কার্ডিফ, ১৫ জুন : ইসলামে হালাল খাবার হলো সেই সব খাদ্য, যা কোরআন ও হাদিসে নিষিদ্ধ করা হয়নি, যা পবিত্র ও উপকারী, গনতন্ত্রের মাতৃভূমি নামে খ্যাত মাল্টিন্যাশনাল ও মাল্টিমিডিয়া এবং বহুসংস্কৃতির শহর বৃটেনের ওয়েলস এর রাজধানী কার্ডিফ শহরে গত ১৩ ও ১৪ জুন শনি ও রোববার দু'দিনব্যাপি আনন্দঘন ও উৎসবমূখর পরিবেশে প্রতিবছরের মতো চতুর্থবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে বিগ-হালাল ফুড ফেস্টিভ্যাল ২০২৬।
ফুড ফেস্টিভ্যাল এর ফাউন্ডার্স ওয়েলস বাংলাদেশ ইয়ুথ সোসাইটির কো-অর্ডিনেটর সাজ হারিছ ও তাঁর টিমের সার্বিক ব্যাবস্থাপনায় আয়োজিত এই বহুসাংস্কৃতিক ও বহুজাতিক নগরী কার্ডিফের -বে ওয়েলস মেলোনিয়াম সেন্টারে আয়োজিত এ উৎসব স্বাদ, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির এক অনন্য মিলনমেলায় পরিণত হয়।
মুসলিম জনগোষ্ঠীর জীবনাচার, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি বৃহত্তর সমাজের সামনে তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী এ ফেস্টিভ্যালে ছিল বিভিন্ন দেশের ঐতিহ্যবাহী খাবারের সমাহার, রকমারি স্টল এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের মনোমুগ্ধকর উপস্থাপনা। উৎসবে অংশগ্রহণকারীরা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের সুস্বাদু রান্নার স্বাদ উপভোগ করার পাশাপাশি পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা বিনিময় করেন।
ফেস্টিভ্যালে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের কেন্দ্রীয় কনভেনার ও ইউকে বিডি টিভির চেয়ারম্যান সিনিয়র সাংবাদিক ও কমিউনিটি লিডার মোহাম্মদ মকিস মনসুর সহ বিভিন্ন শহর থেকে আগত আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা আয়োজকদের এ ব্যতিক্রমী উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং এমন আয়োজন কমিউনিটিগুলোর মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে মন্তব্য করেন।
বিগ-হালাল ফুড ফেস্টিভ্যালের প্রধান আয়োজক ও ওয়েলস বাংলাদেশ ইয়ুথ সোসাইটির কো-অর্ডিনেটর সাজ হারিছ সফল আয়োজনের জন্য সহযোগিতাকারী সকল ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, কমিউনিটির ব্যাপক সাড়া ও অংশগ্রহণের কারণে উৎসবটি সফল হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ আয়োজন আরও বৃহত্তর পরিসরে নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
উৎসবজুড়ে ছিল প্রাণচাঞ্চল্যপূর্ণ পরিবেশ, বিপুল দর্শনার্থীর উপস্থিতি এবং নানা সংস্কৃতির মানুষের মিলন, যা কার্ডিফের বহুসাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।
গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র কেন্দ্রীয় কনভেনার এবং কচুয়া আল-মনসুর ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট অব মৌলভীবাজার-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, কমিউনিটি লিডার মোহাম্মদ মকিস মনসুর বলেন, বিভিন্ন শহর থেকে আগত অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে প্রতিবছরের মতো এবারও বৃহৎ পরিসরে হালাল খাবার উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। যুব সংগঠক সাজ হারিছের টিমের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই উৎসবটি কেবল বাংলাদেশি ও মুসলিম কমিউনিটির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং বিভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষকে একই প্ল্যাটফর্মে এনে হালাল খাবারের স্বাদ গ্রহণের সুযোগ করে দিয়েছে।
তিনি বলেন, এই আয়োজন বিভিন্ন কমিউনিটির মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ঐক্যের এক অনন্য বন্ধন সৃষ্টি করেছে। এমন আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য যে, বিগ-হালাল ফুড ফেস্টিভ্যাল হলো বৃটেনের কার্ডিফের একটি বার্ষিক খাদ্য উৎসব, যেখানে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক হালাল রেস্তোরাঁ, ফুড ট্রাক এবং শেফদের তৈরি সুস্বাদু খাবার পরিবেশন করা হয়। এই ইভেন্টে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন সংস্কৃতির হালাল ডিশ যেমন বাংলাদেশি, ইন্ডিয়ান কুজিন, পাকিস্তানি, আরবি, তুর্কি, দক্ষিণ এশিয়, উত্তর আফ্রিকান, এবং কানাডিয়ান ফিউজন হালাল খাবারের প্রেমিকরা একত্রিত হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের রান্নার স্বাদ উপভোগ করেন।
