আটলান্টিক সিটি, ২৬ জুন: নিউ জার্সি রাজ্যের আটলান্টিক সিটি হাই স্কুলের কৃতি ছাত্র শ্রেয়ন চৌধুরী দ্বাদশ গ্রেডের সমাপনী পরীক্ষায় সপ্তম স্থান অর্জন করেছে। ২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী শ্রেয়ন চৌধুরীর বাবা পুলক চৌধুরী এবং মা বনি সেন কমিউনিটির পরিচিত মুখ। দুই ভাই-বোনের মধ্যে তিনি কনিষ্ঠ। তার গ্রামের বাড়ি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলায়।
ছোটবেলা থেকেই মেধাবী শ্রেয়ন পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন সৃষ্টিশীল কাজে নিজেকে যুক্ত রেখেছে। অবসর সময়ে সে ভিডিও ও ডকুমেন্টারি দেখে নতুন বিষয় শেখার আগ্রহ থেকে জ্ঞানার্জন করে। পাশাপাশি টেনিস ও পিকলবল খেলায় তার বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। তার জীবনে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছেন তার বাবা এবং বড় বোন। শ্রেয়নের মতে, জীবনের মূলমন্ত্র হলো— “ধারাবাহিকতা ও অধ্যবসায়ই সাফল্যের চাবিকাঠি। কখনোই লক্ষ্য থেকে চোখ সরানো যাবে না।”
উচ্চশিক্ষার জন্য সে যুক্তরাষ্ট্রের রাটগারস বিশ্ববিদ্যালয় বেছে নিয়েছে। ভবিষ্যতে তিনি প্রাইভেট ইকুইটি অথবা ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং খাতে ফাইন্যান্স পেশাজীবী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান।
নতুন প্রজন্মের উদ্দেশে তার বার্তা— “সেরাটা দাও, সেরাটা পাবে। যখন সবকিছু কঠিন বা চাপপূর্ণ মনে হবে, তখন ধৈর্য ধরো এবং নিজের সময় নাও।” সদালাপী ও বন্ধুভাবাপন্ন শ্রেয়ন চৌধুরী তার ভবিষ্যৎ সাফল্যের জন্য সবার আশীর্বাদ কামনা করেছেন।
ছোটবেলা থেকেই মেধাবী শ্রেয়ন পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন সৃষ্টিশীল কাজে নিজেকে যুক্ত রেখেছে। অবসর সময়ে সে ভিডিও ও ডকুমেন্টারি দেখে নতুন বিষয় শেখার আগ্রহ থেকে জ্ঞানার্জন করে। পাশাপাশি টেনিস ও পিকলবল খেলায় তার বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। তার জীবনে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছেন তার বাবা এবং বড় বোন। শ্রেয়নের মতে, জীবনের মূলমন্ত্র হলো— “ধারাবাহিকতা ও অধ্যবসায়ই সাফল্যের চাবিকাঠি। কখনোই লক্ষ্য থেকে চোখ সরানো যাবে না।”
উচ্চশিক্ষার জন্য সে যুক্তরাষ্ট্রের রাটগারস বিশ্ববিদ্যালয় বেছে নিয়েছে। ভবিষ্যতে তিনি প্রাইভেট ইকুইটি অথবা ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং খাতে ফাইন্যান্স পেশাজীবী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান।
নতুন প্রজন্মের উদ্দেশে তার বার্তা— “সেরাটা দাও, সেরাটা পাবে। যখন সবকিছু কঠিন বা চাপপূর্ণ মনে হবে, তখন ধৈর্য ধরো এবং নিজের সময় নাও।” সদালাপী ও বন্ধুভাবাপন্ন শ্রেয়ন চৌধুরী তার ভবিষ্যৎ সাফল্যের জন্য সবার আশীর্বাদ কামনা করেছেন।