এনসিএএ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের পর ট্রফি ও চিয়ারলিডারদের সঙ্গে পোজ দিচ্ছেন মিশিগানের গার্ড এলিয়ট ক্যাডো (৩); ৬ এপ্রিল ইন্ডিয়ানাপোলিসে ইউকনকে ৬৯-৬৩ পয়েন্টে হারায় মিশিগান/Robin Buckson, The Detroit News
অ্যান আরবার, ৮ এপ্রিল : ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের পুরুষ বাস্কেটবল দল এনসিএএ চ্যাম্পিয়নশিপ জেতার পর অ্যান আরবার জুড়ে ছড়িয়ে পড়া উৎসবের আমেজ মঙ্গলবার সকালে শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরে আসায় কিছুটা স্তিমিত হয়ে আসে। তবে অনেকেই এই জয়কে একটি “বিশাল” ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
মঙ্গলবার সকালের শেষভাগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল ক্যাম্পাসের ‘ডায়াগ’ চত্বরে তুলনামূলকভাবে শান্ত পরিবেশ দেখা যায়। শিক্ষার্থীরা তখন ক্লাসের উদ্দেশ্যে হেঁটে যাচ্ছিলেন; যাদের কারো কারো পরনে ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগোযুক্ত শার্ট বা সোয়েটশার্ট।
ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মায়া সং জানান, প্রায় চার দশকের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাস্কেটবল চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ে তিনি “অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত” এবং এই জয়ের গুরুত্ব তার কাছে অনেক বেশি।
তিনি বলেন, “আমি ছোটবেলা থেকেই মিশিগানের একজন কট্টর সমর্থক হিসেবে বেড়ে উঠেছি, কারণ আমার বাবা-মা দুজনই এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। তাই এই জয় আমার কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। আমার বাবা-মা যখন এখানে পড়তেন, সেই সময়ের পর থেকে আমরা আর কোনো চ্যাম্পিয়নশিপ জিততে পারিনি।” মায়া সং-এর বাবা-মা নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছিলেন। দলের সর্বশেষ জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ জয়টি এসেছিল তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিরও আগে ১৯৮৯ সালে।
মঙ্গলবার সকালে ক্লাস শেষে বাড়ি ফেরার পথে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি পুরনো ধাঁচের জ্যাকেট পরিহিত মায়া সং জানান, এই জয়ে তার পুরো পরিবার “অত্যন্ত আনন্দিত”। উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগে তার ছোট বোনেরও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি নিশ্চিত হয়েছে। “গত রাতে আমাদের পারিবারিক গ্রুপ চ্যাটটি যেন আনন্দের বার্তায় ভরে গিয়েছিল,” ২১ বছর বয়সী মায়া সং স্মৃতিচারণ করে বলেন।
সোমবার ‘উলভারিনস’ দল ‘ইউকন হাস্কিস’-কে পরাজিত করার পরপরই অ্যান আরবার শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত সাউথ ইউনিভার্সিটি অ্যাভিনিউ এলাকায় হাজার হাজার সমর্থক উল্লাসে ফেটে পড়েন। উদযাপনের এক পর্যায়ে আতশবাজি ফোটানো হয়। এ সময় রাস্তার একটি স্টপ সাইন উপড়ে ফেলা হয় এবং অনেকে গাছ, বৈদ্যুতিক খুঁটি ও পিকনিক টেবিলে উঠে আনন্দ-উল্লাসে মেতে ওঠেন।
Source & Photo: http://detroitnews.com
অ্যান আরবার, ৮ এপ্রিল : ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের পুরুষ বাস্কেটবল দল এনসিএএ চ্যাম্পিয়নশিপ জেতার পর অ্যান আরবার জুড়ে ছড়িয়ে পড়া উৎসবের আমেজ মঙ্গলবার সকালে শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরে আসায় কিছুটা স্তিমিত হয়ে আসে। তবে অনেকেই এই জয়কে একটি “বিশাল” ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
মঙ্গলবার সকালের শেষভাগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল ক্যাম্পাসের ‘ডায়াগ’ চত্বরে তুলনামূলকভাবে শান্ত পরিবেশ দেখা যায়। শিক্ষার্থীরা তখন ক্লাসের উদ্দেশ্যে হেঁটে যাচ্ছিলেন; যাদের কারো কারো পরনে ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগোযুক্ত শার্ট বা সোয়েটশার্ট।
ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মায়া সং জানান, প্রায় চার দশকের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাস্কেটবল চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ে তিনি “অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত” এবং এই জয়ের গুরুত্ব তার কাছে অনেক বেশি।
তিনি বলেন, “আমি ছোটবেলা থেকেই মিশিগানের একজন কট্টর সমর্থক হিসেবে বেড়ে উঠেছি, কারণ আমার বাবা-মা দুজনই এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। তাই এই জয় আমার কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। আমার বাবা-মা যখন এখানে পড়তেন, সেই সময়ের পর থেকে আমরা আর কোনো চ্যাম্পিয়নশিপ জিততে পারিনি।” মায়া সং-এর বাবা-মা নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছিলেন। দলের সর্বশেষ জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ জয়টি এসেছিল তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিরও আগে ১৯৮৯ সালে।
মঙ্গলবার সকালে ক্লাস শেষে বাড়ি ফেরার পথে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি পুরনো ধাঁচের জ্যাকেট পরিহিত মায়া সং জানান, এই জয়ে তার পুরো পরিবার “অত্যন্ত আনন্দিত”। উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগে তার ছোট বোনেরও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি নিশ্চিত হয়েছে। “গত রাতে আমাদের পারিবারিক গ্রুপ চ্যাটটি যেন আনন্দের বার্তায় ভরে গিয়েছিল,” ২১ বছর বয়সী মায়া সং স্মৃতিচারণ করে বলেন।
সোমবার ‘উলভারিনস’ দল ‘ইউকন হাস্কিস’-কে পরাজিত করার পরপরই অ্যান আরবার শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত সাউথ ইউনিভার্সিটি অ্যাভিনিউ এলাকায় হাজার হাজার সমর্থক উল্লাসে ফেটে পড়েন। উদযাপনের এক পর্যায়ে আতশবাজি ফোটানো হয়। এ সময় রাস্তার একটি স্টপ সাইন উপড়ে ফেলা হয় এবং অনেকে গাছ, বৈদ্যুতিক খুঁটি ও পিকনিক টেবিলে উঠে আনন্দ-উল্লাসে মেতে ওঠেন।
Source & Photo: http://detroitnews.com