হবিগঞ্জ, ২ এপ্রিল : মাধবপুর উপজেলায় তেলবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার ১১ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়নি। বুধবার (১ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে উপজেলার মনতলা রেল স্টেশনের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় ট্রেনটির ৪টি বগি লাইনচ্যুত হয়, যার মধ্যে একটি বগি লাইনের পাশের খাদে পড়ে যায়। ফলে সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়ে এবং শত শত যাত্রী বিপাকে পড়েন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সিলেটগামী তেলবাহী ট্রেনটি দুর্ঘটনার কবলে পড়লে বগিগুলো থেকে বিপুল পরিমাণ তেল আশপাশের এলাকা, সড়ক ও খালে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি উদ্ধারকাজে সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি-৫৫) ও পুলিশ যোগ দেয়। যৌথ প্রচেষ্টায় লাইনচ্যুত বগি সরানো এবং ক্ষতিগ্রস্ত রেললাইন মেরামতের কাজ চলছে।
নোয়াপাড়া রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মো. মনির আহমেদ জানান, দুর্ঘটনার প্রভাবে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনের সূচি বাতিল করা হয়েছে। ট্রেনগুলো হলো ঢাকাগামী উপবন এক্সপ্রেস, চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেস এবং সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস। তিনি বলেন, যাত্রীদের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে।
রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধারকাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও অন্তত ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। দীর্ঘ সময় রেল যোগাযোগ বন্ধ থাকায় যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সংশ্লিষ্ট সব বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সিলেটগামী তেলবাহী ট্রেনটি দুর্ঘটনার কবলে পড়লে বগিগুলো থেকে বিপুল পরিমাণ তেল আশপাশের এলাকা, সড়ক ও খালে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি উদ্ধারকাজে সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি-৫৫) ও পুলিশ যোগ দেয়। যৌথ প্রচেষ্টায় লাইনচ্যুত বগি সরানো এবং ক্ষতিগ্রস্ত রেললাইন মেরামতের কাজ চলছে।
নোয়াপাড়া রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মো. মনির আহমেদ জানান, দুর্ঘটনার প্রভাবে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনের সূচি বাতিল করা হয়েছে। ট্রেনগুলো হলো ঢাকাগামী উপবন এক্সপ্রেস, চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেস এবং সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস। তিনি বলেন, যাত্রীদের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে।
রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধারকাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও অন্তত ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। দীর্ঘ সময় রেল যোগাযোগ বন্ধ থাকায় যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সংশ্লিষ্ট সব বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে।