ঢাকা, ৯ এপ্রিল : বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় আজ ঘোষণা করা হবে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করবেন।
রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কারাগারে থাকা ছয় আসামিকে সকালে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। তারা হলেন— পুলিশের এসআই আমীর হোসেন, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, বেরোবির প্রক্টর শরীফুল ইসলাম, তৎকালীন ছাত্রলীগ বেরোবি শাখার সাধারণ সম্পাদক এমরান চৌধুরী আকাশ, সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল এবং কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ আপেল। মামলার মোট ৩০ জন আসামির মধ্যে সাবেক উপাচার্য হাসিবুর রশীদসহ ২৪ জন এখনও পলাতক রয়েছেন।
দেশজুড়ে আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণার কার্যক্রম বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) সরাসরি সম্প্রচার করা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
গত ২৭ জানুয়ারি রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হলে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। এর আগে গত বছরের ২৬ জুন তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয় এবং ৬ আগস্ট অভিযোগ গঠন করা হয়। পলাতক আসামিদের পক্ষে আইনি সহায়তার জন্য ট্রাইব্যুনাল রাষ্ট্রীয় খরচে চারজন আইনজীবী নিয়োগ দেয়।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে আবু সাঈদ নিহত হন, যা পরবর্তীতে দেশজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি করে এবং জুলাই আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনায় পরিণত হয়।
রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কারাগারে থাকা ছয় আসামিকে সকালে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। তারা হলেন— পুলিশের এসআই আমীর হোসেন, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, বেরোবির প্রক্টর শরীফুল ইসলাম, তৎকালীন ছাত্রলীগ বেরোবি শাখার সাধারণ সম্পাদক এমরান চৌধুরী আকাশ, সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল এবং কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ আপেল। মামলার মোট ৩০ জন আসামির মধ্যে সাবেক উপাচার্য হাসিবুর রশীদসহ ২৪ জন এখনও পলাতক রয়েছেন।
দেশজুড়ে আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণার কার্যক্রম বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) সরাসরি সম্প্রচার করা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
গত ২৭ জানুয়ারি রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হলে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। এর আগে গত বছরের ২৬ জুন তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয় এবং ৬ আগস্ট অভিযোগ গঠন করা হয়। পলাতক আসামিদের পক্ষে আইনি সহায়তার জন্য ট্রাইব্যুনাল রাষ্ট্রীয় খরচে চারজন আইনজীবী নিয়োগ দেয়।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে আবু সাঈদ নিহত হন, যা পরবর্তীতে দেশজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি করে এবং জুলাই আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনায় পরিণত হয়।