ময়মনসিংহ, ২৭ জুন : গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, রাষ্ট্র সংস্কার এবং জনদুর্ভোগ নিরসনের দাবিতে ময়মনসিংহ নগরীর রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া চত্বরে শনিবার বিকেলে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে অন্তর্বর্তী সরকার ও বিএনপির বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ তুলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন জোটের নেতারা।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হক বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন অনুষ্ঠিত গণভোটে দেশের অধিকাংশ ভোটার রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছেন। কিন্তু রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে সেই সংস্কার প্রস্তাব থেকে সরে আসা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
মাওলানা মামুনুল হক হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, জনগণের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষা করে কোনো "চোরাই পথ" অবলম্বন করা হলে তা সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক শক্তির জন্য আত্মঘাতী হবে। তিনি দাবি করেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে সাবেক শেখ হাসিনার মতো তারেক জিয়াকেও রাজনৈতিকভাবে বিদায় নিতে হতে পারে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৫ বছরে বিএনপির নেতৃত্বের ব্যর্থতার কারণেই দেশের বহু তরুণ প্রাণ হারিয়েছেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, নির্বাচনী প্রকৌশলের কারণে ১১ দলীয় ঐক্য প্রত্যাশিত ফল অর্জন করতে পারেনি। তাঁর দাবি, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে জামায়াতে ইসলামী এককভাবে আরও বেশি আসনে বিজয়ী হতে পারত।
তিনি স্বাস্থ্য খাতের সমালোচনা করে বলেন, বেসরকারি একটি হাসপাতালে কয়েকজন শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হলেও, দেশজুড়ে হামে শত শত শিশুর মৃত্যুর পরও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কোনো জবাবদিহি বা পদত্যাগ দেখা যায়নি। এ ঘটনায় সরকার দ্বৈত নীতি অনুসরণ করছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জনগণের জুলাই সনদের অঙ্গীকার রক্ষা এবং গণভোটের রায়ের শান্তিপূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ব্যর্থতার পাশাপাশি দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি এবং গুরুত্বপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় অগ্রগতির অভাব নিয়ে জনগণের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে।
জামায়াতে ইসলামীর ময়মনসিংহ অঞ্চল পরিচালক অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে নেজামে ইসলাম পার্টি, লেবার পার্টি ও জাগপার কেন্দ্রীয় নেতারাও বক্তব্য রাখেন।
সমাবেশ থেকে বক্তারা গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, রাষ্ট্র সংস্কার কার্যকর করা এবং জনদাবি পূরণে শান্তিপূর্ণ গণআন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হক বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন অনুষ্ঠিত গণভোটে দেশের অধিকাংশ ভোটার রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছেন। কিন্তু রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে সেই সংস্কার প্রস্তাব থেকে সরে আসা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
মাওলানা মামুনুল হক হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, জনগণের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষা করে কোনো "চোরাই পথ" অবলম্বন করা হলে তা সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক শক্তির জন্য আত্মঘাতী হবে। তিনি দাবি করেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে সাবেক শেখ হাসিনার মতো তারেক জিয়াকেও রাজনৈতিকভাবে বিদায় নিতে হতে পারে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৫ বছরে বিএনপির নেতৃত্বের ব্যর্থতার কারণেই দেশের বহু তরুণ প্রাণ হারিয়েছেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, নির্বাচনী প্রকৌশলের কারণে ১১ দলীয় ঐক্য প্রত্যাশিত ফল অর্জন করতে পারেনি। তাঁর দাবি, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে জামায়াতে ইসলামী এককভাবে আরও বেশি আসনে বিজয়ী হতে পারত।
তিনি স্বাস্থ্য খাতের সমালোচনা করে বলেন, বেসরকারি একটি হাসপাতালে কয়েকজন শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হলেও, দেশজুড়ে হামে শত শত শিশুর মৃত্যুর পরও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কোনো জবাবদিহি বা পদত্যাগ দেখা যায়নি। এ ঘটনায় সরকার দ্বৈত নীতি অনুসরণ করছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জনগণের জুলাই সনদের অঙ্গীকার রক্ষা এবং গণভোটের রায়ের শান্তিপূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ব্যর্থতার পাশাপাশি দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি এবং গুরুত্বপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় অগ্রগতির অভাব নিয়ে জনগণের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে।
জামায়াতে ইসলামীর ময়মনসিংহ অঞ্চল পরিচালক অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে নেজামে ইসলাম পার্টি, লেবার পার্টি ও জাগপার কেন্দ্রীয় নেতারাও বক্তব্য রাখেন।
সমাবেশ থেকে বক্তারা গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, রাষ্ট্র সংস্কার কার্যকর করা এবং জনদাবি পূরণে শান্তিপূর্ণ গণআন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।