ওয়ারেন, ১০ জুন : জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে আগামীকাল বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে ফুটবল মহাযজ্ঞ ফিফা বিশ্বকাপের ২৩তম আসর। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো যৌথভাবে আয়োজন করছে এই বৈশ্বিক ক্রীড়া মহোৎসব। মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক এস্তাদিও আজতেকা স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী ম্যাচের মাধ্যমে বিশ্বকাপের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে। এবারের আসরে ৩২ দলের পরিবর্তে রেকর্ড ৪৮টি দল অংশগ্রহণ করছে, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।
তিন দেশের ১৬টি ভেন্যুতে ৩৯ দিনব্যাপী চলবে এই মহাযজ্ঞ। টুর্নামেন্টে মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে, যা আগের যেকোনো বিশ্বকাপের তুলনায় সর্বাধিক।
আগামী ১৯ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে অবস্থিত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনাল ম্যাচের মাধ্যমে পর্দা নামবে ফুটবল বিশ্বের এই মহারণের। বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর নজর থাকবে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা এই প্রতীক্ষিত আসরের দিকে।
এদিকে বিশ্বকাপ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলা ভাষাভাষী ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উচ্ছ্বাস। মিশিগানসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ইতোমধ্যে খেলা দেখার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকদের ঐতিহ্যবাহী প্রতিদ্বন্দ্বিতাও নতুন করে প্রাণ পেয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিশ্বকাপ নিয়ে আলোচনা ও দল সমর্থনের উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে।
বিশেষ করে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে পুরোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা আবারও নতুন করে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে। বিভিন্ন শহরে খেলা দেখার জন্য বড় পর্দার আয়োজন, কমিউনিটি সেন্টারে সমবেত দর্শন এবং পরিবারভিত্তিক ওয়াচ পার্টির প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। তবে উচ্ছ্বাসের পাশাপাশি একটি প্রশ্নও ঘুরপাক খাচ্ছে প্রবাসীদের মনে আমেরিকায় বসে বিশ্বকাপের খেলা কোথায় এবং কীভাবে দেখা যাবে?
প্রযুক্তিনির্ভর বর্তমান সময়ে দর্শকদের সামনে রয়েছে একাধিক বিকল্প। কেবল টেলিভিশন, স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম, স্মার্ট টিভি অ্যাপ কিংবা মোবাইল ডিভাইসের মাধ্যমে খেলা দেখার সুযোগ থাকলেও কোনটি সবচেয়ে সহজ, সাশ্রয়ী এবং নির্ভরযোগ্য তা নিয়ে অনেকেই তথ্য খুঁজছেন।
মিডিয়া বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে বড় আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্ট সম্প্রচারের অধিকার সাধারণত জাতীয় টেলিভিশন নেটওয়ার্ক এবং স্ট্রিমিং সেবাগুলোর হাতে থাকে। ফলে দর্শকরা টেলিভিশনের পাশাপাশি অনলাইন স্ট্রিমিংয়ের মাধ্যমেও খেলা উপভোগ করতে পারেন। অনেক ক্ষেত্রেই নতুন গ্রাহকদের জন্য সীমিত সময়ের ফ্রি ট্রায়াল সুবিধা দেওয়া হয়, যা ব্যবহার করে কিছু ম্যাচ বিনা খরচেও দেখা সম্ভব।
অন্যদিকে, প্রবাসী বাংলাদেশিদের একটি বড় অংশ এখনো বাংলা ধারাভাষ্য কিংবা বাংলাদেশি টেলিভিশন চ্যানেলের সম্প্রচারের প্রতি আগ্রহ দেখান। তবে সম্প্রচারস্বত্বজনিত সীমাবদ্ধতার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে সব আন্তর্জাতিক চ্যানেল সরাসরি দেখা সম্ভব হয় না। এ পরিস্থিতিতে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা দর্শকদের বৈধ স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন।
কমিউনিটি নেতারা বলছেন, বিশ্বকাপ শুধু একটি ক্রীড়া আসর নয়; এটি প্রবাসীদের মধ্যে সামাজিক বন্ধনও দৃঢ় করে। খেলা উপলক্ষে পরিবার, বন্ধু এবং কমিউনিটির সদস্যরা একত্রিত হওয়ার সুযোগ পান। বিভিন্ন সংগঠন বিশ্বকাপ ঘিরে তহবিল সংগ্রহ ও সামাজিক মিলনমেলার আয়োজনের মাধ্যমে এই উন্মাদনাকে আরও বিস্তৃত করে তোলে
মিশিগানের বাংলাদেশি ফুটবলপ্রেমী ফয়ছল আহমদ বলেন, “বিশ্বকাপ এলেই মনে হয় যেন দেশে ফিরে গেছি। রাত জেগে খেলা দেখা, বন্ধুদের সঙ্গে তর্ক-বিতর্ক, প্রিয় দলের জয়-পরাজয়সবকিছুই অন্যরকম অনুভূতি দেয়।”
আরেক প্রবাসী নূর মোহাম্মদ জানান, “এখন সবচেয়ে বেশি জানতে চাই কোন প্ল্যাটফর্মে খেলা দেখব এবং খরচ কত হবে। পরিবারের সবাই মিলে পুরো বিশ্বকাপ উপভোগ করার পরিকল্পনা করছি।”
