সিলেট, ৯ জুলাই : শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) সমাজকর্ম বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা তাত্ত্বিক শিক্ষার পাশাপাশি গ্রামীণ ও নগর জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে সমাজকর্মের ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জনের লক্ষ্যে সম্পন্ন করেছেন ‘সোশ্যাল ওয়ার্ক ক্যাম্পিং’ কোর্স। কোর্স শেষে মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও গবেষণালব্ধ তথ্য তুলে ধরতে তারা আয়োজন করেছেন পোস্টার প্রদর্শনীর।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগে এ পোস্টার প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। বিভাগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহারিক কোর্স ‘সোশ্যাল ওয়ার্ক ক্যাম্পিং’-এর অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা প্রায় দুই সপ্তাহ বিভিন্ন গ্রামীণ ও নগর কমিউনিটিতে কাজ করেন। এ সময়ে তারা স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রা, সামাজিক সমস্যা, সম্ভাবনা এবং বিভিন্ন বাস্তব চ্যালেঞ্জ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করেন।
সাধারণত এই ক্যাম্পিং কোর্স শেষে শিক্ষার্থীদের মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার ওপর একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিতে হয়। তবে এবার সেই প্রচলিত ধারায় এসেছে ব্যতিক্রমী নতুনত্ব। শুধু লিখিত প্রতিবেদনে সীমাবদ্ধ না থেকে শিক্ষার্থীরা তাদের অর্জিত বাস্তব অভিজ্ঞতা ও প্রায়োগিক জ্ঞানকে সৃজনশীলভাবে উপস্থাপন করেছেন আকর্ষণীয় ‘পোস্টার প্রেজেন্টেশন’-এর মাধ্যমে।
ক্যাম্পিং শেষে নিজ নিজ কমিউনিটির বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা, কেস স্টাডি এবং মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতাকে শিক্ষার্থীরা রঙিন ও তথ্যসমৃদ্ধ পোস্টারে সচিত্রভাবে তুলে ধরেন। প্রতিটি পোস্টারেই ফুটে ওঠে সংশ্লিষ্ট এলাকার সামাজিক বাস্তবতা, মানুষের জীবনসংগ্রাম, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবনার নানা দিক। তাদের এই ব্যতিক্রমী ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ শিক্ষকদের পাশাপাশি উপস্থিত দর্শনার্থীদেরও প্রশংসা কুড়িয়েছে।
প্রদর্শনী পরিদর্শন শেষে বিভাগের শিক্ষকরা বলেন, “সমাজকর্ম মূলত একটি প্রয়োগভিত্তিক বিষয়। এটি শুধু শ্রেণীকক্ষের তাত্ত্বিক শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং বাস্তব জীবনের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করার পদ্ধতি শেখার ক্ষেত্রে এই ফিল্ড ক্যাম্পিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
শিক্ষকরা আরও বলেন, “এবারের প্রতিটি গ্রুপ মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতাকে যেভাবে পোস্টারের মাধ্যমে উপস্থাপন করেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পেশাগত দক্ষতা, দলগত কাজের সক্ষমতা, বিশ্লেষণী চিন্তাশক্তি এবং সৃজনশীলতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
তারা আশা প্রকাশ করেন, পুঁথিগত শিক্ষার সঙ্গে বাস্তব অভিজ্ঞতার এই মেলবন্ধন ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের দক্ষ, মানবিক ও পেশাদার সমাজকর্মী হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।
