লুটন, ২৬ জুন : প্রতি বছরের মতো এবারও ব্রিটেনজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এসএসসি ১৯৯১ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায় মুখর হয়ে ওঠে লুটন। দীর্ঘদিন পর এক ছাদের নিচে মিলিত হয়ে স্মৃতিচারণ, আনন্দ আর দেশীয় সংস্কৃতির আবহে দিনভর সময় কাটান তারা।
গত ২১ জুন (রোববার) লুটনের ভেন্যু সেন্টারে অনুষ্ঠিত এ পুনর্মিলনীতে ব্রিটেনের বিভিন্ন শহর থেকে প্রায় দুই শতাধিক সাবেক শিক্ষার্থী অংশ নেন। আকলিক চৌধুরী, রেবেকা সুলতানা ও বর্ষার কণ্ঠে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আমিনা আহমদ, রফিকুল ইসলাম ও আকরাম চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন মারুফ আহমেদ। বক্তব্য রাখেন জামিল ইকবাল, ডা. নেসাওর চৌধুরী, সলিসিটর নুরুল গাফফার, ডা. নজরুল এবং মকসুদ আহমদ জোয়ারদার।
দিনভর নাচ, গান, আড্ডা ও প্রাণবন্ত আয়োজনে মুখর ছিল পুরো অনুষ্ঠান। সংগীত পরিবেশন করেন রানা খান, সানজিদা, বর্ষা, এহতেশাম, রাজি এবং আরও অনেক শিল্পী।
দীর্ঘদিন পর সহপাঠীদের সঙ্গে দেখা হওয়ায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে আবেগ ও উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। বন্ধুদের সঙ্গে গল্পে-আড্ডায় ফিরে আসে স্কুলজীবনের অসংখ্য স্মৃতি। কেউ স্মৃতিচারণে আবেগাপ্লুত হন, কেউ আবার হারিয়ে যান পুরোনো দিনের গল্পে।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল দেশীয় সংস্কৃতির ছোঁয়া। আম, কাঁঠাল, লিচুসহ বিভিন্ন মৌসুমি দেশি ফলের পাশাপাশি অনেকেই নিজ বাড়ি থেকে নিয়ে আসেন ঐতিহ্যবাহী পিঠা-পুলি। দেশীয় স্বাদ ও আন্তরিক মিলনমেলায় প্রবাসেও যেন ফিরে আসে শৈশব-কৈশোরের বাংলাদেশ। সবশেষে কেক কাটার মধ্য দিয়ে আনন্দঘন পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।
গত ২১ জুন (রোববার) লুটনের ভেন্যু সেন্টারে অনুষ্ঠিত এ পুনর্মিলনীতে ব্রিটেনের বিভিন্ন শহর থেকে প্রায় দুই শতাধিক সাবেক শিক্ষার্থী অংশ নেন। আকলিক চৌধুরী, রেবেকা সুলতানা ও বর্ষার কণ্ঠে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আমিনা আহমদ, রফিকুল ইসলাম ও আকরাম চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন মারুফ আহমেদ। বক্তব্য রাখেন জামিল ইকবাল, ডা. নেসাওর চৌধুরী, সলিসিটর নুরুল গাফফার, ডা. নজরুল এবং মকসুদ আহমদ জোয়ারদার।
দিনভর নাচ, গান, আড্ডা ও প্রাণবন্ত আয়োজনে মুখর ছিল পুরো অনুষ্ঠান। সংগীত পরিবেশন করেন রানা খান, সানজিদা, বর্ষা, এহতেশাম, রাজি এবং আরও অনেক শিল্পী।
দীর্ঘদিন পর সহপাঠীদের সঙ্গে দেখা হওয়ায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে আবেগ ও উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। বন্ধুদের সঙ্গে গল্পে-আড্ডায় ফিরে আসে স্কুলজীবনের অসংখ্য স্মৃতি। কেউ স্মৃতিচারণে আবেগাপ্লুত হন, কেউ আবার হারিয়ে যান পুরোনো দিনের গল্পে।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল দেশীয় সংস্কৃতির ছোঁয়া। আম, কাঁঠাল, লিচুসহ বিভিন্ন মৌসুমি দেশি ফলের পাশাপাশি অনেকেই নিজ বাড়ি থেকে নিয়ে আসেন ঐতিহ্যবাহী পিঠা-পুলি। দেশীয় স্বাদ ও আন্তরিক মিলনমেলায় প্রবাসেও যেন ফিরে আসে শৈশব-কৈশোরের বাংলাদেশ। সবশেষে কেক কাটার মধ্য দিয়ে আনন্দঘন পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।