বিশ্বকাপকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বাংলা ভাষাভাষী ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর জানার আগ্রহ—আমেরিকায় বসে সবচেয়ে সহজ ও সাশ্রয়ী উপায়ে বিশ্বকাপের খেলা কোথায় দেখা যাবে? আগামী দিনগুলোতে বিভিন্ন সম্প্রচারমাধ্যম ও স্ট্রিমিং সেবার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দর্শকদের প্রস্তুতিও আরও জোরদার হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তিন দেশের ১৬টি ভেন্যুতে ৩৯ দিনব্যাপী চলবে এই মহাযজ্ঞ। টুর্নামেন্টে মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে, যা আগের যেকোনো বিশ্বকাপের তুলনায় সর্বাধিক।
আগামী ১৯ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে অবস্থিত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনাল ম্যাচের মাধ্যমে পর্দা নামবে ফুটবল বিশ্বের এই মহারণের। বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর নজর থাকবে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা এই প্রতীক্ষিত আসরের দিকে।
এদিকে বিশ্বকাপ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলা ভাষাভাষী ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উচ্ছ্বাস। মিশিগানসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ইতোমধ্যে খেলা দেখার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকদের ঐতিহ্যবাহী প্রতিদ্বন্দ্বিতাও নতুন করে প্রাণ পেয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিশ্বকাপ নিয়ে আলোচনা ও দল সমর্থনের উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে।
বিশেষ করে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে পুরোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা আবারও নতুন করে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে। বিভিন্ন শহরে খেলা দেখার জন্য বড় পর্দার আয়োজন, কমিউনিটি সেন্টারে সমবেত দর্শন এবং পরিবারভিত্তিক ওয়াচ পার্টির প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। তবে উচ্ছ্বাসের পাশাপাশি একটি প্রশ্নও ঘুরপাক খাচ্ছে প্রবাসীদের মনে আমেরিকায় বসে বিশ্বকাপের খেলা কোথায় এবং কীভাবে দেখা যাবে?
প্রযুক্তিনির্ভর বর্তমান সময়ে দর্শকদের সামনে রয়েছে একাধিক বিকল্প। কেবল টেলিভিশন, স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম, স্মার্ট টিভি অ্যাপ কিংবা মোবাইল ডিভাইসের মাধ্যমে খেলা দেখার সুযোগ থাকলেও কোনটি সবচেয়ে সহজ, সাশ্রয়ী এবং নির্ভরযোগ্য তা নিয়ে অনেকেই তথ্য খুঁজছেন।
মিডিয়া বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে বড় আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্ট সম্প্রচারের অধিকার সাধারণত জাতীয় টেলিভিশন নেটওয়ার্ক এবং স্ট্রিমিং সেবাগুলোর হাতে থাকে। ফলে দর্শকরা টেলিভিশনের পাশাপাশি অনলাইন স্ট্রিমিংয়ের মাধ্যমেও খেলা উপভোগ করতে পারেন। অনেক ক্ষেত্রেই নতুন গ্রাহকদের জন্য সীমিত সময়ের ফ্রি ট্রায়াল সুবিধা দেওয়া হয়, যা ব্যবহার করে কিছু ম্যাচ বিনা খরচেও দেখা সম্ভব।
অন্যদিকে, প্রবাসী বাংলাদেশিদের একটি বড় অংশ এখনো বাংলা ধারাভাষ্য কিংবা বাংলাদেশি টেলিভিশন চ্যানেলের সম্প্রচারের প্রতি আগ্রহ দেখান। তবে সম্প্রচারস্বত্বজনিত সীমাবদ্ধতার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে সব আন্তর্জাতিক চ্যানেল সরাসরি দেখা সম্ভব হয় না। এ পরিস্থিতিতে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা দর্শকদের বৈধ স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন।
কমিউনিটি নেতারা বলছেন, বিশ্বকাপ শুধু একটি ক্রীড়া আসর নয়; এটি প্রবাসীদের মধ্যে সামাজিক বন্ধনও দৃঢ় করে। খেলা উপলক্ষে পরিবার, বন্ধু এবং কমিউনিটির সদস্যরা একত্রিত হওয়ার সুযোগ পান। বিভিন্ন সংগঠন বিশ্বকাপ ঘিরে তহবিল সংগ্রহ ও সামাজিক মিলনমেলার আয়োজনের মাধ্যমে এই উন্মাদনাকে আরও বিস্তৃত করে তোলে
মিশিগানের বাংলাদেশি ফুটবলপ্রেমী ফয়ছল আহমদ বলেন, “বিশ্বকাপ এলেই মনে হয় যেন দেশে ফিরে গেছি। রাত জেগে খেলা দেখা, বন্ধুদের সঙ্গে তর্ক-বিতর্ক, প্রিয় দলের জয়-পরাজয়সবকিছুই অন্যরকম অনুভূতি দেয়।”
আরেক প্রবাসী নূর মোহাম্মদ জানান, “এখন সবচেয়ে বেশি জানতে চাই কোন প্ল্যাটফর্মে খেলা দেখব এবং খরচ কত হবে। পরিবারের সবাই মিলে পুরো বিশ্বকাপ উপভোগ করার পরিকল্পনা করছি।”
বিশ্বকাপকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বাংলা ভাষাভাষী ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর জানার আগ্রহ—আমেরিকায় বসে সবচেয়ে সহজ ও সাশ্রয়ী উপায়ে বিশ্বকাপের খেলা কোথায় দেখা যাবে? আগামী দিনগুলোতে বিভিন্ন সম্প্রচারমাধ্যম ও স্ট্রিমিং সেবার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দর্শকদের প্রস্তুতিও আরও জোরদার হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।