পোস্টার প্রদর্শনীতে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ও সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড. ইসমাঈল হোসেন, বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মোয়াজ্জেম হোসেন, অধ্যাপক ড. তুলসী কুমার দাস, অধ্যাপক ড. শফিকুর রহমান, অধ্যাপক আমিনা পারভীন, অধ্যাপক ড. আব্দুল জলিল, অধ্যাপক ড. আলী ওয়াক্কাস, অধ্যাপক ড. তাহমিনা ইসলাম, অধ্যাপক ফখরুল আলম, অধ্যাপক আবুল কাশেম, প্রভাষক তারিক এম. এ. কাইয়ুম, ইফতেখার আহমদ এবং ইসরাত জাহান ঝুমি।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগে এ পোস্টার প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। বিভাগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহারিক কোর্স ‘সোশ্যাল ওয়ার্ক ক্যাম্পিং’-এর অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা প্রায় দুই সপ্তাহ বিভিন্ন গ্রামীণ ও নগর কমিউনিটিতে কাজ করেন। এ সময়ে তারা স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রা, সামাজিক সমস্যা, সম্ভাবনা এবং বিভিন্ন বাস্তব চ্যালেঞ্জ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করেন।
সাধারণত এই ক্যাম্পিং কোর্স শেষে শিক্ষার্থীদের মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার ওপর একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিতে হয়। তবে এবার সেই প্রচলিত ধারায় এসেছে ব্যতিক্রমী নতুনত্ব। শুধু লিখিত প্রতিবেদনে সীমাবদ্ধ না থেকে শিক্ষার্থীরা তাদের অর্জিত বাস্তব অভিজ্ঞতা ও প্রায়োগিক জ্ঞানকে সৃজনশীলভাবে উপস্থাপন করেছেন আকর্ষণীয় ‘পোস্টার প্রেজেন্টেশন’-এর মাধ্যমে।
ক্যাম্পিং শেষে নিজ নিজ কমিউনিটির বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা, কেস স্টাডি এবং মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতাকে শিক্ষার্থীরা রঙিন ও তথ্যসমৃদ্ধ পোস্টারে সচিত্রভাবে তুলে ধরেন। প্রতিটি পোস্টারেই ফুটে ওঠে সংশ্লিষ্ট এলাকার সামাজিক বাস্তবতা, মানুষের জীবনসংগ্রাম, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবনার নানা দিক। তাদের এই ব্যতিক্রমী ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ শিক্ষকদের পাশাপাশি উপস্থিত দর্শনার্থীদেরও প্রশংসা কুড়িয়েছে।
প্রদর্শনী পরিদর্শন শেষে বিভাগের শিক্ষকরা বলেন, “সমাজকর্ম মূলত একটি প্রয়োগভিত্তিক বিষয়। এটি শুধু শ্রেণীকক্ষের তাত্ত্বিক শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং বাস্তব জীবনের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করার পদ্ধতি শেখার ক্ষেত্রে এই ফিল্ড ক্যাম্পিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
শিক্ষকরা আরও বলেন, “এবারের প্রতিটি গ্রুপ মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতাকে যেভাবে পোস্টারের মাধ্যমে উপস্থাপন করেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পেশাগত দক্ষতা, দলগত কাজের সক্ষমতা, বিশ্লেষণী চিন্তাশক্তি এবং সৃজনশীলতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
তারা আশা প্রকাশ করেন, পুঁথিগত শিক্ষার সঙ্গে বাস্তব অভিজ্ঞতার এই মেলবন্ধন ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের দক্ষ, মানবিক ও পেশাদার সমাজকর্মী হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।
পোস্টার প্রদর্শনীতে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ও সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড. ইসমাঈল হোসেন, বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মোয়াজ্জেম হোসেন, অধ্যাপক ড. তুলসী কুমার দাস, অধ্যাপক ড. শফিকুর রহমান, অধ্যাপক আমিনা পারভীন, অধ্যাপক ড. আব্দুল জলিল, অধ্যাপক ড. আলী ওয়াক্কাস, অধ্যাপক ড. তাহমিনা ইসলাম, অধ্যাপক ফখরুল আলম, অধ্যাপক আবুল কাশেম, প্রভাষক তারিক এম. এ. কাইয়ুম, ইফতেখার আহমদ এবং ইসরাত জাহান ঝুমি।