চট্টগ্রাম, ১৪ মে : মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমান-এর আল মিলিদ্দা আল মোছানা এলাকায় একটি পার্কিংয়ে গাড়ির ভেতরে এসির গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় রাঙ্গুনিয়ার চার সহোদরের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে গাড়িটি পার্কিং অবস্থায় ও চালু থাকা অবস্থায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরদিন বুধবার (১৩ মে) সকালে ওমান পুলিশ গাড়ির ভেতর থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য স্থানীয় হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করেনি; ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
নিহতরা হলেন- মো. রাশেদ (৩৫), মো. শাহেদ (৩২), মো. সিরাজ (২৭) ও মো. শহিদ (২৪)। তারা চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের বন্দেরাজার পাড়া এলাকার মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে। নিহতরা সম্পর্কে আপন ভাই। বড় দুই ভাই বিবাহিত ছিলেন এবং তাদের সন্তানও রয়েছে। ছোট দুই ভাই দেশে ফিরে বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বলে পরিবার জানিয়েছে।
ওমান প্রবাসী আবু তৈয়ব ও মাহমুদুর রশিদ মাসুদ জানান, ঘটনার দিন দুই ছোট ভাই শহিদ ও সিরাজ দেশে ফেরার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বাজার করতে যাচ্ছিলেন। ওই সময় চার ভাই একসঙ্গে গাড়িতে করে বের হন। পার্কিংয়ে গাড়ি চালু থাকা অবস্থায় এসির গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় তারা সবাই মারা যান।
নিহতদের পরিবারের একমাত্র জীবিত ভাই মো. এনাম ও প্রতিবেশী মাওলানা ইদরিস জানান, ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে পরিবারের সদস্যরা শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছেন। নিহতদের মা, স্ত্রী ও সন্তান বারবার অচেতন হয়ে পড়ছেন। একই সঙ্গে চার ভাইয়ের মৃত্যুর খবরে পুরো এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
নিহতরা হলেন- মো. রাশেদ (৩৫), মো. শাহেদ (৩২), মো. সিরাজ (২৭) ও মো. শহিদ (২৪)। তারা চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের বন্দেরাজার পাড়া এলাকার মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে। নিহতরা সম্পর্কে আপন ভাই। বড় দুই ভাই বিবাহিত ছিলেন এবং তাদের সন্তানও রয়েছে। ছোট দুই ভাই দেশে ফিরে বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বলে পরিবার জানিয়েছে।
ওমান প্রবাসী আবু তৈয়ব ও মাহমুদুর রশিদ মাসুদ জানান, ঘটনার দিন দুই ছোট ভাই শহিদ ও সিরাজ দেশে ফেরার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বাজার করতে যাচ্ছিলেন। ওই সময় চার ভাই একসঙ্গে গাড়িতে করে বের হন। পার্কিংয়ে গাড়ি চালু থাকা অবস্থায় এসির গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় তারা সবাই মারা যান।
নিহতদের পরিবারের একমাত্র জীবিত ভাই মো. এনাম ও প্রতিবেশী মাওলানা ইদরিস জানান, ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে পরিবারের সদস্যরা শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছেন। নিহতদের মা, স্ত্রী ও সন্তান বারবার অচেতন হয়ে পড়ছেন। একই সঙ্গে চার ভাইয়ের মৃত্যুর খবরে পুরো এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।