ওয়ারেন, ১৯ এপ্রিল : প্রবাসের ব্যস্ত, যান্ত্রিক জীবনের নিরন্তর ছুটে চলার মাঝেও শিকড়ের টান কখনো মুছে যায় না। হাজার বছরের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি আর আবেগে জড়ানো বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ-কে ঘিরে আবারও মুখরিত হতে যাচ্ছে মিশিগানের প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটি। সেই ধারাবাহিকতায় ইউএসবি’র উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে এক বর্ণাঢ্য “বৈশাখী উৎসব”, যা প্রবাসে এক টুকরো বাংলাদেশ গড়ে তোলারই আরেকটি প্রাণবন্ত প্রয়াস।
এ উপলক্ষে গতকাল দুপুরে ওয়ারেন সিটির রয়েল বেঙ্গল রেস্টুরেন্টে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে উৎসবের সার্বিক প্রস্তুতি বিষয়ে ইউএসবি-২৪ নিউজ-এর চেয়ারম্যান ফয়সল আহমদ মুন্না বিস্তারিত তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ২৬ এপ্রিল, রবিবার, ট্রয় সিটির আমেরিকান পলিশ কালচারাল সেন্টারে দুপুর ১২টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত দিনব্যাপী এই উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। তিনি জানান, প্রবাসে বাঙালি সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এই আয়োজনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সুপরিকল্পিতভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এটি শুধু একটি উৎসব নয়—এটি প্রবাসী বাঙালিদের জন্য আবেগ, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক মিলনমেলা হয়ে উঠবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরো জানান, দিনব্যাপী এ আয়োজনে থাকছে বাঙালিয়ানার রসনা তৃপ্তির বিশেষ আয়োজন—পান্তা-ইলিশসহ বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী বাংলা খাবারের সমাহার। খাবারের পাশাপাশি দর্শনার্থীরা উপভোগ করতে পারবেন এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে বাংলাদেশ থেকে আগত জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী বিন্দু কনা সহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে আগত ও স্থানীয় শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করবেন।
এছাড়াও গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ‘দামাইল’ নৃত্যসহ বিভিন্ন লোকজ ও আধুনিক নৃত্য পরিবেশনা উৎসবকে করে তুলবে আরও প্রাণবন্ত। বসবে দেশীয় পণ্যের হরেক রকম স্টল এবং আকর্ষণীয় র্যাফেল ড্র—সব মিলিয়ে উৎসবটি হয়ে উঠবে পরিবার-পরিজনসহ উপভোগের এক অনন্য ক্ষেত্র।
সংবাদ সম্মেলনে ফয়সল আহমদ মুন্না বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য হলো নতুন প্রজন্মের কাছে আমাদের ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরা। তারা যেন জানে, তাদের শিকড় কোথায়। আমরা চাই, প্রবাসে থেকেও তারা বাঙালিত্বকে হৃদয়ে ধারণ করুক।”
তিনি আরও বলেন, “এই আয়োজন কেবল আনন্দের নয়, এটি আমাদের আত্মপরিচয়ের অংশ। আমরা চাই, সব প্রজন্ম একসাথে এসে এই উৎসবকে সফল করে তুলুক।”
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, মিশিগানের বিভিন্ন শহর থেকে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি এই উৎসবে অংশগ্রহণ করবেন। তাদের উপস্থিতিতে প্রবাসের মাটিতে গড়ে উঠবে এক প্রাণবন্ত বাংলাদেশ—যেখানে থাকবে আনন্দ, ভালোবাসা, ঐতিহ্য এবং মিলনের উচ্ছ্বাস।
সবশেষে তিনি সকলকে পরিবার-পরিজনসহ এই বর্ণাঢ্য বৈশাখী উৎসবে যোগ দিয়ে একসাথে নতুন বছরকে বরণ করার আন্তরিক আহ্বান জানান।
এ উপলক্ষে গতকাল দুপুরে ওয়ারেন সিটির রয়েল বেঙ্গল রেস্টুরেন্টে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে উৎসবের সার্বিক প্রস্তুতি বিষয়ে ইউএসবি-২৪ নিউজ-এর চেয়ারম্যান ফয়সল আহমদ মুন্না বিস্তারিত তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ২৬ এপ্রিল, রবিবার, ট্রয় সিটির আমেরিকান পলিশ কালচারাল সেন্টারে দুপুর ১২টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত দিনব্যাপী এই উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। তিনি জানান, প্রবাসে বাঙালি সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এই আয়োজনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সুপরিকল্পিতভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এটি শুধু একটি উৎসব নয়—এটি প্রবাসী বাঙালিদের জন্য আবেগ, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক মিলনমেলা হয়ে উঠবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরো জানান, দিনব্যাপী এ আয়োজনে থাকছে বাঙালিয়ানার রসনা তৃপ্তির বিশেষ আয়োজন—পান্তা-ইলিশসহ বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী বাংলা খাবারের সমাহার। খাবারের পাশাপাশি দর্শনার্থীরা উপভোগ করতে পারবেন এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে বাংলাদেশ থেকে আগত জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী বিন্দু কনা সহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে আগত ও স্থানীয় শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করবেন।
এছাড়াও গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ‘দামাইল’ নৃত্যসহ বিভিন্ন লোকজ ও আধুনিক নৃত্য পরিবেশনা উৎসবকে করে তুলবে আরও প্রাণবন্ত। বসবে দেশীয় পণ্যের হরেক রকম স্টল এবং আকর্ষণীয় র্যাফেল ড্র—সব মিলিয়ে উৎসবটি হয়ে উঠবে পরিবার-পরিজনসহ উপভোগের এক অনন্য ক্ষেত্র।
সংবাদ সম্মেলনে ফয়সল আহমদ মুন্না বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য হলো নতুন প্রজন্মের কাছে আমাদের ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরা। তারা যেন জানে, তাদের শিকড় কোথায়। আমরা চাই, প্রবাসে থেকেও তারা বাঙালিত্বকে হৃদয়ে ধারণ করুক।”
তিনি আরও বলেন, “এই আয়োজন কেবল আনন্দের নয়, এটি আমাদের আত্মপরিচয়ের অংশ। আমরা চাই, সব প্রজন্ম একসাথে এসে এই উৎসবকে সফল করে তুলুক।”
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, মিশিগানের বিভিন্ন শহর থেকে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি এই উৎসবে অংশগ্রহণ করবেন। তাদের উপস্থিতিতে প্রবাসের মাটিতে গড়ে উঠবে এক প্রাণবন্ত বাংলাদেশ—যেখানে থাকবে আনন্দ, ভালোবাসা, ঐতিহ্য এবং মিলনের উচ্ছ্বাস।
সবশেষে তিনি সকলকে পরিবার-পরিজনসহ এই বর্ণাঢ্য বৈশাখী উৎসবে যোগ দিয়ে একসাথে নতুন বছরকে বরণ করার আন্তরিক আহ্বান জানান।