নিউজার্সি, ২৯ জুন: যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সি অঙ্গরাজ্যের আটলান্টিক সিটিতে আড়ম্বরপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে রথযাত্রা। ইসকন অব সেন্ট্রাল নিউজার্সির উদ্যোগে গতকাল ২৮ জুন (রোববার) দুপুরে আটলান্টিক সিটির ঐতিহাসিক বোর্ডওয়াকে এ রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে ছিল শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের পূজার্চনা, হরিনাম সংকীর্তন, বিশ্বশান্তি ও মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা এবং ভক্তিমূলক নৃত্য।
সকাল থেকেই ভক্তদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে বোর্ডওয়াক এলাকা। আটলান্টিক মহাসাগরের ঢেউয়ের শব্দকে ছাপিয়ে ভেসে আসে “হরে কৃষ্ণ, হরে কৃষ্ণ, হরে রাম, হরে রাম” মহামন্ত্রের সুরেলা কীর্তন, যা সৃষ্টি করে এক আধ্যাত্মিক ও ভক্তিময় পরিবেশ।
রথের দড়িতে ভক্তদের টান পড়তেই ধীরে ধীরে এগোতে শুরু করে রথ। একই সঙ্গে ঢোল, খোল ও মৃদঙ্গের তালে তালে হাজারো ভক্তের সম্মিলিত কণ্ঠে ধ্বনিত হতে থাকে হরিনাম সংকীর্তন। এতে পুরো এলাকা এক অপূর্ব ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক সুরমূর্ছনায় মুখরিত হয়ে ওঠে।
বোর্ডওয়াকের মিশিগান অ্যাভিনিউ থেকে শুরু হওয়া রথের গন্তব্য ছিল নিউজার্সি অ্যাভিনিউ। ধীরগতিতে এগিয়ে চলা রথের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ভক্তদের কাফেলাও ক্রমেই দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হতে থাকে।
বোর্ডওয়াকে ঘুরতে আসা স্থানীয় মার্কিন নাগরিক ও বিভিন্ন দেশের পর্যটকেরা এই নান্দনিক ও ধর্মীয় আয়োজনে মুগ্ধ হয়ে পড়েন। অনেকেই দাঁড়িয়ে উপভোগ করেন রথযাত্রা, কেউ কেউ স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগ দেন রথের কাফেলায়। শুদ্ধ-অশুদ্ধ উচ্চারণের মিশেলে তারাও হরিনাম সংকীর্তনে কণ্ঠ মেলান।
আনন্দ, উচ্ছ্বাস ও ভক্তির আবহে রথযাত্রা পরিণত হয় এক মিলনমেলায়। এ সময় ভক্তদের মধ্যে ফলমূল, মিষ্টি ও বিভিন্ন ধরনের প্রসাদ বিতরণ করা হয়, যা থেকে পথচারী বিদেশিরাও বাদ পড়েননি।
রথের চাকা ঘুরতে ঘুরতে একসময় তা এসে পৌঁছায় নিউজার্সি অ্যাভিনিউতে, যেখানে আগে থেকেই চলছিল আরেকটি ধর্মীয় আয়োজন। উন্মুক্ত মঞ্চে হরিনাম সংকীর্তন ও ধর্মীয় সংগীত পরিবেশনের পাশাপাশি সেখানে চলতে থাকে মহাপ্রসাদ বিতরণ, যা পুরো পরিবেশকে আরও ভক্তিময় ও উৎসবমুখর করে তোলে।
জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবাই এই ধর্মীয় অনুষ্ঠান উপভোগ করেন এবং মহাপ্রসাদ গ্রহণ করে তৃপ্তি লাভ করেন। বিদেশি দর্শনার্থীদেরও দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে মহাপ্রসাদ গ্রহণ করতে দেখা যায়, অনেকে সন্তুষ্টচিত্তে তৃপ্তির অনুভূতি প্রকাশ করেন। এছাড়া অনেক বিদেশিকে রথযাত্রা সম্পর্কে আগ্রহ নিয়ে জানতে এবং হরিনাম সংকীর্তনে মন্ত্র জপ করতে অংশগ্রহণ করতেও দেখা যায়।
