ডেট্রয়েট, ২৮ মে : মিশিগানের মুসলিম অধ্যুষিত মেট্রো ডেট্রয়েটের ডিয়ারবর্ন, হ্যামট্রাম্যাক, ওয়ারেন ও স্টার্লিং হাইটসসহ বিভিন্ন শহরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, উৎসবমুখর পরিবেশ ও বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে গতকাল বুধবার উদযাপিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল আজহা।
সকাল থেকেই ঈদের আনন্দে মুখর হয়ে ওঠে পুরো মেট্রো ডেট্রয়েট এলাকা। নতুন পোশাকে পরিবার-পরিজন নিয়ে মুসল্লিরা ছুটে যান মসজিদ ও ঈদগাহে। কোথাও কোথাও ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত মুসল্লির উপস্থিতির কারণে একাধিক জামাতের আয়োজন করা হয়।
ওয়ারেন শহরের হলমিচ পার্কে ইসলামিক সেন্টার অব ওয়ারেনের উদ্যোগে এবং ডেট্রয়েটের বাংলা টাউনের জেইন ফিল্ডে মসজিদ নূর ও বাইতুল মোকাররম মসজিদ কমিটির ব্যবস্থাপনায় খোলা আকাশের নিচে অনুষ্ঠিত হয় দুটি বৃহৎ ঈদ জামাত। ঈদের নামাজকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই সেখানে ভিড় করেন হাজারো মুসল্লি। কোলাকুলি আর শুভেচ্ছা বিনিময়ে পুরো পরিবেশ হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত।
তবে উৎসবের আবহের পাশাপাশি ছিল নিরাপত্তা শঙ্কাও। সম্প্রতি ক্যালিফোর্নিয়ার একটি মসজিদে বন্দুক হামলায় তিনজন নিহত হওয়ার ঘটনার পর সতর্ক অবস্থানে যায় মিশিগানের মুসলিম কমিউনিটি। এ কারণে হলমিচ পার্কসহ বিভিন্ন ঈদ জামাতস্থলে দেখা যায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকরাও সার্বক্ষণিক নজরদারিতে ছিলেন।
ঈদের নামাজ শেষে বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, নিরাপত্তা ও মানবতার কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। খুতবায় ইমাম হাফেজ আবদুল বাছেত মুসলমানদের হিংসা, বিদ্বেষ ও বিভাজন থেকে দূরে থেকে কোরবানির প্রকৃত শিক্ষা—ত্যাগ, সহমর্মিতা ও মানবতার আদর্শ—বাস্তব জীবনে ধারণ করার আহ্বান জানান।
নামাজ শেষে অনেকেই ছুটে যান দূর-দূরান্তের খামারে। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে সম্পন্ন করেন কোরবানির আনুষ্ঠানিকতা। পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের মাঝে কোরবানির মাংস বিতরণের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী চলতে থাকে ঈদের আনন্দ।
এদিকে ডিয়ারবর্ন, হ্যামট্রাম্যাক, স্টার্লিং হাইটসসহ মেট্রো ডেট্রয়েটের অধিকাংশ মসজিদেই দুই থেকে তিন দফায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। দিনশেষে ঈদুল আজহার এই আয়োজন পরিণত হয় ধর্মীয় সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্যের এক অনন্য মিলনমেলায়।
সকাল থেকেই ঈদের আনন্দে মুখর হয়ে ওঠে পুরো মেট্রো ডেট্রয়েট এলাকা। নতুন পোশাকে পরিবার-পরিজন নিয়ে মুসল্লিরা ছুটে যান মসজিদ ও ঈদগাহে। কোথাও কোথাও ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত মুসল্লির উপস্থিতির কারণে একাধিক জামাতের আয়োজন করা হয়।
ওয়ারেন শহরের হলমিচ পার্কে ইসলামিক সেন্টার অব ওয়ারেনের উদ্যোগে এবং ডেট্রয়েটের বাংলা টাউনের জেইন ফিল্ডে মসজিদ নূর ও বাইতুল মোকাররম মসজিদ কমিটির ব্যবস্থাপনায় খোলা আকাশের নিচে অনুষ্ঠিত হয় দুটি বৃহৎ ঈদ জামাত। ঈদের নামাজকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই সেখানে ভিড় করেন হাজারো মুসল্লি। কোলাকুলি আর শুভেচ্ছা বিনিময়ে পুরো পরিবেশ হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত।
তবে উৎসবের আবহের পাশাপাশি ছিল নিরাপত্তা শঙ্কাও। সম্প্রতি ক্যালিফোর্নিয়ার একটি মসজিদে বন্দুক হামলায় তিনজন নিহত হওয়ার ঘটনার পর সতর্ক অবস্থানে যায় মিশিগানের মুসলিম কমিউনিটি। এ কারণে হলমিচ পার্কসহ বিভিন্ন ঈদ জামাতস্থলে দেখা যায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকরাও সার্বক্ষণিক নজরদারিতে ছিলেন।
ঈদের নামাজ শেষে বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, নিরাপত্তা ও মানবতার কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। খুতবায় ইমাম হাফেজ আবদুল বাছেত মুসলমানদের হিংসা, বিদ্বেষ ও বিভাজন থেকে দূরে থেকে কোরবানির প্রকৃত শিক্ষা—ত্যাগ, সহমর্মিতা ও মানবতার আদর্শ—বাস্তব জীবনে ধারণ করার আহ্বান জানান।
নামাজ শেষে অনেকেই ছুটে যান দূর-দূরান্তের খামারে। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে সম্পন্ন করেন কোরবানির আনুষ্ঠানিকতা। পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের মাঝে কোরবানির মাংস বিতরণের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী চলতে থাকে ঈদের আনন্দ।
এদিকে ডিয়ারবর্ন, হ্যামট্রাম্যাক, স্টার্লিং হাইটসসহ মেট্রো ডেট্রয়েটের অধিকাংশ মসজিদেই দুই থেকে তিন দফায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। দিনশেষে ঈদুল আজহার এই আয়োজন পরিণত হয় ধর্মীয় সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্যের এক অনন্য মিলনমেলায়।