মাধবপুর (হবিগঞ্জ), ৭ জুলাই : জন্মের পর একটি শিশুর প্রথম ঠিকানা হওয়ার কথা মায়ের বুক। প্রথম স্পর্শ, প্রথম উষ্ণতা আর প্রথম নিরাপত্তা পাওয়ার কথা সেই মমতার কোলেই। কিন্তু পৃথিবীর আলো দেখার পরই এক নবজাতক কন্যাশিশুর ভাগ্যে জুটেছিল রাস্তার ধারের নির্জনতা। ভালোবাসার স্পর্শ পাওয়ার আগেই তাকে চিনতে হয়েছে নির্মম বাস্তবতাকে। তবুও মানবতা যে এখনো বেঁচে আছে, মাধবপুরের একটি ঘটনা যেন সেই আশার আলোই দেখাল।
সোমবার (৬ জুলাই) ভোরে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার উত্তর শাহপুর এলাকায় শায়েস্তাগঞ্জ-জগদীশপুর জেলা পরিষদ সড়কের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় কান্নার ক্ষীণ শব্দে থমকে দাঁড়ান কয়েকজন পথচারী। শব্দের উৎস খুঁজতে গিয়ে তারা দেখেন, একটি নবজাতক কন্যাশিশু পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।
শিশুটির শরীরে তখনও হাসপাতালের স্যালাইনের ক্যানুলা লাগানো ছিল। ধারণা করা হয়, জন্মের অল্প সময়ের মধ্যেই তাকে সেখানে ফেলে রেখে চলে যায় কেউ। অসহায় শিশুটির সেই দৃশ্য মুহূর্তেই উপস্থিত মানুষের হৃদয় স্পর্শ করে। অনেকের চোখ ভিজে ওঠে। একটি সদ্যোজাত শিশুকে কীভাবে এমন নির্মমভাবে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হলো—সেই প্রশ্ন ঘুরপাক খেতে থাকে সবার মনে।
খবর পেয়ে বাঘাসুরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রশিদ দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। স্থানীয়দের সহযোগিতায় তিনি অসহায় নবজাতকটিকে উদ্ধার করে মাধবপুরের ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসকদের আন্তরিক পরিচর্যা ও নিবিড় পর্যবেক্ষণে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠে শিশুটি। পরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শিশুটিকে একটি সেফ হোমে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তার নিরাপত্তা, পরিচর্যা ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করা হয়।
এদিকে, পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া এই নবজাতকের খবর মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে এলাকার চায়ের আড্ডা সবখানেই আলোচনায় বারবার উঠে আসে তার নাম। অনেক হৃদয়বান মানুষ তাকে নিজের ঘরের সন্তান হিসেবে লালন-পালনের আগ্রহ প্রকাশ করেন।
মঙ্গলবার মাধবপুর উপজেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডের সভায় আবেদনকারীদের যাচাই-বাছাই শেষে উত্তর শাহপুর (নোয়াপাড়া) এলাকার ব্যবসায়ী জাবেদ আলী (৩০), পিতা শফর আলী, এবং তাঁর স্ত্রীর কাছে আপাতত শিশুটির দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান, শিশুটির সর্বোচ্চ স্বার্থ ও নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করেই উপজেলা শিশু কল্যাণ বোর্ড এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আপাতত একটি নিরাপদ ও পারিবারিক পরিবেশে লালন-পালনের জন্য শিশুটিকে জাবেদ আলী দম্পতির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া শেষে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজ এবং জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হবে।
নবজাতকটিকে বুকে জড়িয়ে ধরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন জাবেদ আলী ও তাঁর স্ত্রী। অচেনা এই শিশুটিকে আপন করে নেওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করে তারা জানান, এই শিশুকে কখনোই পর মনে করবেন না। নিজেদের সন্তানের মতো ভালোবাসা, স্নেহ ও যত্ন দিয়ে তাকে বড় করে তুলবেন। তার শিক্ষা, নিরাপত্তা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করাই হবে তাদের প্রধান লক্ষ্য।
সোমবার (৬ জুলাই) ভোরে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার উত্তর শাহপুর এলাকায় শায়েস্তাগঞ্জ-জগদীশপুর জেলা পরিষদ সড়কের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় কান্নার ক্ষীণ শব্দে থমকে দাঁড়ান কয়েকজন পথচারী। শব্দের উৎস খুঁজতে গিয়ে তারা দেখেন, একটি নবজাতক কন্যাশিশু পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।
শিশুটির শরীরে তখনও হাসপাতালের স্যালাইনের ক্যানুলা লাগানো ছিল। ধারণা করা হয়, জন্মের অল্প সময়ের মধ্যেই তাকে সেখানে ফেলে রেখে চলে যায় কেউ। অসহায় শিশুটির সেই দৃশ্য মুহূর্তেই উপস্থিত মানুষের হৃদয় স্পর্শ করে। অনেকের চোখ ভিজে ওঠে। একটি সদ্যোজাত শিশুকে কীভাবে এমন নির্মমভাবে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হলো—সেই প্রশ্ন ঘুরপাক খেতে থাকে সবার মনে।
খবর পেয়ে বাঘাসুরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রশিদ দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। স্থানীয়দের সহযোগিতায় তিনি অসহায় নবজাতকটিকে উদ্ধার করে মাধবপুরের ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসকদের আন্তরিক পরিচর্যা ও নিবিড় পর্যবেক্ষণে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠে শিশুটি। পরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শিশুটিকে একটি সেফ হোমে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তার নিরাপত্তা, পরিচর্যা ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করা হয়।
এদিকে, পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া এই নবজাতকের খবর মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে এলাকার চায়ের আড্ডা সবখানেই আলোচনায় বারবার উঠে আসে তার নাম। অনেক হৃদয়বান মানুষ তাকে নিজের ঘরের সন্তান হিসেবে লালন-পালনের আগ্রহ প্রকাশ করেন।
মঙ্গলবার মাধবপুর উপজেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডের সভায় আবেদনকারীদের যাচাই-বাছাই শেষে উত্তর শাহপুর (নোয়াপাড়া) এলাকার ব্যবসায়ী জাবেদ আলী (৩০), পিতা শফর আলী, এবং তাঁর স্ত্রীর কাছে আপাতত শিশুটির দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান, শিশুটির সর্বোচ্চ স্বার্থ ও নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করেই উপজেলা শিশু কল্যাণ বোর্ড এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আপাতত একটি নিরাপদ ও পারিবারিক পরিবেশে লালন-পালনের জন্য শিশুটিকে জাবেদ আলী দম্পতির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া শেষে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজ এবং জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হবে।
নবজাতকটিকে বুকে জড়িয়ে ধরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন জাবেদ আলী ও তাঁর স্ত্রী। অচেনা এই শিশুটিকে আপন করে নেওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করে তারা জানান, এই শিশুকে কখনোই পর মনে করবেন না। নিজেদের সন্তানের মতো ভালোবাসা, স্নেহ ও যত্ন দিয়ে তাকে বড় করে তুলবেন। তার শিক্ষা, নিরাপত্তা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করাই হবে তাদের প্রধান লক্ষ্য।