নিউইয়র্ক, ৯ জুলাই : নিউইয়র্কের কুইন্সে অবস্থিত ফ্লাশিং মেডোজ–করোনা পার্কের অন্যতম আকর্ষণ হলো বিশাল ইস্পাত নির্মিত গ্লোব ‘ইউনিস্ফিয়ার’। সুউচ্চ এই ভাস্কর্যটি এতটাই দৃষ্টিনন্দন যে, অনেক দূর থেকেই এটি স্পষ্টভাবে চোখে পড়ে।
প্রতিদিন দেশ-বিদেশ থেকে অসংখ্য দর্শনার্থী এই ঐতিহাসিক পার্কে ঘুরতে আসেন। আর পার্কে এসে ইউনিস্ফিয়ারের সামনে দাঁড়িয়ে একটি স্মারক ছবি না তোলা যেন ভ্রমণই অসম্পূর্ণ থেকে যায়। কুইন্সের অন্যতম আইকনিক ল্যান্ডমার্ক হিসেবে এটি পর্যটকদের কাছে বিশেষভাবে জনপ্রিয়।
১৯৬৪-৬৫ সালের ওয়ার্ল্ডস ফেয়ার (World’s Fair) উপলক্ষে নির্মিত ও উন্মোচিত এই স্টেইনলেস স্টিলের গ্লোবটি গত ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে ফ্লাশিং মেডোজ–করোনা পার্কের গর্বিত কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। পৃথিবীর ঐক্য, বৈশ্বিক সংযোগ এবং শান্তির প্রতীক হিসেবে নির্মিত ইউনিস্ফিয়ার আজও নিউইয়র্কের ইতিহাস, স্থাপত্য ও পর্যটনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।
প্রতিদিন দেশ-বিদেশ থেকে অসংখ্য দর্শনার্থী এই ঐতিহাসিক পার্কে ঘুরতে আসেন। আর পার্কে এসে ইউনিস্ফিয়ারের সামনে দাঁড়িয়ে একটি স্মারক ছবি না তোলা যেন ভ্রমণই অসম্পূর্ণ থেকে যায়। কুইন্সের অন্যতম আইকনিক ল্যান্ডমার্ক হিসেবে এটি পর্যটকদের কাছে বিশেষভাবে জনপ্রিয়।
১৯৬৪-৬৫ সালের ওয়ার্ল্ডস ফেয়ার (World’s Fair) উপলক্ষে নির্মিত ও উন্মোচিত এই স্টেইনলেস স্টিলের গ্লোবটি গত ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে ফ্লাশিং মেডোজ–করোনা পার্কের গর্বিত কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। পৃথিবীর ঐক্য, বৈশ্বিক সংযোগ এবং শান্তির প্রতীক হিসেবে নির্মিত ইউনিস্ফিয়ার আজও নিউইয়র্কের ইতিহাস, স্থাপত্য ও পর্যটনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।