হবিগঞ্জ, ৯ জুলাই : টানা বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে হবিগঞ্জের খোয়াই নদী। সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের কালিগঞ্জ এলাকায় খোয়াই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করায় প্রায় ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাত প্রায় ৯টার দিকে লস্করপুর ইউনিয়নের কালিগঞ্জ এলাকায় খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে বন্যার পানি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এতে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও বিস্তীর্ণ কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে যেতে শুরু করেছে। অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে বাড়িঘর ছেড়ে উঁচু স্থানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে। বিশেষ করে ১০ নম্বর লস্করপুর ইউনিয়ন, ৪ নম্বর পইল ইউনিয়ন ও ৩ নম্বর তেঘরিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দাদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। রাতের মধ্যে পানি আরও বৃদ্ধি পেলে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে খোয়াই নদী থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে নদীর তীররক্ষা বাঁধ দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রবল পানির স্রোতে সেই দুর্বল বাঁধ ভেঙে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
লস্করপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান উজ্জ্বল মিয়া বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে নিয়মের বাইরে নদী থেকে বালু উত্তোলনের কারণে বাঁধ দুর্বল হয়ে গেছে। অবশেষে প্রবল পানির চাপে বাঁধ ভেঙে লোকালয় প্লাবিত হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের বিপর্যয় ঠেকাতে খোয়াই নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে।”
এদিকে বাঁধ ভেঙে যাওয়ার খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জনপ্রতিনিধিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ এবং জরুরি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত ভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য জরুরি ত্রাণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। তা না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। বর্তমানে পুরো এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাত প্রায় ৯টার দিকে লস্করপুর ইউনিয়নের কালিগঞ্জ এলাকায় খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে বন্যার পানি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এতে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও বিস্তীর্ণ কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে যেতে শুরু করেছে। অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে বাড়িঘর ছেড়ে উঁচু স্থানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে। বিশেষ করে ১০ নম্বর লস্করপুর ইউনিয়ন, ৪ নম্বর পইল ইউনিয়ন ও ৩ নম্বর তেঘরিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দাদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। রাতের মধ্যে পানি আরও বৃদ্ধি পেলে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে খোয়াই নদী থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে নদীর তীররক্ষা বাঁধ দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রবল পানির স্রোতে সেই দুর্বল বাঁধ ভেঙে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
লস্করপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান উজ্জ্বল মিয়া বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে নিয়মের বাইরে নদী থেকে বালু উত্তোলনের কারণে বাঁধ দুর্বল হয়ে গেছে। অবশেষে প্রবল পানির চাপে বাঁধ ভেঙে লোকালয় প্লাবিত হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের বিপর্যয় ঠেকাতে খোয়াই নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে।”
এদিকে বাঁধ ভেঙে যাওয়ার খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জনপ্রতিনিধিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ এবং জরুরি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত ভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য জরুরি ত্রাণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। তা না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। বর্তমানে পুরো এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।