লন্ডন, ২৭ এপ্রিল : কানাডার ফেডারেল উপনির্বাচনে টরোন্টোর স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট আসন থেকে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত, মৌলভীবাজার জেলার কৃতিসন্তান ডলি বেগম এমপি।
তার এই অর্জনে আনন্দ ও অভিনন্দন জানিয়ে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র কেন্দ্রীয় কনভেনর ও মৌলভীবাজার ডিস্ট্রিক্ট ডেভেলপমেন্ট এন্ড ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন অব ওয়ালর্ড হোয়াইডের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোহাম্মদ মকিস মনসুর, কো-কনভেনর মসুদ আহমদ, সদস্য সচিব ড. মুজিবুর রহমান এবং অর্থ সচিব কাউন্সিলর আসরাফ মিয়া শুভেচ্ছাও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
এছাড়া সাউথইস্ট রিজিওনাল কনভেনর হারুনুর রশিদ, কো-কনভেনর জামাল হোসেন, যুগ্ম কনভেনর সিপার করিম এবং সদস্য সচিব তাজুল ইসলামসহ সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক নেতৃবৃন্দ ডলি বেগমের এই সাফল্যকে বাংলাদেশের পাশাপাশি সিলেট অঞ্চলের জন্যও গর্ব ও সম্মানের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন।
অভিনন্দন বার্তায় ইউকে বিডি টিভির চেয়ারম্যান ও গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে'র কেন্দ্রীয় কনভেনর মোহাম্মদ মকিস মনসুর বলেন, মৌলভীবাজারের বাজরাকোনা গ্রামের সুযোগ্য কন্যারত্ন ডলি বেগম কানাডার রাজনীতিতে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। টরন্টোর স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট আসন থেকে ফেডারেল উপনির্বাচনে প্রথমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হয়ে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তার এই অর্জন শুধু সিলেট বা মৌলভীবাজারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি পুরো বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য এক অনন্য সম্মান। প্রবাসে থেকেও নেতৃত্ব, সততা এবং যোগ্যতার মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে জায়গা করে নেওয়া সম্ভব—ডলি বেগম তার বাস্তব প্রমাণ।
মোহাম্মদ মকিস মনসুর আর ও বলেন, ডলি বেগমের এই সাফল্য নতুন প্রজন্মকে আরও বড় স্বপ্ন দেখতে অনুপ্রাণিত করবে। ব্যবসা বা পেশাগত ক্ষেত্রের বাইরে গিয়ে নীতি-নির্ধারণী পর্যায়েও নিজেদের অবস্থান তৈরি করার সাহস যোগাবে এ অর্জন। ডলি বেগমের এই যাত্রা নিঃসন্দেহে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পথপ্রদর্শক হয়ে থাকবে এবং প্রবাসে বাংলাদেশিদের সক্ষমতার এক উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
উল্লেখ্য যে, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আধ্যাত্মিকতার আলোকধারা ও ইতিহাসের গৌরবে ভরা এক জনপদ—বাজরাকোনা। এই পবিত্র মাটিতে শায়িত আছেন হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর অন্যতম সফরসঙ্গী হযরত শাহ মঈন উদ্দিন (রহ.)। সেই পুণ্যভূমি আজ আবারও এক উজ্জ্বল ইতিহাসের সাক্ষী হলো এক অনন্য অর্জনের মাধ্যমে।
বাবা রাজা মিয়া ও মা জবা বেগমের একমাত্র কন্যা তিনি। বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার মনুমুখ বাজরাকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার শিক্ষাজীবন শুরু হয়। পরবর্তীতে তিনি মনুমুখ পিটি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায় ১৯৯৯ সালে পরিবারসহ কানাডায় পাড়ি জমান। সেখান থেকেই তার জীবনের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়।
কানাডায় তিনি নিজেকে গড়ে তোলেন একজন সমাজসেবক হিসেবে। গবেষণা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং অভিবাসী অধিকার নিয়ে কাজ করে ধীরে ধীরে কমিউনিটিতে নিজের একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেন।
