নিউইয়র্ক, ২৫ জুন : আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “তারা বলে দেশে কোনো আওয়ামী লীগ নেই। তাহলে আওয়ামী লীগকে নিয়ে এত ভয় কেন? আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনকে এতটাই ভয় পেয়েছে যে সারা দেশে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।” তিনি যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দলের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটস এলাকার নবান্ন পার্টি সেন্টারে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড. সিদ্দিকুর রহমান এবং সঞ্চালনা করেন আব্দুস সামাদ আজাদ। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন,সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল,বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত সিকদার,ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক হুইপ নজরুল ইসলাম বাবু,বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সাবেক সাংসদ ফরিদা ইয়াসমিন,বিশিষ্ট সাংবাদিক শাবান মাহমুদ।
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগ ও নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এবং মহিলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ, কৃষক লীগ ও ছাত্রলীগের সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির সূচনা হয় নবান্ন পার্টি সেন্টারের বাইরে বেলুন উড়িয়ে।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে আলোচনা সভা শুরুর আগে বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিলসহকারে পার্টি সেন্টারে উপস্থিত হন। এতে হলরুম কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে এবং উপস্থিত নেতাকর্মীদের স্লোগানে পুরো পরিবেশ মুখরিত হয়ে ওঠে।
এ সময় জনসমাগমের একটি অংশ নবান্ন পার্টি সেন্টারের বাইরে জ্যাকসন হাইটসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিছিল করেন। মিছিলের কারণে রাস্তায় সাময়িক যানজটের সৃষ্টি হলে পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপে মিছিলকারীরা ফুটপাথে সরে গেলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। পরে মিছিলটি পুনরায় নবান্ন পার্টি সেন্টারের সামনে এসে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে মুক্তিযুদ্ধসহ সব শহীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়। পরে কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা কারী মঈনুদ্দীন। অনুষ্ঠানস্থলে বড় আকারের ডিজিটাল ব্যানার স্থাপন করা হয় এবং মঞ্চে কোনো বসার আসন রাখা হয়নি।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রধান আকর্ষণ ছিল আওয়ামী লীগ সভাপতির ভার্চুয়াল বক্তব্য। বক্তব্যে তিনি প্রবাসী নেতাকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, “দেশের অসহায় ও নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।”
তিনি আরও বলেন, “দেশে এখন লুটপাট চলছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পরও কোনো বাস্তব পরিবর্তন আসেনি, শুধু ব্যক্তির পরিবর্তন হয়েছে। আগের মতোই খুন-নির্যাতন অব্যাহত রয়েছে। সাধারণ মানুষ আজ চরম কষ্টে দিন কাটাচ্ছে।” সাবেক প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, তার সরকারের সময় সাধারণ মানুষের জন্য বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা সহ বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি চালু ছিল, যা বর্তমানে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অবিলম্বে আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে এবং দলের সকল ‘রাজবন্দী’কে মুক্তি দিতে হবে।
সভায় নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা মাসুদুল হাসান, নিউইর্য়ক স্টেট আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শাহীন আজমল, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুর রহমান রফিক, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক শেখ শফিকুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ইকবাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ কিবরিয়া জামান, মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজ শাহনাজ,যু বলীগের সভাপতি সেবুল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান চৌধুরী, ছাত্রলীগের সভাপতি হাসান মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক হৃদয় মিয়া প্রমুখ।
সবশেষে বিশিষ্ট শিল্পীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটস এলাকার নবান্ন পার্টি সেন্টারে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড. সিদ্দিকুর রহমান এবং সঞ্চালনা করেন আব্দুস সামাদ আজাদ। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন,সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল,বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত সিকদার,ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক হুইপ নজরুল ইসলাম বাবু,বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সাবেক সাংসদ ফরিদা ইয়াসমিন,বিশিষ্ট সাংবাদিক শাবান মাহমুদ।
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগ ও নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এবং মহিলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ, কৃষক লীগ ও ছাত্রলীগের সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির সূচনা হয় নবান্ন পার্টি সেন্টারের বাইরে বেলুন উড়িয়ে।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে আলোচনা সভা শুরুর আগে বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিলসহকারে পার্টি সেন্টারে উপস্থিত হন। এতে হলরুম কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে এবং উপস্থিত নেতাকর্মীদের স্লোগানে পুরো পরিবেশ মুখরিত হয়ে ওঠে।
এ সময় জনসমাগমের একটি অংশ নবান্ন পার্টি সেন্টারের বাইরে জ্যাকসন হাইটসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিছিল করেন। মিছিলের কারণে রাস্তায় সাময়িক যানজটের সৃষ্টি হলে পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপে মিছিলকারীরা ফুটপাথে সরে গেলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। পরে মিছিলটি পুনরায় নবান্ন পার্টি সেন্টারের সামনে এসে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে মুক্তিযুদ্ধসহ সব শহীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়। পরে কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা কারী মঈনুদ্দীন। অনুষ্ঠানস্থলে বড় আকারের ডিজিটাল ব্যানার স্থাপন করা হয় এবং মঞ্চে কোনো বসার আসন রাখা হয়নি।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রধান আকর্ষণ ছিল আওয়ামী লীগ সভাপতির ভার্চুয়াল বক্তব্য। বক্তব্যে তিনি প্রবাসী নেতাকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, “দেশের অসহায় ও নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।”
তিনি আরও বলেন, “দেশে এখন লুটপাট চলছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পরও কোনো বাস্তব পরিবর্তন আসেনি, শুধু ব্যক্তির পরিবর্তন হয়েছে। আগের মতোই খুন-নির্যাতন অব্যাহত রয়েছে। সাধারণ মানুষ আজ চরম কষ্টে দিন কাটাচ্ছে।” সাবেক প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, তার সরকারের সময় সাধারণ মানুষের জন্য বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা সহ বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি চালু ছিল, যা বর্তমানে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অবিলম্বে আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে এবং দলের সকল ‘রাজবন্দী’কে মুক্তি দিতে হবে।
সভায় নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা মাসুদুল হাসান, নিউইর্য়ক স্টেট আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শাহীন আজমল, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুর রহমান রফিক, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক শেখ শফিকুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ইকবাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ কিবরিয়া জামান, মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজ শাহনাজ,যু বলীগের সভাপতি সেবুল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান চৌধুরী, ছাত্রলীগের সভাপতি হাসান মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক হৃদয় মিয়া প্রমুখ।
সবশেষে বিশিষ্ট শিল্পীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।