উল্লেখ্য, আটলান্টিক সিটিতে ২০০৬ সাল থেকে নিয়মিতভাবে রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এ আয়োজনের পরিসর ও জনপ্রিয়তা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সকাল থেকেই ভক্তদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে বোর্ডওয়াক এলাকা। আটলান্টিক মহাসাগরের ঢেউয়ের শব্দকে ছাপিয়ে ভেসে আসে “হরে কৃষ্ণ, হরে কৃষ্ণ, হরে রাম, হরে রাম” মহামন্ত্রের সুরেলা কীর্তন, যা সৃষ্টি করে এক আধ্যাত্মিক ও ভক্তিময় পরিবেশ।
রথের দড়িতে ভক্তদের টান পড়তেই ধীরে ধীরে এগোতে শুরু করে রথ। একই সঙ্গে ঢোল, খোল ও মৃদঙ্গের তালে তালে হাজারো ভক্তের সম্মিলিত কণ্ঠে ধ্বনিত হতে থাকে হরিনাম সংকীর্তন। এতে পুরো এলাকা এক অপূর্ব ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক সুরমূর্ছনায় মুখরিত হয়ে ওঠে।
বোর্ডওয়াকের মিশিগান অ্যাভিনিউ থেকে শুরু হওয়া রথের গন্তব্য ছিল নিউজার্সি অ্যাভিনিউ। ধীরগতিতে এগিয়ে চলা রথের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ভক্তদের কাফেলাও ক্রমেই দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হতে থাকে।
বোর্ডওয়াকে ঘুরতে আসা স্থানীয় মার্কিন নাগরিক ও বিভিন্ন দেশের পর্যটকেরা এই নান্দনিক ও ধর্মীয় আয়োজনে মুগ্ধ হয়ে পড়েন। অনেকেই দাঁড়িয়ে উপভোগ করেন রথযাত্রা, কেউ কেউ স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগ দেন রথের কাফেলায়। শুদ্ধ-অশুদ্ধ উচ্চারণের মিশেলে তারাও হরিনাম সংকীর্তনে কণ্ঠ মেলান।
আনন্দ, উচ্ছ্বাস ও ভক্তির আবহে রথযাত্রা পরিণত হয় এক মিলনমেলায়। এ সময় ভক্তদের মধ্যে ফলমূল, মিষ্টি ও বিভিন্ন ধরনের প্রসাদ বিতরণ করা হয়, যা থেকে পথচারী বিদেশিরাও বাদ পড়েননি।
রথের চাকা ঘুরতে ঘুরতে একসময় তা এসে পৌঁছায় নিউজার্সি অ্যাভিনিউতে, যেখানে আগে থেকেই চলছিল আরেকটি ধর্মীয় আয়োজন। উন্মুক্ত মঞ্চে হরিনাম সংকীর্তন ও ধর্মীয় সংগীত পরিবেশনের পাশাপাশি সেখানে চলতে থাকে মহাপ্রসাদ বিতরণ, যা পুরো পরিবেশকে আরও ভক্তিময় ও উৎসবমুখর করে তোলে।
জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবাই এই ধর্মীয় অনুষ্ঠান উপভোগ করেন এবং মহাপ্রসাদ গ্রহণ করে তৃপ্তি লাভ করেন। বিদেশি দর্শনার্থীদেরও দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে মহাপ্রসাদ গ্রহণ করতে দেখা যায়, অনেকে সন্তুষ্টচিত্তে তৃপ্তির অনুভূতি প্রকাশ করেন। এছাড়া অনেক বিদেশিকে রথযাত্রা সম্পর্কে আগ্রহ নিয়ে জানতে এবং হরিনাম সংকীর্তনে মন্ত্র জপ করতে অংশগ্রহণ করতেও দেখা যায়।
উল্লেখ্য, আটলান্টিক সিটিতে ২০০৬ সাল থেকে নিয়মিতভাবে রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এ আয়োজনের পরিসর ও জনপ্রিয়তা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।