আটলান্টিক সিটি, ১৫ জুন : নিউ জার্সি রাজ্যের আটলান্টিক সিটি হাই স্কুলের কৃতি ছাত্রী আলফি নাশিয়া দ্বাদশ গ্রেডের চূড়ান্ত পরীক্ষায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে। সে তার অসামান্য কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ আইভি লীগের “ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়া”য় ভর্তির সুযোগ পেয়ে সবাইকে গর্বিত করেছে।
আলফি নাশিয়ার জন্ম যুক্তরাষ্ট্রে ২০০৭ সালে। তার বাবা মোঃ নাজিম উদ্দিন ও মা সাবিনা আক্তার কমিউনিটির পরিচিত মুখ। দুই বোনের মধ্যে আলফি নাশিয়া বড়। তাদের গ্রামের বাড়ি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার সুলতানপুর গ্রামে। সে রাউজানের প্রবীণ আইনজীবী আলহাজ্জ এডভোকেট নূর আহমেদ সাহেবের নাতনি।
ছোটবেলা থেকেই মেধাবী আলফি লেখাপড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সৃষ্টিশীল কাজে নিজেকে ব্যাপৃত রেখেছিল। অবসর সময়ে সে সিনেমা দেখতে ভালোবাসে। এছাড়াও ঘুরে বেড়ানো পছন্দ করে। সে অবসরে ছবি আঁকে এবং রান্নার নতুন নতুন রেসিপি শেখে। সে বিখ্যাত ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়াকে উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য বেছে নিয়েছে।
পেশাগত জীবনে তার ইচ্ছা ডাক্তার হওয়ার, আর তা হতে পারলে তার অদম্য বাসনা বাংলাদেশের গরীব-দুঃখী মানুষদের ফ্রি চিকিৎসা সেবা দেওয়া।
আলফির সবচেয়ে প্রিয় মানুষ তার বাবা-মা। তারা দুজনই তাকে নিঃস্বার্থভাবে ভালোবেসে সবসময় সমর্থন করে গেছেন। তার জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা স্কুলের শিক্ষকরা। তারা শুধু তাকে পড়াশোনায় উৎসাহ দেননি, বরং একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতেও সাহায্য করেছেন। তারা সবসময় তাকে তার সামর্থ্যের চেয়েও বেশি অর্জনের জন্য অনুপ্রাণিত করেছেন।
আলফি মনে করে সফলতার মূল চাবিকাঠি হলো দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি, অধ্যবসায় এবং আত্মনিয়ন্ত্রণ। একজন শিক্ষার্থীর জীবনে ব্যর্থতা ও চ্যালেঞ্জ আসবেই, কিন্তু সেই পরিস্থিতি থেকে উঠে দাঁড়ানোর জন্য প্রয়োজন প্রেরণা ও শৃঙ্খলা।
শিক্ষার্থীদের জন্য তার পরামর্শ হলো- ভালো ফলাফলের জন্য আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং সময় ব্যবস্থাপনার দক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পড়াশোনা, সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা অনেক সময় কঠিন হয়ে যায়। কিন্তু সঠিক পরিকল্পনা ও শৃঙ্খলা থাকলে সবকিছুই সফলভাবে পরিচালনা করা সম্ভব।
আলফির সালুটেটোরিয়ান হিসেবে দ্বাদশ শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া এবং “ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়া”য় ভর্তি হওয়া তার জন্য এক বিশাল সম্মান ও গর্বের বিষয়। সে মনে করে তার এই অর্জনের মাধ্যমে সে বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রতিনিধিত্ব করতে পেরেছে। ভবিষ্যতেও সে যেন পরিবার, কমিউনিটি এবং দেশকে গর্বিত করার মতো কাজ করে যেতে পারে সেজন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছে।
আলফি নাশিয়ার জন্ম যুক্তরাষ্ট্রে ২০০৭ সালে। তার বাবা মোঃ নাজিম উদ্দিন ও মা সাবিনা আক্তার কমিউনিটির পরিচিত মুখ। দুই বোনের মধ্যে আলফি নাশিয়া বড়। তাদের গ্রামের বাড়ি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার সুলতানপুর গ্রামে। সে রাউজানের প্রবীণ আইনজীবী আলহাজ্জ এডভোকেট নূর আহমেদ সাহেবের নাতনি।
ছোটবেলা থেকেই মেধাবী আলফি লেখাপড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সৃষ্টিশীল কাজে নিজেকে ব্যাপৃত রেখেছিল। অবসর সময়ে সে সিনেমা দেখতে ভালোবাসে। এছাড়াও ঘুরে বেড়ানো পছন্দ করে। সে অবসরে ছবি আঁকে এবং রান্নার নতুন নতুন রেসিপি শেখে। সে বিখ্যাত ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়াকে উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য বেছে নিয়েছে।
পেশাগত জীবনে তার ইচ্ছা ডাক্তার হওয়ার, আর তা হতে পারলে তার অদম্য বাসনা বাংলাদেশের গরীব-দুঃখী মানুষদের ফ্রি চিকিৎসা সেবা দেওয়া।
আলফির সবচেয়ে প্রিয় মানুষ তার বাবা-মা। তারা দুজনই তাকে নিঃস্বার্থভাবে ভালোবেসে সবসময় সমর্থন করে গেছেন। তার জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা স্কুলের শিক্ষকরা। তারা শুধু তাকে পড়াশোনায় উৎসাহ দেননি, বরং একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতেও সাহায্য করেছেন। তারা সবসময় তাকে তার সামর্থ্যের চেয়েও বেশি অর্জনের জন্য অনুপ্রাণিত করেছেন।
আলফি মনে করে সফলতার মূল চাবিকাঠি হলো দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি, অধ্যবসায় এবং আত্মনিয়ন্ত্রণ। একজন শিক্ষার্থীর জীবনে ব্যর্থতা ও চ্যালেঞ্জ আসবেই, কিন্তু সেই পরিস্থিতি থেকে উঠে দাঁড়ানোর জন্য প্রয়োজন প্রেরণা ও শৃঙ্খলা।
শিক্ষার্থীদের জন্য তার পরামর্শ হলো- ভালো ফলাফলের জন্য আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং সময় ব্যবস্থাপনার দক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পড়াশোনা, সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা অনেক সময় কঠিন হয়ে যায়। কিন্তু সঠিক পরিকল্পনা ও শৃঙ্খলা থাকলে সবকিছুই সফলভাবে পরিচালনা করা সম্ভব।
আলফির সালুটেটোরিয়ান হিসেবে দ্বাদশ শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া এবং “ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়া”য় ভর্তি হওয়া তার জন্য এক বিশাল সম্মান ও গর্বের বিষয়। সে মনে করে তার এই অর্জনের মাধ্যমে সে বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রতিনিধিত্ব করতে পেরেছে। ভবিষ্যতেও সে যেন পরিবার, কমিউনিটি এবং দেশকে গর্বিত করার মতো কাজ করে যেতে পারে সেজন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছে।