ম নয়—এটি একটি জাতির আত্মপরিচয় ফিরে পাওয়ার দিন এবং দীর্ঘ সংগ্রামের চূড়ান্ত ঘোষণা।
নিউপোর্ট যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুর রুউফ তালুকদারের সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি রুহুল আমিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য নিউপোর্ট আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শেখ মোহাম্মদ তাহির উল্লাহ। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য ও ওয়েলস আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাবেক ছাত্রনেতা মোহাম্মদ মকিস মনসুর। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ওয়েলস আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রাক্তন ছাত্রনেতা আব্দুল মালিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মর্তুজা, নিউপোর্ট আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ নজরুল ইসলাম, ওয়েলস যুবলীগের সভাপতি ভিপি সেলিম আহমদ, নিউপোর্ট যুবলীগের সাবেক সভাপতি মুহিবুর রহমান মুহিব এবং সাধারণ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন আনহার মিয়া।
এছাড়াও আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন যুবনেতা সিতাব আলি, আনহার মিয়া, জয়নাল আবেদীন, সাবেক ছাত্রনেতা রাজিবুর রহমান, ব্যাবসায়ী রহিম বাবুল, আজর আলী, রিফাত আলী.সুয়েব হুসেইন, আবদুর রব, মৌলা আফতাব, বাবলু খান, রাজিবুর রহমান. ও আবুল কালাম প্রমুখ।
সভায় ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ সহ সকল নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনে আত্মত্যাগী শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন অতিথিবৃন্দ ও সকল অংশগ্রহণকারীরা। একই সঙ্গে সমবেত কণ্ঠে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়।
বক্তারা উল্লেখ করেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও আওয়ামী লীগ এক ও অভিন্ন। বঙ্গবন্ধু মানে বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু মানে বাংলার মানচিত্র। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ ও দুই লাখ মা-বোনের আত্মত্যাগ, এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি একটি স্বাধীন ভূখণ্ড, নিজস্ব মানচিত্র এবং লাল-সবুজের গর্বিত পতাকা। বক্তারা আরও বলেন, “৭১ আমাদের অহংকার, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা আমাদের অস্তিত্ব। এর সঠিক ইতিহাস নব প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা আমাদের দায়িত্ব।”
আলোচনা সভায় বক্তারা আরও বলেন, ২৬ শে মার্চ ছিল বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। এটি বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ও গৌরবোজ্জ্বল দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে পৃথিবীর মানচিত্রে যুক্ত হয় স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের নাম। এটি কেবল একটি রাষ্ট্রের জন্ম নয়—এটি একটি জাতির আত্মপরিচয় ফিরে পাওয়ার দিন এবং দীর্ঘ সংগ্রামের চূড়ান্ত ঘোষণা।