২০১২ সালে University of Toronto থেকে স্নাতক এবং University College London থেকে উন্নয়ন, প্রশাসন ও পরিকল্পনা বিষয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি City of Toronto-এ রিসার্চ অ্যানালিস্ট হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।
সমাজসেবার এই পথ ধরে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন এবং New Democratic Party (NDP)-এর প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন লাভ করেন। ২০১৮ সালে অন্টারিও প্রাদেশিক নির্বাচনে স্কারবোরো সাউথ ওয়েস্ট থেকে নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়েন—প্রথমবারের মতো কোনো বাংলাদেশি প্রাদেশিক এমপি নির্বাচিত হন। এরপর তিনি ধারাবাহিকভাবে তিনবার এই এলাকায় প্রতিনিধিত্ব করেন, যা তার জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতারই প্রমাণ।
তবে তার এই সংগ্রামের পথে একটি গভীর ব্যক্তিগত শোকও রয়েছে—২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি তার প্রিয় স্বামী, টরন্টোর বাংলাদেশি-কানাডিয়ান আইনজীবী ব্যারিস্টার রিজওয়ান রহমানকে হারান। এই কঠিন সময়েও তিনি ভেঙে না পড়ে দৃঢ়তার সঙ্গে সামনে এগিয়ে গেছেন—যা তার মানসিক শক্তি ও নেতৃত্বের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
পরবর্তীতে বৃহত্তর পরিসরে কমিউনিটির কণ্ঠস্বরকে আরও শক্তিশালী করতে তিনি Liberal Party of Canada-এ যোগ দেন এবং প্রথমবারের মতো ফেডারেল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। এই উপ-নির্বাচনে স্কারবোরো সাউথ ওয়েস্ট থেকে বিজয়ী হয়ে তিনি এখন কানাডার সংসদে আমাদের প্রতিনিধিত্ব করবেন।
এই বিজয়ের মাধ্যমে তিনি নিজেকে একজন শক্তিশালী immigrant voice এবং Muslim নারী নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
তার এই অর্জনে আনন্দ ও অভিনন্দন জানিয়ে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র কেন্দ্রীয় কনভেনর ও মৌলভীবাজার ডিস্ট্রিক্ট ডেভেলপমেন্ট এন্ড ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন অব ওয়ালর্ড হোয়াইডের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোহাম্মদ মকিস মনসুর, কো-কনভেনর মসুদ আহমদ, সদস্য সচিব ড. মুজিবুর রহমান এবং অর্থ সচিব কাউন্সিলর আসরাফ মিয়া শুভেচ্ছাও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
এছাড়া সাউথইস্ট রিজিওনাল কনভেনর হারুনুর রশিদ, কো-কনভেনর জামাল হোসেন, যুগ্ম কনভেনর সিপার করিম এবং সদস্য সচিব তাজুল ইসলামসহ সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক নেতৃবৃন্দ ডলি বেগমের এই সাফল্যকে বাংলাদেশের পাশাপাশি সিলেট অঞ্চলের জন্যও গর্ব ও সম্মানের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন।
অভিনন্দন বার্তায় ইউকে বিডি টিভির চেয়ারম্যান ও গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে'র কেন্দ্রীয় কনভেনর মোহাম্মদ মকিস মনসুর বলেন, মৌলভীবাজারের বাজরাকোনা গ্রামের সুযোগ্য কন্যারত্ন ডলি বেগম কানাডার রাজনীতিতে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। টরন্টোর স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট আসন থেকে ফেডারেল উপনির্বাচনে প্রথমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হয়ে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তার এই অর্জন শুধু সিলেট বা মৌলভীবাজারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি পুরো বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য এক অনন্য সম্মান। প্রবাসে থেকেও নেতৃত্ব, সততা এবং যোগ্যতার মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে জায়গা করে নেওয়া সম্ভব—ডলি বেগম তার বাস্তব প্রমাণ।
