সিলেট, ৯ এপ্রিল : সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, বর্তমানে দেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের যথেষ্ট সুযোগ সৃষ্টি হলেও একসময় এ সুযোগ ছিল খুবই সীমিত। সিলেটে উচ্চশিক্ষার জন্য একমাত্র প্রতিষ্ঠান ছিল এমসি কলেজ; সাতচল্লিশপূর্ব সময়ে শিক্ষার্থীদের কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় বা আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে হতো, তাও সীমিত সংখ্যক শিক্ষার্থীর জন্য। ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর উচ্চশিক্ষার সুযোগ কিছুটা প্রসারিত হয়।
তিনি বলেন, বর্তমানে সিলেটে কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলেও এখনও সব শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে না। ফলে শিক্ষাক্ষেত্রে আমরা এখনও কাঙ্ক্ষিত অবস্থানে পৌঁছাতে পারিনি। সিলেট থেকে যারা আইসিসিআর স্কলারশিপ পেয়েছে, তারা নিঃসন্দেহে মেধাবী শিক্ষার্থী।
ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনস (আইসিসিআর) স্কলারশিপের ৭৭তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় সিলেটে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, জ্ঞান অর্জনের জন্য বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যাচ্ছে। ভারত আমাদের বন্ধুপ্রতিম ও প্রতিবেশী দেশ। গত পঞ্চাশের দশক থেকে আইসিসিআর স্কলারশিপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভারতে পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছে এবং এ কার্যক্রম এখনও অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই স্কলারশিপ চালুর সময় ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন মওলানা আবুল কালাম আজাদ। ভারতে সরকার পরিবর্তন হলেও শিক্ষামূলক এ ধরনের কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। যারা এই বৃত্তি নিয়ে পড়াশোনা শেষ করেছেন, তাদের নিয়ে পুনর্মিলনী আয়োজন করা হয়েছে। এ ধরনের স্কলারশিপ শিক্ষার্থীদের জন্য অনন্য সুযোগ সৃষ্টি করে। বাংলাদেশ ও ভারতকে বন্ধুপ্রতিম দেশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ইতিবাচক সম্পর্ক সবসময়ই বজায় রয়েছে।
সিলেটে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের উদ্যোগে নগরের উপশহরের একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার অনিরুদ্ধ দাশ, সেকেন্ড সেক্রেটারি রাজেশ ভাটিয়া প্রমুখ বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী হিমাংশ বিশ্বাস, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিমাদ্রী শেখর রায়সহ বৃত্তিপ্রাপ্ত প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও অন্যান্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, আইসিসিআর (ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনস) হলো ভারত সরকারের সম্পূর্ণ অর্থায়িত একটি বৃত্তি কর্মসূচি, যার মাধ্যমে বিদেশি শিক্ষার্থীরা ভারতে স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে পড়াশোনার সুযোগ পায়। এ বৃত্তির আওতায় টিউশন ফি, আবাসন ও জীবনযাত্রার ব্যয় বহন করা হয় এবং এটি মূলত সাংস্কৃতিক বিনিময় ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য প্রদান করা হয়।
তিনি বলেন, বর্তমানে সিলেটে কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলেও এখনও সব শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে না। ফলে শিক্ষাক্ষেত্রে আমরা এখনও কাঙ্ক্ষিত অবস্থানে পৌঁছাতে পারিনি। সিলেট থেকে যারা আইসিসিআর স্কলারশিপ পেয়েছে, তারা নিঃসন্দেহে মেধাবী শিক্ষার্থী।
ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনস (আইসিসিআর) স্কলারশিপের ৭৭তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় সিলেটে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, জ্ঞান অর্জনের জন্য বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যাচ্ছে। ভারত আমাদের বন্ধুপ্রতিম ও প্রতিবেশী দেশ। গত পঞ্চাশের দশক থেকে আইসিসিআর স্কলারশিপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভারতে পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছে এবং এ কার্যক্রম এখনও অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই স্কলারশিপ চালুর সময় ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন মওলানা আবুল কালাম আজাদ। ভারতে সরকার পরিবর্তন হলেও শিক্ষামূলক এ ধরনের কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। যারা এই বৃত্তি নিয়ে পড়াশোনা শেষ করেছেন, তাদের নিয়ে পুনর্মিলনী আয়োজন করা হয়েছে। এ ধরনের স্কলারশিপ শিক্ষার্থীদের জন্য অনন্য সুযোগ সৃষ্টি করে। বাংলাদেশ ও ভারতকে বন্ধুপ্রতিম দেশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ইতিবাচক সম্পর্ক সবসময়ই বজায় রয়েছে।
সিলেটে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের উদ্যোগে নগরের উপশহরের একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার অনিরুদ্ধ দাশ, সেকেন্ড সেক্রেটারি রাজেশ ভাটিয়া প্রমুখ বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী হিমাংশ বিশ্বাস, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিমাদ্রী শেখর রায়সহ বৃত্তিপ্রাপ্ত প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও অন্যান্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, আইসিসিআর (ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনস) হলো ভারত সরকারের সম্পূর্ণ অর্থায়িত একটি বৃত্তি কর্মসূচি, যার মাধ্যমে বিদেশি শিক্ষার্থীরা ভারতে স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে পড়াশোনার সুযোগ পায়। এ বৃত্তির আওতায় টিউশন ফি, আবাসন ও জীবনযাত্রার ব্যয় বহন করা হয় এবং এটি মূলত সাংস্কৃতিক বিনিময় ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য প্রদান করা হয়।