কানাডা-যুক্তরাষ্ট্রের দরকষাকষির  নতুন ইস্যু গোর্ডি হাউ ব্রিজ

আপলোড সময় : ১৭-০৫-২০২৬ ০২:২১:৫৮ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৭-০৫-২০২৬ ০২:২১:৫৮ অপরাহ্ন
ডেট্রয়েট, ১৭ মে : কানাডীয় কর্মকর্তারা এই সপ্তাহে সিবিসি নিউজকে জানিয়েছেন যে, গোর্ডি হাউ ইন্টারন্যাশনাল ব্রিজটি চালুর পথে প্রধান বাধা সম্ভবত সেতুর অবকাঠামোগত কোনো সমস্যা নয়; বরং এটি যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার চলমান বৃহত্তর কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং দক্ষিণ অন্টারিওর ফেডারেল অর্থনৈতিক উন্নয়ন সংস্থার দায়িত্বপ্রাপ্ত কানাডীয় ফেডারেল মন্ত্রী ইভান সলোমন শুক্রবার সিবিসিকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে বর্তমানে “জটিল” আলোচনা চলছে। তিনি জানান, “বাণিজ্য, ধারা ২৩২-সংক্রান্ত বিষয়, শুল্ক এবং গোর্ডি হাউ ব্রিজ চালু করা—সবকিছু নিয়েই কানাডা প্রতিদিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত রয়েছে।”
সলোমন আশা প্রকাশ করেন, ডেট্রয়েট নদীর ওপর নির্মিত ১ দশমিক ৫ মাইল দীর্ঘ ও ছয় লেনবিশিষ্ট গোর্ডি হাউ ইন্টারন্যাশনাল ব্রিজটি আগামী বসন্তেই যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, “এখানে অনেকগুলো বিষয় জড়িত। সেতুটি তার মধ্যে একটি মাত্র। বাণিজ্যও একটি বড় বিষয়, এবং বহু শিল্পখাত এর প্রভাবে রয়েছে। তবে আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য সর্বোত্তম চুক্তি নিশ্চিত করতে সর্বাত্মকভাবে কাজ করছি। আমরা আশা করছি, সেই চুক্তির আওতায় সেতুটির বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।”
পরবর্তীতে সলোমনের দপ্তর সিবিসিকে দেওয়া এক ব্যাখ্যায় জানায়, তিনি মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সামগ্রিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটেই মন্তব্য করেছিলেন। দপ্তরটি আরও জানায়, ব্রিজটি ঠিক কবে চালু হবে, তা নির্ভর করছে চলমান মান যাচাই-পর্যালোচনা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং সেতুটিকে পূর্ণ ব্যবহারোপযোগী করে তোলার বিভিন্ন কার্যক্রমের ওপর।
গত এপ্রিল মাসের শেষ দিকে, কানাডায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিট হোকস্ট্রা মন্তব্য করেছিলেন যে, সেতুটি চালু হতে বিলম্বের অন্যতম কারণ হলো—যেসব শর্তের ভিত্তিতে প্রকল্পটির চুক্তি সম্পাদিত হয়েছিল, তার অনেকগুলোই এখনো পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। তিনি আরও বলেন, প্রকল্পটির ব্যয় “প্রচণ্ডভাবে বাজেট অতিক্রম করেছে” এবং সীমান্ত অতিক্রমকারী যানবাহনের সংখ্যাও বর্তমানে কমে গেছে।
গত ফেব্রুয়ারি মাসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন যে, তিনি সেতুটির উদ্বোধনকে একটি দরকষাকষির হাতিয়ার বা “জিম্মি” হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। সে সময় তিনি লিখেছিলেন, “যতক্ষণ না যুক্তরাষ্ট্র আমাদের দেওয়া সবকিছুর বিপরীতে পূর্ণ ক্ষতিপূরণ পাচ্ছে—এবং আরও গুরুত্বপূর্ণভাবে, যতক্ষণ না কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি সেই ‘ন্যায্যতা ও সম্মান’ প্রদর্শন করছে যা আমাদের প্রাপ্য—ততক্ষণ আমি এই সেতুটি চালু হতে দেব না। আমরা অবিলম্বে আলোচনা শুরু করব।”
Source & Photo: http://detroitnews.com
 

সম্পাদকীয় :

চিনু মৃধা : সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

সম্পাদক ও প্রকাশক : চিন্ময় আচার্য্য, নির্বাহী সম্পাদক : কামাল মোস্তফা, সহযোগী সম্পাদক : আশিক রহমান,

বার্তা সম্পাদক : তোফায়েল রেজা সোহেল, ফিচার এডিটর : সৈয়দ আসাদুজ্জামান সোহান, স্টাফ রিপোর্টার : মৃদুল কান্তি সরকার।

অফিস :

22021 Memphis Ave Warren, MI 48091

Phone : +1 (313) 312-7006

Email : [email protected]

Website : www.suprobhatmichigan.com