মোহাম্মদ মকিস মনসুর আর ও বলেন, ডলি বেগমের এই সাফল্য নতুন প্রজন্মকে আরও বড় স্বপ্ন দেখতে অনুপ্রাণিত করবে। ব্যবসা বা পেশাগত ক্ষেত্রের বাইরে গিয়ে নীতি-নির্ধারণী পর্যায়েও নিজেদের অবস্থান তৈরি করার সাহস যোগাবে এ অর্জন। ডলি বেগমের এই যাত্রা নিঃসন্দেহে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পথপ্রদর্শক হয়ে থাকবে এবং প্রবাসে বাংলাদেশিদের সক্ষমতার এক উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
উল্লেখ্য যে, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আধ্যাত্মিকতার আলোকধারা ও ইতিহাসের গৌরবে ভরা এক জনপদ—বাজরাকোনা। এই পবিত্র মাটিতে শায়িত আছেন হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর অন্যতম সফরসঙ্গী হযরত শাহ মঈন উদ্দিন (রহ.)। সেই পুণ্যভূমি আজ আবারও এক উজ্জ্বল ইতিহাসের সাক্ষী হলো এক অনন্য অর্জনের মাধ্যমে।
বাবা রাজা মিয়া ও মা জবা বেগমের একমাত্র কন্যা তিনি। বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার মনুমুখ বাজরাকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার শিক্ষাজীবন শুরু হয়। পরবর্তীতে তিনি মনুমুখ পিটি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায় ১৯৯৯ সালে পরিবারসহ কানাডায় পাড়ি জমান। সেখান থেকেই তার জীবনের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়।
কানাডায় তিনি নিজেকে গড়ে তোলেন একজন সমাজসেবক হিসেবে। গবেষণা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং অভিবাসী অধিকার নিয়ে কাজ করে ধীরে ধীরে কমিউনিটিতে নিজের একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেন।
২০১২ সালে University of Toronto থেকে স্নাতক এবং University College London থেকে উন্নয়ন, প্রশাসন ও পরিকল্পনা বিষয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি City of Toronto-এ রিসার্চ অ্যানালিস্ট হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।
সমাজসেবার এই পথ ধরে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন এবং New Democratic Party (NDP)-এর প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন লাভ করেন। ২০১৮ সালে অন্টারিও প্রাদেশিক নির্বাচনে স্কারবোরো সাউথ ওয়েস্ট থেকে নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়েন—প্রথমবারের মতো কোনো বাংলাদেশি প্রাদেশিক এমপি নির্বাচিত হন। এরপর তিনি ধারাবাহিকভাবে তিনবার এই এলাকায় প্রতিনিধিত্ব করেন, যা তার জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতারই প্রমাণ।
তবে তার এই সংগ্রামের পথে একটি গভীর ব্যক্তিগত শোকও রয়েছে—২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি তার প্রিয় স্বামী, টরন্টোর বাংলাদেশি-কানাডিয়ান আইনজীবী ব্যারিস্টার রিজওয়ান রহমানকে হারান। এই কঠিন সময়েও তিনি ভেঙে না পড়ে দৃঢ়তার সঙ্গে সামনে এগিয়ে গেছেন—যা তার মানসিক শক্তি ও নেতৃত্বের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
পরবর্তীতে বৃহত্তর পরিসরে কমিউনিটির কণ্ঠস্বরকে আরও শক্তিশালী করতে তিনি Liberal Party of Canada-এ যোগ দেন এবং প্রথমবারের মতো ফেডারেল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। এই উপ-নির্বাচনে স্কারবোরো সাউথ ওয়েস্ট থেকে বিজয়ী হয়ে তিনি এখন কানাডার সংসদে আমাদের প্রতিনিধিত্ব করবেন।
এই বিজয়ের মাধ্যমে তিনি নিজেকে একজন শক্তিশালী immigrant voice এবং Muslim নারী নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।