ডেট্রয়েট, ৫ জুন : গত ১০ বছরে যুক্তরাষ্ট্রের অন্য যেকোনো বড় শহরের তুলনায় ডেট্রয়েটে বাড়ির দাম দ্রুতগতিতে বেড়েছে, যা শহরটির আবাসন বাজারের ঘুরে দাঁড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘কনস্ট্রাকশন কভারেজ’-এর জিলো (Zillow)-এর বাড়ির দাম সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ডেট্রয়েটে বাড়ির মধ্যম মূল্য ২০১৬ সালের ৩১,৫৭২ ডলার থেকে বেড়ে ২০২৬ সালে ৭৫,৩৫৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এই সময়ে বাড়ির মূল্যবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৩৮.৭ শতাংশ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাড়ির দাম বৃদ্ধি শহরটিতে বসবাসের চাহিদা ও আকর্ষণ বাড়ার ইঙ্গিত দেয়। তবে এর সঙ্গে কিছু চ্যালেঞ্জও তৈরি হয়েছে—যেমন সম্পত্তি কর বৃদ্ধি এবং বাড়ির মূল্য বেড়ে যাওয়ায় অনেক ক্রেতার জন্য আবাসন ক্রয় আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।
রি/ম্যাক্স অফ সাউথ-ইস্টার্ন মিশিগান-এর প্রেসিডেন্ট জ্যানেট স্নাইডার বলেন, “সব এলাকা এবং সব মূল্যসীমার ক্ষেত্রেই আবাসনের চাহিদা ও আগ্রহ রয়েছে। ডেট্রয়েট সব দিক থেকেই আকর্ষণীয়, এবং আমার মতে এখানেই স্থিতিশীলতা খুঁজে পাওয়া যায়।”
জানুয়ারি ২০২৬-এ শহরের সর্বশেষ প্রকাশিত মূল্যায়ন তথ্য অনুযায়ী, ডেট্রয়েটে বাড়ির মূল্য টানা ১১ বছর ধরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। শুধু ২০২৫ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যেই শহরের মোট আবাসনমূল্য প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার বেড়েছে। গত বছরে পুরো ওয়েইন কাউন্টি জুড়ে সম্পত্তির মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার।
মূল্যায়ন তথ্যে দেখা যায়, ডেট্রয়েটের ২৮৬টি এলাকার মধ্যে ২৬৭টিতেই গত বছরের তুলনায় বাড়ির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ‘বাফালো/চার্লস’ এলাকা এবং ‘নর্থ কর্কটাউন’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
মেয়রের কার্যালয়ের মুখপাত্র জন রোচ বলেন, “ডেট্রয়েটের প্রতিটি এলাকায় অর্থবহ বিনিয়োগ নিশ্চিত করার যে প্রতিশ্রুতি মেয়র শেফিল্ড দিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে কাজ চলছে। আমরা আশা করছি বাড়ির মূল্য আরও বাড়বে, যা ডেট্রয়েটের পরিবারগুলোর জন্য প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে টিকে থাকার মতো সম্পদ তৈরি করবে।”
তিনি আরও বলেন, বাড়ির দাম বাড়লেও ‘ওয়ালেটহাব’-এর একটি সমীক্ষা অনুযায়ী ডেট্রয়েট এখনো যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় সবচেয়ে সাশ্রয়ী আবাসন শহর হিসেবে অবস্থান করছে।
এদিকে, মেয়র শেফিল্ড সম্পত্তি কর ৩০ শতাংশ বা তার বেশি কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে প্রধান বাসস্থানের ক্ষেত্রে প্রতি ১,০০০ ডলার মূল্যের সম্পত্তির ওপর করের হার বর্তমান ৬৪.১৮ ডলার থেকে কমে প্রায় ২৫ থেকে ৪৫ ডলারের মধ্যে নেমে আসবে বলে জানা গেছে।
Source & Photo: http://detroitnews.com
গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘কনস্ট্রাকশন কভারেজ’-এর জিলো (Zillow)-এর বাড়ির দাম সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ডেট্রয়েটে বাড়ির মধ্যম মূল্য ২০১৬ সালের ৩১,৫৭২ ডলার থেকে বেড়ে ২০২৬ সালে ৭৫,৩৫৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এই সময়ে বাড়ির মূল্যবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৩৮.৭ শতাংশ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাড়ির দাম বৃদ্ধি শহরটিতে বসবাসের চাহিদা ও আকর্ষণ বাড়ার ইঙ্গিত দেয়। তবে এর সঙ্গে কিছু চ্যালেঞ্জও তৈরি হয়েছে—যেমন সম্পত্তি কর বৃদ্ধি এবং বাড়ির মূল্য বেড়ে যাওয়ায় অনেক ক্রেতার জন্য আবাসন ক্রয় আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।
রি/ম্যাক্স অফ সাউথ-ইস্টার্ন মিশিগান-এর প্রেসিডেন্ট জ্যানেট স্নাইডার বলেন, “সব এলাকা এবং সব মূল্যসীমার ক্ষেত্রেই আবাসনের চাহিদা ও আগ্রহ রয়েছে। ডেট্রয়েট সব দিক থেকেই আকর্ষণীয়, এবং আমার মতে এখানেই স্থিতিশীলতা খুঁজে পাওয়া যায়।”
জানুয়ারি ২০২৬-এ শহরের সর্বশেষ প্রকাশিত মূল্যায়ন তথ্য অনুযায়ী, ডেট্রয়েটে বাড়ির মূল্য টানা ১১ বছর ধরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। শুধু ২০২৫ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যেই শহরের মোট আবাসনমূল্য প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার বেড়েছে। গত বছরে পুরো ওয়েইন কাউন্টি জুড়ে সম্পত্তির মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার।
মূল্যায়ন তথ্যে দেখা যায়, ডেট্রয়েটের ২৮৬টি এলাকার মধ্যে ২৬৭টিতেই গত বছরের তুলনায় বাড়ির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ‘বাফালো/চার্লস’ এলাকা এবং ‘নর্থ কর্কটাউন’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
মেয়রের কার্যালয়ের মুখপাত্র জন রোচ বলেন, “ডেট্রয়েটের প্রতিটি এলাকায় অর্থবহ বিনিয়োগ নিশ্চিত করার যে প্রতিশ্রুতি মেয়র শেফিল্ড দিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে কাজ চলছে। আমরা আশা করছি বাড়ির মূল্য আরও বাড়বে, যা ডেট্রয়েটের পরিবারগুলোর জন্য প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে টিকে থাকার মতো সম্পদ তৈরি করবে।”
তিনি আরও বলেন, বাড়ির দাম বাড়লেও ‘ওয়ালেটহাব’-এর একটি সমীক্ষা অনুযায়ী ডেট্রয়েট এখনো যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় সবচেয়ে সাশ্রয়ী আবাসন শহর হিসেবে অবস্থান করছে।
এদিকে, মেয়র শেফিল্ড সম্পত্তি কর ৩০ শতাংশ বা তার বেশি কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে প্রধান বাসস্থানের ক্ষেত্রে প্রতি ১,০০০ ডলার মূল্যের সম্পত্তির ওপর করের হার বর্তমান ৬৪.১৮ ডলার থেকে কমে প্রায় ২৫ থেকে ৪৫ ডলারের মধ্যে নেমে আসবে বলে জানা গেছে।
Source & Photo: http://detroitnews.com