ডেট্রয়েট, ৩১ মে : আজ রবিবার হৃদয়ে কোনো অপূর্ণ স্বপ্ন নিয়ে একাকী দাঁড়িয়ে থাকার প্রয়োজন নেই। সঙ্গে কমলার খোসাও রাখার দরকার হবে না। কারণ, আজ রাতের আকাশে দেখা মিলতে পারে এ মাসের দ্বিতীয় পূর্ণিমার—বিরল এক ‘ব্লু মুন’-এর। আকাশপ্রেমীদের জন্য এটি হতে পারে এক বিশেষ চন্দ্র-দর্শনের রাত।
নাসার মে মাসের ‘স্কাইওয়াচিং গাইড’ অনুযায়ী, মে মাসের বিদায় ঘণ্টা বাজবে এক বিশেষ চন্দ্র-আয়োজনের মধ্য দিয়ে। ৩১ মে রাতের পূর্ণিমা হবে মাসটির দ্বিতীয় পূর্ণিমা, যা ‘ব্লু মুন’ হিসেবে আকাশে ধরা দেবে।
তবে নামের সঙ্গে মিল থাকলেও এই চাঁদ বাস্তবে নীল রঙের হবে না। নাসার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, একটি পঞ্জিকা মাসে যখন দ্বিতীয়বার পূর্ণিমা ঘটে, তখন সেই পূর্ণিমাকে ‘ব্লু মুন’ বলা হয়। এটি তুলনামূলকভাবে বিরল একটি ঘটনা। ইংরেজি ভাষায় বহুল ব্যবহৃত “Once in a Blue Moon” প্রবাদটির উৎপত্তিও এই বিরলতার ধারণা থেকেই। প্রবাদটির অর্থ হলো—এমন কোনো ঘটনা, যা খুব কম ঘটে বা কদাচিৎ দেখা যায়।
নাসার তথ্যমতে, রবিবারের এই পূর্ণিমাটি মাসের শুরুতে দেখা যাওয়া ‘ফ্লাওয়ার মুন’-এর পরবর্তী পূর্ণিমা। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এটি একটি ‘মাইক্রোমুন’ হিসেবেও বিবেচিত হবে। অর্থাৎ, পূর্ণিমার সময় চাঁদ তার কক্ষপথে পৃথিবী থেকে তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে দূরের অবস্থানে থাকবে। ফলে আকাশে এটিকে স্বাভাবিক পূর্ণিমার চাঁদের চেয়ে কিছুটা ছোট দেখাতে পারে।
চাঁদের একটি পূর্ণ চন্দ্রচক্রে অমাবস্যা থেকে পূর্ণিমা এবং পুনরায় অমাবস্যার দিকে অগ্রসর হওয়ার পথে মোট আটটি প্রধান পর্যায় (অমাবস্যা, শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া, প্রথম চতুর্থাংশ, শুক্লপক্ষের অষ্টমী, পূর্ণিমা, কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী, তৃতীয় চতুর্থাংশ এবং কৃষ্ণপক্ষের দ্বিতীয়া) অতিক্রম করে। একটি পঞ্জিকা মাসে দুইবার পূর্ণিমা হওয়ার ঘটনা সাধারণত প্রতি দুই থেকে তিন বছর পরপর দেখা যায়।
সর্বশেষ 'ব্লু মুন' দেখা গিয়েছিল ২০২৪ সালের ১৯শে আগস্ট; আর পরবর্তী 'ব্লু মুন' দেখা যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে ২০২৭ সালের মে মাসে।
Source : http://detroitnews.com
নাসার মে মাসের ‘স্কাইওয়াচিং গাইড’ অনুযায়ী, মে মাসের বিদায় ঘণ্টা বাজবে এক বিশেষ চন্দ্র-আয়োজনের মধ্য দিয়ে। ৩১ মে রাতের পূর্ণিমা হবে মাসটির দ্বিতীয় পূর্ণিমা, যা ‘ব্লু মুন’ হিসেবে আকাশে ধরা দেবে।
তবে নামের সঙ্গে মিল থাকলেও এই চাঁদ বাস্তবে নীল রঙের হবে না। নাসার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, একটি পঞ্জিকা মাসে যখন দ্বিতীয়বার পূর্ণিমা ঘটে, তখন সেই পূর্ণিমাকে ‘ব্লু মুন’ বলা হয়। এটি তুলনামূলকভাবে বিরল একটি ঘটনা। ইংরেজি ভাষায় বহুল ব্যবহৃত “Once in a Blue Moon” প্রবাদটির উৎপত্তিও এই বিরলতার ধারণা থেকেই। প্রবাদটির অর্থ হলো—এমন কোনো ঘটনা, যা খুব কম ঘটে বা কদাচিৎ দেখা যায়।
নাসার তথ্যমতে, রবিবারের এই পূর্ণিমাটি মাসের শুরুতে দেখা যাওয়া ‘ফ্লাওয়ার মুন’-এর পরবর্তী পূর্ণিমা। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এটি একটি ‘মাইক্রোমুন’ হিসেবেও বিবেচিত হবে। অর্থাৎ, পূর্ণিমার সময় চাঁদ তার কক্ষপথে পৃথিবী থেকে তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে দূরের অবস্থানে থাকবে। ফলে আকাশে এটিকে স্বাভাবিক পূর্ণিমার চাঁদের চেয়ে কিছুটা ছোট দেখাতে পারে।
চাঁদের একটি পূর্ণ চন্দ্রচক্রে অমাবস্যা থেকে পূর্ণিমা এবং পুনরায় অমাবস্যার দিকে অগ্রসর হওয়ার পথে মোট আটটি প্রধান পর্যায় (অমাবস্যা, শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া, প্রথম চতুর্থাংশ, শুক্লপক্ষের অষ্টমী, পূর্ণিমা, কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী, তৃতীয় চতুর্থাংশ এবং কৃষ্ণপক্ষের দ্বিতীয়া) অতিক্রম করে। একটি পঞ্জিকা মাসে দুইবার পূর্ণিমা হওয়ার ঘটনা সাধারণত প্রতি দুই থেকে তিন বছর পরপর দেখা যায়।
সর্বশেষ 'ব্লু মুন' দেখা গিয়েছিল ২০২৪ সালের ১৯শে আগস্ট; আর পরবর্তী 'ব্লু মুন' দেখা যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে ২০২৭ সালের মে মাসে।
Source : http://detroitnews.com