এছাড়া মেলায় বিভিন্ন রকমারী স্টল, পারিবারিক বন্ধন জোরদার করার সুযোগ এবং শিশুদের জন্য গেমস ও ক্রিয়েটিভ ওয়ার্কশপের আয়োজন ছিল। পাশাপাশি হস্তশিল্প ও ইসলামিক ক্যালিগ্রাফি প্রদর্শনী দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ফেস্টিভ্যালের একটি অংশে দান কার্যক্রম এবং স্থানীয় চ্যারিটিকে সহায়তার উদ্যোগও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
ফুড ফেস্টিভ্যাল এর ফাউন্ডার্স ওয়েলস বাংলাদেশ ইয়ুথ সোসাইটির কো-অর্ডিনেটর সাজ হারিছ ও তাঁর টিমের সার্বিক ব্যাবস্থাপনায় আয়োজিত এই বহুসাংস্কৃতিক ও বহুজাতিক নগরী কার্ডিফের -বে ওয়েলস মেলোনিয়াম সেন্টারে আয়োজিত এ উৎসব স্বাদ, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির এক অনন্য মিলনমেলায় পরিণত হয়।
মুসলিম জনগোষ্ঠীর জীবনাচার, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি বৃহত্তর সমাজের সামনে তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী এ ফেস্টিভ্যালে ছিল বিভিন্ন দেশের ঐতিহ্যবাহী খাবারের সমাহার, রকমারি স্টল এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের মনোমুগ্ধকর উপস্থাপনা। উৎসবে অংশগ্রহণকারীরা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের সুস্বাদু রান্নার স্বাদ উপভোগ করার পাশাপাশি পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা বিনিময় করেন।
ফেস্টিভ্যালে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের কেন্দ্রীয় কনভেনার ও ইউকে বিডি টিভির চেয়ারম্যান সিনিয়র সাংবাদিক ও কমিউনিটি লিডার মোহাম্মদ মকিস মনসুর সহ বিভিন্ন শহর থেকে আগত আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা আয়োজকদের এ ব্যতিক্রমী উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং এমন আয়োজন কমিউনিটিগুলোর মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে মন্তব্য করেন।
বিগ-হালাল ফুড ফেস্টিভ্যালের প্রধান আয়োজক ও ওয়েলস বাংলাদেশ ইয়ুথ সোসাইটির কো-অর্ডিনেটর সাজ হারিছ সফল আয়োজনের জন্য সহযোগিতাকারী সকল ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, কমিউনিটির ব্যাপক সাড়া ও অংশগ্রহণের কারণে উৎসবটি সফল হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ আয়োজন আরও বৃহত্তর পরিসরে নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
উৎসবজুড়ে ছিল প্রাণচাঞ্চল্যপূর্ণ পরিবেশ, বিপুল দর্শনার্থীর উপস্থিতি এবং নানা সংস্কৃতির মানুষের মিলন, যা কার্ডিফের বহুসাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।
গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র কেন্দ্রীয় কনভেনার এবং কচুয়া আল-মনসুর ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট অব মৌলভীবাজার-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, কমিউনিটি লিডার মোহাম্মদ মকিস মনসুর বলেন, বিভিন্ন শহর থেকে আগত অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে প্রতিবছরের মতো এবারও বৃহৎ পরিসরে হালাল খাবার উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। যুব সংগঠক সাজ হারিছের টিমের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই উৎসবটি কেবল বাংলাদেশি ও মুসলিম কমিউনিটির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং বিভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষকে একই প্ল্যাটফর্মে এনে হালাল খাবারের স্বাদ গ্রহণের সুযোগ করে দিয়েছে।
তিনি বলেন, এই আয়োজন বিভিন্ন কমিউনিটির মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ঐক্যের এক অনন্য বন্ধন সৃষ্টি করেছে। এমন আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য যে, বিগ-হালাল ফুড ফেস্টিভ্যাল হলো বৃটেনের কার্ডিফের একটি বার্ষিক খাদ্য উৎসব, যেখানে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক হালাল রেস্তোরাঁ, ফুড ট্রাক এবং শেফদের তৈরি সুস্বাদু খাবার পরিবেশন করা হয়। এই ইভেন্টে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন সংস্কৃতির হালাল ডিশ যেমন বাংলাদেশি, ইন্ডিয়ান কুজিন, পাকিস্তানি, আরবি, তুর্কি, দক্ষিণ এশিয়, উত্তর আফ্রিকান, এবং কানাডিয়ান ফিউজন হালাল খাবারের প্রেমিকরা একত্রিত হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের রান্নার স্বাদ উপভোগ করেন।
এছাড়া মেলায় বিভিন্ন রকমারী স্টল, পারিবারিক বন্ধন জোরদার করার সুযোগ এবং শিশুদের জন্য গেমস ও ক্রিয়েটিভ ওয়ার্কশপের আয়োজন ছিল। পাশাপাশি হস্তশিল্প ও ইসলামিক ক্যালিগ্রাফি প্রদর্শনী দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ফেস্টিভ্যালের একটি অংশে দান কার্যক্রম এবং স্থানীয় চ্যারিটিকে সহায়তার উদ্যোগও অন্তর্ভুক্ত ছিল।