আটলান্টিক সিটি, ১৬ জুন : নিউজার্সি অঙ্গরাজ্যের আটলান্টিক সিটিতে পুরুষোত্তম মাস উপলক্ষে গতকাল সোমবার এক ধর্মসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ওইদিন সন্ধ্যায় আটলান্টিক সিটির ১৪১১, পেনরোজ এভিনিউর প্রার্থনা হলে অনুষ্ঠিত ধর্মসভার বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে ছিল ধর্মীয় আলোচনা, মালা জপ, সমবেত প্রার্থনা, ভজন, কীর্তন ইত্যাদি।
ধর্মসভায় পশ্চিম ভার্জিনিয়াস্থ নতুন বৃন্দাবনের ব্রম্মচারি লক্ষন দাস উপস্থিত থেকে কৃষ্ণভক্তদের কৃতার্থ করেন এবং পুরুষোত্তম মাসের তাৎপর্য তুলে ধরেন।
হিন্দু পঞ্জিকা বা চান্দ্রবর্ষ অনুযায়ী প্রতি ৩২-৩৩ মাস অন্তর একটি অতিরিক্ত ত্রয়োদশ মাস যোগ হয়, যা পুরুষোত্তম মাস নামে পরিচিত। চন্দ্র ও সৌর বছরের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষায় এই মাসটি আসে। ভগবান বিষ্ণুর নামে উৎসর্গীকৃত এই মাসটি আধ্যাত্মিক সাধনা, উপবাস এবং দান-দক্ষিণার জন্য অত্যন্ত পবিত্র বলে মনে করা হয়।
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, পুরুষোত্তম মাসে যদি কেউ আন্তরিকভাবে রাধা এবং কৃষ্ণের পূজা করে, তবে সে যা চায় তা অর্জন করবে। যে পুরুষোত্তম ব্রত পালন করে সে তার সমস্ত খারাপ কর্মের প্রতিক্রিয়া পুড়িয়ে ফেলবে এবং রাধা এবং কৃষ্ণের সরাসরি সেবা লাভ করবে। পুরুষোত্তম মাস সমস্ত আধ্যাত্মিক উন্নতির জন্য সেরা মাস কারণ কৃষ্ণ সমস্ত অপ্রধানদের উপেক্ষা করে। পুরুষোত্তম মাসে পবিত্র ধামে বাস করলে এক হাজার গুণ লাভ হয়।
ধর্মসভায় সম্মিলিত কন্ঠে ধ্বনিত-প্রতিধ্বনিত হতে থাকে ‘হরে কৃষ্ণ, হরে কৃষ্ণ, হরে রাম, হরে রাম’, আর তা অপূর্ব এক সুর মূর্ছনার সৃষ্টি করে।
কৃষ্ণভক্ত সুমন মজুমদার, তৃপ্তি সরকার, প্রদীপ দে, দীপংকর মিত্র, গংগা সাহা, সজল চক্রবর্তী, মেরি দে, দীপা দে জয়া, রানা দাশ,ক্ষমা সরকার ,সুনীল দাশ, বিউটি দাশ,সুমি মজুমদার, সোমা বিশ্বাস প্রমুখ ধর্মসভার বিভিন্ন পর্বে অংশগ্রহণ করেন।
ধর্মসভায় অংশগ্রহনকারী ভক্তবৃন্দের সম্মিলিত কোরাসে হরিনাম সংকীর্তনের সুললিত সুর,‘হরে কৃষ্ণ, হরে কৃষ্ণ, হরে রাম, হরে রাম’ এ অদ্ভুত এক ভালো লাগায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে সবার মনপ্রাণ। ধর্মসভা শেষে ধর্মসভায় অংশগ্রহনকারীদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।
ওইদিন সন্ধ্যায় আটলান্টিক সিটির ১৪১১, পেনরোজ এভিনিউর প্রার্থনা হলে অনুষ্ঠিত ধর্মসভার বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে ছিল ধর্মীয় আলোচনা, মালা জপ, সমবেত প্রার্থনা, ভজন, কীর্তন ইত্যাদি।
ধর্মসভায় পশ্চিম ভার্জিনিয়াস্থ নতুন বৃন্দাবনের ব্রম্মচারি লক্ষন দাস উপস্থিত থেকে কৃষ্ণভক্তদের কৃতার্থ করেন এবং পুরুষোত্তম মাসের তাৎপর্য তুলে ধরেন।
হিন্দু পঞ্জিকা বা চান্দ্রবর্ষ অনুযায়ী প্রতি ৩২-৩৩ মাস অন্তর একটি অতিরিক্ত ত্রয়োদশ মাস যোগ হয়, যা পুরুষোত্তম মাস নামে পরিচিত। চন্দ্র ও সৌর বছরের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষায় এই মাসটি আসে। ভগবান বিষ্ণুর নামে উৎসর্গীকৃত এই মাসটি আধ্যাত্মিক সাধনা, উপবাস এবং দান-দক্ষিণার জন্য অত্যন্ত পবিত্র বলে মনে করা হয়।
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, পুরুষোত্তম মাসে যদি কেউ আন্তরিকভাবে রাধা এবং কৃষ্ণের পূজা করে, তবে সে যা চায় তা অর্জন করবে। যে পুরুষোত্তম ব্রত পালন করে সে তার সমস্ত খারাপ কর্মের প্রতিক্রিয়া পুড়িয়ে ফেলবে এবং রাধা এবং কৃষ্ণের সরাসরি সেবা লাভ করবে। পুরুষোত্তম মাস সমস্ত আধ্যাত্মিক উন্নতির জন্য সেরা মাস কারণ কৃষ্ণ সমস্ত অপ্রধানদের উপেক্ষা করে। পুরুষোত্তম মাসে পবিত্র ধামে বাস করলে এক হাজার গুণ লাভ হয়।
ধর্মসভায় সম্মিলিত কন্ঠে ধ্বনিত-প্রতিধ্বনিত হতে থাকে ‘হরে কৃষ্ণ, হরে কৃষ্ণ, হরে রাম, হরে রাম’, আর তা অপূর্ব এক সুর মূর্ছনার সৃষ্টি করে।
কৃষ্ণভক্ত সুমন মজুমদার, তৃপ্তি সরকার, প্রদীপ দে, দীপংকর মিত্র, গংগা সাহা, সজল চক্রবর্তী, মেরি দে, দীপা দে জয়া, রানা দাশ,ক্ষমা সরকার ,সুনীল দাশ, বিউটি দাশ,সুমি মজুমদার, সোমা বিশ্বাস প্রমুখ ধর্মসভার বিভিন্ন পর্বে অংশগ্রহণ করেন।
ধর্মসভায় অংশগ্রহনকারী ভক্তবৃন্দের সম্মিলিত কোরাসে হরিনাম সংকীর্তনের সুললিত সুর,‘হরে কৃষ্ণ, হরে কৃষ্ণ, হরে রাম, হরে রাম’ এ অদ্ভুত এক ভালো লাগায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে সবার মনপ্রাণ। ধর্মসভা শেষে ধর্মসভায় অংশগ্রহনকারীদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।