ঢাকা, ১ মে : মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান Boeing থেকে প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকায় ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাতে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এই আনুষ্ঠানিক চুক্তি সম্পন্ন হয়। বিমানের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও কাইজার সোহেল আহমেদ এবং বোয়িংয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট পল রিঘি এ চুক্তিতে সই করেন। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও অ্যাভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, বিমানের ইতিহাসে আধুনিক যুগে এটিই সবচেয়ে বড় বহর সম্প্রসারণের উদ্যোগ। চুক্তি অনুযায়ী প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকার এই ব্যয় ১০ থেকে ২০ বছরের কিস্তিতে পরিশোধ করা হবে।
চুক্তি অনুযায়ী, প্রথম উড়োজাহাজটি ২০৩১ সালের অক্টোবর মাসে এবং বাকি উড়োজাহাজগুলো ২০৩৫ সালের নভেম্বরের মধ্যে বিমানের বহরে যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিমান প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, একটি শক্তিশালী এভিয়েশন খাত পর্যটন, যাত্রীসেবা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নতুন এই উদ্যোগ নিউইয়র্কসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটে কানেকটিভিটি বাড়াবে এবং যাত্রীসেবার মান উন্নয়নে সহায়তা করবে।
তিনি আরও বলেন, সরকার দেশের প্রতিটি খাতে সক্ষমতা বৃদ্ধি ও শক্তিশালী অবস্থান গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতি খাতেই শক্ত অবস্থান গড়ে তুলতে কাজ করছেন বলেও জানান তিনি।
জানা গেছে, বিমানের ইতিহাসে আধুনিক যুগে এটিই সবচেয়ে বড় বহর সম্প্রসারণের উদ্যোগ। চুক্তি অনুযায়ী প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকার এই ব্যয় ১০ থেকে ২০ বছরের কিস্তিতে পরিশোধ করা হবে।
চুক্তি অনুযায়ী, প্রথম উড়োজাহাজটি ২০৩১ সালের অক্টোবর মাসে এবং বাকি উড়োজাহাজগুলো ২০৩৫ সালের নভেম্বরের মধ্যে বিমানের বহরে যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিমান প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, একটি শক্তিশালী এভিয়েশন খাত পর্যটন, যাত্রীসেবা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নতুন এই উদ্যোগ নিউইয়র্কসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটে কানেকটিভিটি বাড়াবে এবং যাত্রীসেবার মান উন্নয়নে সহায়তা করবে।
তিনি আরও বলেন, সরকার দেশের প্রতিটি খাতে সক্ষমতা বৃদ্ধি ও শক্তিশালী অবস্থান গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতি খাতেই শক্ত অবস্থান গড়ে তুলতে কাজ করছেন বলেও জানান তিনি।