ইস্ট ল্যান্সিং, ৩ এপ্রিল : ম্যাকম্ব কাউন্টির এক দন্তচিকিৎসক ১৩১টি ফৌজদারি অভিযোগের মুখোমুখি হয়েছেন। কর্তৃপক্ষের দাবি, তিনি দাঁতের ক্রাউন সংক্রান্ত একটি ‘বৃহৎ’ জালিয়াতি চক্র পরিচালনা করছিলেন।
মিশিগানের অ্যাটর্নি জেনারেল ডানা নেসেল শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, ৩৭ বছর বয়সী ফাদি এস. সেলিমকে সম্প্রতি ইস্ট ল্যান্সিংয়ের ৫৪বি ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে হাজির করা হয়। তার বিরুদ্ধে মেডিকেইড জালিয়াতির ১৩১টি অভিযোগ এবং একটি অপরাধমূলক চক্র পরিচালনার পৃথক অভিযোগ আনা হয়েছে।
নেসেল বলেন, “মেডিকেইড কর্মসূচির এই নগ্ন অপব্যবহারের ফলে দুস্থ রোগীদের জন্য বরাদ্দ অত্যন্ত প্রয়োজনীয় তহবিল অন্য খাতে চলে যায়। জালিয়াতিমূলক চক্রের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের তদন্ত ও বিচারের আওতায় আনার ব্যাপারে আমার দপ্তর সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের অভিযোগ, ট্রয়ের বাসিন্দা এবং শেলবি টাউনশিপে কর্মরত দন্তচিকিৎসক সেলিম নিয়মিতভাবে মেডিকেইড কর্তৃপক্ষের কাছে বিল জমা দিয়ে দাবি করতেন যে তিনি তার রোগীদের দাঁতে বিপুল সংখ্যক ক্রাউন স্থাপন করেছেন। তবে নেসেল জানান, প্রকৃতপক্ষে এসব চিকিৎসা ছিল সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয় এবং অনেক ক্ষেত্রে রোগীদের তা প্রদানই করা হয়নি।
সেলিমের আইনজীবী মিচেল রিবিটওয়ারের সঙ্গে মন্তব্যের জন্য যোগাযোগ করা হলেও তিনি তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া দেননি। শেলবি টাউনশিপে অবস্থিত সেলিমের চেম্বারের একজন অভ্যর্থনাকারী জানান, সেলিম সেখানে উপস্থিত নেই এবং ‘গুড ফ্রাইডে’ উপলক্ষে অফিসটি বন্ধ রাখা হয়েছে।
নেসেল জানান, কয়েকজন রোগীকে যখন জানানো হয় যে তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসার খরচ মেডিকেইড থেকে বহন করা সম্ভব নয়—কারণ দাঁতের ক্রাউন বাবদ অতিরিক্ত বিল করার ফলে তাদের বার্ষিক বরাদ্দ শেষ হয়ে গেছে—তখনই কর্তৃপক্ষের নজরে জালিয়াতির বিষয়টি আসে।
আদালতে হাজির করার সময় বিচারক লিসা বাবক দন্তচিকিৎসক সেলিমের কাছ থেকে ব্যক্তিগত অঙ্গীকারনামা নিয়ে তাকে জামিনে মুক্তি দেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তার পরবর্তী শুনানির তারিখ ১ মে নির্ধারণ করা হয়েছে।
মেডিকেইড জালিয়াতির প্রতিটি অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ চার বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে। এছাড়া অপরাধমূলক চক্র পরিচালনার অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ২০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
এই মামলার তদন্ত ও পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে রাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল দপ্তরের স্বাস্থ্যসেবা জালিয়াতি দমন বিভাগ।
Source & Photo: http://detroitnews.com
মিশিগানের অ্যাটর্নি জেনারেল ডানা নেসেল শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, ৩৭ বছর বয়সী ফাদি এস. সেলিমকে সম্প্রতি ইস্ট ল্যান্সিংয়ের ৫৪বি ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে হাজির করা হয়। তার বিরুদ্ধে মেডিকেইড জালিয়াতির ১৩১টি অভিযোগ এবং একটি অপরাধমূলক চক্র পরিচালনার পৃথক অভিযোগ আনা হয়েছে।
নেসেল বলেন, “মেডিকেইড কর্মসূচির এই নগ্ন অপব্যবহারের ফলে দুস্থ রোগীদের জন্য বরাদ্দ অত্যন্ত প্রয়োজনীয় তহবিল অন্য খাতে চলে যায়। জালিয়াতিমূলক চক্রের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের তদন্ত ও বিচারের আওতায় আনার ব্যাপারে আমার দপ্তর সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের অভিযোগ, ট্রয়ের বাসিন্দা এবং শেলবি টাউনশিপে কর্মরত দন্তচিকিৎসক সেলিম নিয়মিতভাবে মেডিকেইড কর্তৃপক্ষের কাছে বিল জমা দিয়ে দাবি করতেন যে তিনি তার রোগীদের দাঁতে বিপুল সংখ্যক ক্রাউন স্থাপন করেছেন। তবে নেসেল জানান, প্রকৃতপক্ষে এসব চিকিৎসা ছিল সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয় এবং অনেক ক্ষেত্রে রোগীদের তা প্রদানই করা হয়নি।
সেলিমের আইনজীবী মিচেল রিবিটওয়ারের সঙ্গে মন্তব্যের জন্য যোগাযোগ করা হলেও তিনি তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া দেননি। শেলবি টাউনশিপে অবস্থিত সেলিমের চেম্বারের একজন অভ্যর্থনাকারী জানান, সেলিম সেখানে উপস্থিত নেই এবং ‘গুড ফ্রাইডে’ উপলক্ষে অফিসটি বন্ধ রাখা হয়েছে।
নেসেল জানান, কয়েকজন রোগীকে যখন জানানো হয় যে তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসার খরচ মেডিকেইড থেকে বহন করা সম্ভব নয়—কারণ দাঁতের ক্রাউন বাবদ অতিরিক্ত বিল করার ফলে তাদের বার্ষিক বরাদ্দ শেষ হয়ে গেছে—তখনই কর্তৃপক্ষের নজরে জালিয়াতির বিষয়টি আসে।
আদালতে হাজির করার সময় বিচারক লিসা বাবক দন্তচিকিৎসক সেলিমের কাছ থেকে ব্যক্তিগত অঙ্গীকারনামা নিয়ে তাকে জামিনে মুক্তি দেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তার পরবর্তী শুনানির তারিখ ১ মে নির্ধারণ করা হয়েছে।
মেডিকেইড জালিয়াতির প্রতিটি অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ চার বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে। এছাড়া অপরাধমূলক চক্র পরিচালনার অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ২০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
এই মামলার তদন্ত ও পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে রাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল দপ্তরের স্বাস্থ্যসেবা জালিয়াতি দমন বিভাগ।
Source & Photo: http://detroitnews.com