স্টার্লিং হাইটস, ১৬ জুন : ২০২৩ সালে নিজের প্রেমিকাকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় স্টার্লিং হাইটসের এক ব্যক্তিকে প্রথম-মাত্রার হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
ম্যাকম্ব কাউন্টির প্রসিকিউটর পিটার লুসিডো জানান, দুই সপ্তাহব্যাপী বিচার শেষে শুক্রবার মার্টিন ইয়োস্টকে (৪৫) ফার্স্ট-ডিগ্রি মার্ডারের দায়ে দোষী ঘোষণা করেন জুরি সদস্যরা। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তার সাজা ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়েছে ২৮ জুলাই। এ অপরাধে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।
ইয়োস্টের আইনজীবী জর্ডান জুপকে ও কার্লি বাবি সোমবার এক ইমেইল বার্তায় জানান, তাদের মক্কেল দোষী সাব্যস্ত হওয়ার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন। সাজা ঘোষণার আগে এ বিষয়ে তারা আর কোনো মন্তব্য করবেন না বলেও জানান।
প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১৩ নভেম্বর ইয়োস্ট তার ৪৫ বছর বয়সী প্রেমিকা ধোয়া লাওকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করেন। লাও ওয়ারেনের বাসিন্দা ছিলেন এবং তার দুই মেয়ে রয়েছে। অভিযুক্তের সঙ্গে তাদের কোনো পারিবারিক সম্পর্ক ছিল না।
ঘটনার পর রোজভিল পুলিশ ইন্টারস্টেট-৯৪ সংলগ্ন গ্রাটিওট অ্যাভিনিউ এলাকায় একটি গাড়ির ভেতর ইয়োস্ট ও লাওকে খুঁজে পায়। তদন্তের একপর্যায়ে ইয়োস্টকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরে তার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়।
প্রসিকিউটরদের তথ্যমতে, ২০২৩ সালের ১৩ নভেম্বর রাত প্রায় ১১টা ১৫ মিনিটে একটি অচল গাড়ির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে। সেখানে মার্টিন ইয়োস্টকে চালকের আসনে এবং ধোয়া লাওকে যাত্রীর আসনে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। কর্তৃপক্ষ জানায়, লাওয়ের মাথা ও মুখে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল। গ্রেপ্তারের কয়েক দিনের মধ্যেই ইয়োস্টের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়।
রায়ের পর এক বিবৃতিতে ম্যাকম্ব কাউন্টির প্রসিকিউটর পিটার লুসিডো বলেন, “এটি পারিবারিক সহিংসতার ভয়াবহ ও মর্মান্তিক পরিণতির একটি স্পষ্ট উদাহরণ। এই মামলায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রথম-মাত্রার হত্যাকাণ্ডসহ আনীত অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়া সরকারি কৌঁসুলি, তদন্তকারী কর্মকর্তা এবং ভুক্তভোগীর পরিবারের জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দৃঢ় প্রচেষ্টার প্রতিফলন।”
তিনি আরও বলেন, “কোনো রায়ই ভুক্তভোগীর পরিবারের অপূরণীয় ক্ষতি পূরণ করতে পারে না। তবে আমরা আশা করি, এই রায় তাদের কিছুটা হলেও মানসিক স্বস্তি ও শান্তি দেবে। আমাদের কার্যালয় পারিবারিক সহিংসতার সব ভুক্তভোগীর জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
পারিবারিক সহিংসতার শিকার বা ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের জরুরি প্রয়োজনে ৯১১ নম্বরে বা স্থানীয় পুলিশ বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এছাড়া সহায়তার জন্য ন্যাশনাল ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স হটলাইনের ৮০০-৭৯৯-৭২৩৩ নম্বরে ফোন করা, thehotline.org ওয়েবসাইটে যেতে পারেন অথবা 'টার্নিং পয়েন্ট'-এর (586) 463-6990 নম্বরে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
Source & Photo: http://detroitnews.com
ম্যাকম্ব কাউন্টির প্রসিকিউটর পিটার লুসিডো জানান, দুই সপ্তাহব্যাপী বিচার শেষে শুক্রবার মার্টিন ইয়োস্টকে (৪৫) ফার্স্ট-ডিগ্রি মার্ডারের দায়ে দোষী ঘোষণা করেন জুরি সদস্যরা। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তার সাজা ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়েছে ২৮ জুলাই। এ অপরাধে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।
ইয়োস্টের আইনজীবী জর্ডান জুপকে ও কার্লি বাবি সোমবার এক ইমেইল বার্তায় জানান, তাদের মক্কেল দোষী সাব্যস্ত হওয়ার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন। সাজা ঘোষণার আগে এ বিষয়ে তারা আর কোনো মন্তব্য করবেন না বলেও জানান।
প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১৩ নভেম্বর ইয়োস্ট তার ৪৫ বছর বয়সী প্রেমিকা ধোয়া লাওকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করেন। লাও ওয়ারেনের বাসিন্দা ছিলেন এবং তার দুই মেয়ে রয়েছে। অভিযুক্তের সঙ্গে তাদের কোনো পারিবারিক সম্পর্ক ছিল না।
ঘটনার পর রোজভিল পুলিশ ইন্টারস্টেট-৯৪ সংলগ্ন গ্রাটিওট অ্যাভিনিউ এলাকায় একটি গাড়ির ভেতর ইয়োস্ট ও লাওকে খুঁজে পায়। তদন্তের একপর্যায়ে ইয়োস্টকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরে তার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়।
প্রসিকিউটরদের তথ্যমতে, ২০২৩ সালের ১৩ নভেম্বর রাত প্রায় ১১টা ১৫ মিনিটে একটি অচল গাড়ির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে। সেখানে মার্টিন ইয়োস্টকে চালকের আসনে এবং ধোয়া লাওকে যাত্রীর আসনে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। কর্তৃপক্ষ জানায়, লাওয়ের মাথা ও মুখে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল। গ্রেপ্তারের কয়েক দিনের মধ্যেই ইয়োস্টের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়।
রায়ের পর এক বিবৃতিতে ম্যাকম্ব কাউন্টির প্রসিকিউটর পিটার লুসিডো বলেন, “এটি পারিবারিক সহিংসতার ভয়াবহ ও মর্মান্তিক পরিণতির একটি স্পষ্ট উদাহরণ। এই মামলায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রথম-মাত্রার হত্যাকাণ্ডসহ আনীত অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়া সরকারি কৌঁসুলি, তদন্তকারী কর্মকর্তা এবং ভুক্তভোগীর পরিবারের জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দৃঢ় প্রচেষ্টার প্রতিফলন।”
তিনি আরও বলেন, “কোনো রায়ই ভুক্তভোগীর পরিবারের অপূরণীয় ক্ষতি পূরণ করতে পারে না। তবে আমরা আশা করি, এই রায় তাদের কিছুটা হলেও মানসিক স্বস্তি ও শান্তি দেবে। আমাদের কার্যালয় পারিবারিক সহিংসতার সব ভুক্তভোগীর জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
পারিবারিক সহিংসতার শিকার বা ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের জরুরি প্রয়োজনে ৯১১ নম্বরে বা স্থানীয় পুলিশ বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এছাড়া সহায়তার জন্য ন্যাশনাল ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স হটলাইনের ৮০০-৭৯৯-৭২৩৩ নম্বরে ফোন করা, thehotline.org ওয়েবসাইটে যেতে পারেন অথবা 'টার্নিং পয়েন্ট'-এর (586) 463-6990 নম্বরে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
Source & Photo: http://detroitnews.com