ডেট্রয়েট, ২৩ এপ্রিল : শহরেরএকটি গ্যাস স্টেশনে তিনজনের প্রাণঘাতী গুলিবর্ষণের ঘটনাটি আত্মরক্ষার্থে সংঘটিত হয়েছিল বলে বুধবার ঘোষণা করেছে ওয়েন কাউন্টি প্রসিকিউটর অফিস।
প্রসিকিউটর অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ এপ্রিল একটি সড়ক দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। ওই ঘটনায় এক পক্ষে ছিল নিহত তিন ভুক্তভোগী—লেস্টার ওয়েন্স তৃতীয় (২৪), জ্যাসমিন শিলার (২৪) এবং ট্রেভর শিলার জুনিয়র (১৯), যাদের সবার বাড়িই ডেট্রয়েটে এবং অপর পক্ষে ছিল আরেকটি গাড়ি।
প্রসিকিউটরদের ভাষ্যমতে, দুর্ঘটনার পর নিহত তিনজন অপর গাড়িটির চালককে অনুসরণ করে ওয়েস্ট ম্যাকনিকোলস রোডের ২১৭০০ ব্লকে অবস্থিত একটি গ্যাস স্টেশনে পৌঁছান। সেখানে তারা গাড়ি থেকে নেমে চালকের পাশের দরজার কাছে গিয়ে সেটি খোলেন এবং চালকের সঙ্গে শারীরিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন।
সহকারী প্রসিকিউটর মারিয়া মিলার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সংঘর্ষের এক পর্যায়ে গাড়ির পেছনের আসনে থাকা এক ব্যক্তি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে গুলি চালান। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন।
পুলিশ জানায়, ১৯ এপ্রিল ভোর ৩টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে কর্মকর্তারা জ্যাসমিন শিলারকে বুকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। অপরদিকে, ওয়েন্স ও ট্রেভর শিলার জুনিয়রের মাথায় গুলির আঘাত ছিল।
প্রসিকিউটররা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, ২২ বছর বয়সী গুলিবর্ষণকারী আত্মরক্ষার্থেই কাজটি করেছিলেন। মিশিগানের আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি বিশ্বাস করেন যে নিজের বা অন্য কারও আসন্ন মৃত্যু কিংবা গুরুতর শারীরিক ক্ষতি প্রতিরোধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ করা জরুরি, তবে আত্মরক্ষার্থে এমন পদক্ষেপ আইনসঙ্গত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
সহকারী প্রসিকিউটর মারিয়া মিলার এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, “ঘটনার তথ্য-প্রমাণ ও সাক্ষ্যসমূহ সতর্কতার সঙ্গে পর্যালোচনা করার পর, ওয়েইন কাউন্টি প্রসিকিউটর অফিস এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, সন্দেহভাজন ব্যক্তি আইনসম্মত আত্মরক্ষা বা অন্যের সুরক্ষার উদ্দেশ্যে কাজ করেননি—এটি যুক্তিসঙ্গত সন্দেহের ঊর্ধ্বে গিয়ে প্রমাণ করার মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ নেই। ফলে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হচ্ছে না।”
Source & Photo: http://detroitnews.com
প্রসিকিউটর অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ এপ্রিল একটি সড়ক দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। ওই ঘটনায় এক পক্ষে ছিল নিহত তিন ভুক্তভোগী—লেস্টার ওয়েন্স তৃতীয় (২৪), জ্যাসমিন শিলার (২৪) এবং ট্রেভর শিলার জুনিয়র (১৯), যাদের সবার বাড়িই ডেট্রয়েটে এবং অপর পক্ষে ছিল আরেকটি গাড়ি।
প্রসিকিউটরদের ভাষ্যমতে, দুর্ঘটনার পর নিহত তিনজন অপর গাড়িটির চালককে অনুসরণ করে ওয়েস্ট ম্যাকনিকোলস রোডের ২১৭০০ ব্লকে অবস্থিত একটি গ্যাস স্টেশনে পৌঁছান। সেখানে তারা গাড়ি থেকে নেমে চালকের পাশের দরজার কাছে গিয়ে সেটি খোলেন এবং চালকের সঙ্গে শারীরিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন।
সহকারী প্রসিকিউটর মারিয়া মিলার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সংঘর্ষের এক পর্যায়ে গাড়ির পেছনের আসনে থাকা এক ব্যক্তি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে গুলি চালান। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন।
পুলিশ জানায়, ১৯ এপ্রিল ভোর ৩টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে কর্মকর্তারা জ্যাসমিন শিলারকে বুকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। অপরদিকে, ওয়েন্স ও ট্রেভর শিলার জুনিয়রের মাথায় গুলির আঘাত ছিল।
প্রসিকিউটররা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, ২২ বছর বয়সী গুলিবর্ষণকারী আত্মরক্ষার্থেই কাজটি করেছিলেন। মিশিগানের আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি বিশ্বাস করেন যে নিজের বা অন্য কারও আসন্ন মৃত্যু কিংবা গুরুতর শারীরিক ক্ষতি প্রতিরোধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ করা জরুরি, তবে আত্মরক্ষার্থে এমন পদক্ষেপ আইনসঙ্গত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
সহকারী প্রসিকিউটর মারিয়া মিলার এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, “ঘটনার তথ্য-প্রমাণ ও সাক্ষ্যসমূহ সতর্কতার সঙ্গে পর্যালোচনা করার পর, ওয়েইন কাউন্টি প্রসিকিউটর অফিস এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, সন্দেহভাজন ব্যক্তি আইনসম্মত আত্মরক্ষা বা অন্যের সুরক্ষার উদ্দেশ্যে কাজ করেননি—এটি যুক্তিসঙ্গত সন্দেহের ঊর্ধ্বে গিয়ে প্রমাণ করার মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ নেই। ফলে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হচ্ছে না।”
Source & Photo: http://detroitnews.com