কার্ডিফ, ২৯ মে : যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে যুক্তরাজ্যের ওয়েলসের রাজধানী কার্ডিফে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করেছে মুসলিম কমিউনিটি। কয়েক হাজার মুসল্লির অংশগ্রহণে শহরের বিভিন্ন মসজিদ ও কমিউনিটি সেন্টারে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
কার্ডিফ শাহজালাল মসজিদ অ্যান্ড ইসলামিক কালচারাল সেন্টারে ২৭ মে সকাল ৮টায় প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়, যা পরিচালনা করেন মসজিদের খতীব মাওলানা শাহ হালিম উদ্দিন নূরী। দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করেন হাফিজ মাওলানা তৌহিদুল হক।
একই সময়ে কার্ডিফ জালালিয়া মসজিদ অ্যান্ড ইসলামিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রথম জামাতের ইমামতি করেন মসজিদের খতীব মাওলানা আব্দুল মোক্তাদির এবং দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করেন হাফিজ জালাল উদ্দিন। এছাড়া লানেড্রিন কমিউনিটি সেন্টারে ঈদের জামাত পরিচালনা করেন হাফিজ খায়রুল আলম।
খুতবা-পূর্ব আলোচনায় ইমামগণ বলেন, ঈদুল আজহা আত্মত্যাগের মহিমায় ভাস্বর একটি পবিত্র উৎসব, যা আল্লাহর নৈকট্য ও সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য আত্মসমর্পণের চেতনাকে জাগ্রত করে।
ঈদের দিন কার্ডিফের প্রতিটি মসজিদে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের উপস্থিতিতে প্রাণচাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। জামাত শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন, যা এক অনাবিল ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির পরিবেশ সৃষ্টি করে।
কার্ডিফ শাহজালাল মসজিদ অ্যান্ড ইসলামিক কালচারাল সেন্টারের ট্রাস্টি মোহাম্মদ মকিস মনসুর, শাহজালাল মসজিদ কমিটির চেয়ারম্যান শাহ আতাউর রহমান মধু, সেক্রেটারি কাওসার হোসেন, ট্রেজারার রকিবুর রহমান, কার্ডিফ জালালিয়া মসজিদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব লিলু মিয়া এবং সেক্রেটারি মহিবুল ইসলাম মায়াসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও আগত মুসল্লিরা বিশ্বের সকলকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানান।
তাঁরা বলেন, ঈদুল আজহার আত্মত্যাগের মহিমায় সকলের জীবন মহিমান্বিত হয়ে উঠুক, বিশ্ব হোক শান্তিময়। পাশাপাশি বিশ্ব-বিবেক জাগ্রত হয়ে একটি মানবিক পৃথিবী গড়ে উঠুক—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তাঁরা। পরিশেষে প্রতিটি ঈদের জামাতে বিশেষ দোয়ার মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হয়।
এদিকে বিভিন্ন স্থানে ঈদের জামাতে অংশগ্রহণকারী মুসল্লিদের জন্য নানা ধরনের বিনামূল্যে খাবারের ব্যবস্থা রাখা হয়। পাশাপাশি শিশুদের আনন্দ-বিনোদনের জন্যও বিশেষ আয়োজন করা হয়, যা ঈদের উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
প্রবাস জীবনের ব্যস্ততার মধ্যেও ঈদ উপলক্ষে প্রতিটি বাসাবাড়িতে ছিল নানান ধরনের ঐতিহ্যবাহী খাবারের আয়োজন। পিঠা, সন্দেশ, মিষ্টি, সেমাই, লাচ্ছি, বিরিয়ানি—এসব খাবারে ঈদের দিনগুলো হয়ে ওঠে আরও উৎসবমুখর ও পারিবারিক আনন্দে ভরপুর।
এদিকে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাংলাদেশ, যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসরত সকল মুসলমানদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন কাডিফ ইউকে'র সেক্রেটারি মোহাম্মদ মকিস মনসুর।
এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও ভ্রাতৃত্ববোধ কামনা করেন।
কার্ডিফ শাহজালাল মসজিদ অ্যান্ড ইসলামিক কালচারাল সেন্টারে ২৭ মে সকাল ৮টায় প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়, যা পরিচালনা করেন মসজিদের খতীব মাওলানা শাহ হালিম উদ্দিন নূরী। দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করেন হাফিজ মাওলানা তৌহিদুল হক।
একই সময়ে কার্ডিফ জালালিয়া মসজিদ অ্যান্ড ইসলামিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রথম জামাতের ইমামতি করেন মসজিদের খতীব মাওলানা আব্দুল মোক্তাদির এবং দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করেন হাফিজ জালাল উদ্দিন। এছাড়া লানেড্রিন কমিউনিটি সেন্টারে ঈদের জামাত পরিচালনা করেন হাফিজ খায়রুল আলম।
খুতবা-পূর্ব আলোচনায় ইমামগণ বলেন, ঈদুল আজহা আত্মত্যাগের মহিমায় ভাস্বর একটি পবিত্র উৎসব, যা আল্লাহর নৈকট্য ও সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য আত্মসমর্পণের চেতনাকে জাগ্রত করে।
ঈদের দিন কার্ডিফের প্রতিটি মসজিদে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের উপস্থিতিতে প্রাণচাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। জামাত শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন, যা এক অনাবিল ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির পরিবেশ সৃষ্টি করে।
কার্ডিফ শাহজালাল মসজিদ অ্যান্ড ইসলামিক কালচারাল সেন্টারের ট্রাস্টি মোহাম্মদ মকিস মনসুর, শাহজালাল মসজিদ কমিটির চেয়ারম্যান শাহ আতাউর রহমান মধু, সেক্রেটারি কাওসার হোসেন, ট্রেজারার রকিবুর রহমান, কার্ডিফ জালালিয়া মসজিদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব লিলু মিয়া এবং সেক্রেটারি মহিবুল ইসলাম মায়াসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও আগত মুসল্লিরা বিশ্বের সকলকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানান।
তাঁরা বলেন, ঈদুল আজহার আত্মত্যাগের মহিমায় সকলের জীবন মহিমান্বিত হয়ে উঠুক, বিশ্ব হোক শান্তিময়। পাশাপাশি বিশ্ব-বিবেক জাগ্রত হয়ে একটি মানবিক পৃথিবী গড়ে উঠুক—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তাঁরা। পরিশেষে প্রতিটি ঈদের জামাতে বিশেষ দোয়ার মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হয়।
এদিকে বিভিন্ন স্থানে ঈদের জামাতে অংশগ্রহণকারী মুসল্লিদের জন্য নানা ধরনের বিনামূল্যে খাবারের ব্যবস্থা রাখা হয়। পাশাপাশি শিশুদের আনন্দ-বিনোদনের জন্যও বিশেষ আয়োজন করা হয়, যা ঈদের উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
প্রবাস জীবনের ব্যস্ততার মধ্যেও ঈদ উপলক্ষে প্রতিটি বাসাবাড়িতে ছিল নানান ধরনের ঐতিহ্যবাহী খাবারের আয়োজন। পিঠা, সন্দেশ, মিষ্টি, সেমাই, লাচ্ছি, বিরিয়ানি—এসব খাবারে ঈদের দিনগুলো হয়ে ওঠে আরও উৎসবমুখর ও পারিবারিক আনন্দে ভরপুর।
এদিকে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাংলাদেশ, যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসরত সকল মুসলমানদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন কাডিফ ইউকে'র সেক্রেটারি মোহাম্মদ মকিস মনসুর।
এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও ভ্রাতৃত্ববোধ কামনা করেন।