ঢাকা, ১১ জুলাই: বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য অভিবাসী (ইমিগ্র্যান্ট) ভিসা ইস্যু স্থগিত রাখার কারণ ব্যাখ্যা করেছে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস। দূতাবাসের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি কল্যাণমূলক সুবিধা গ্রহণের হার তুলনামূলক বেশি হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই স্থগিতাদেশ ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর রয়েছে।
শনিবার (১১ জুলাই) দূতাবাসের এক বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের অর্থ সুরক্ষিত রাখা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। নতুন অভিবাসীরা যাতে অনিয়মিতভাবে সরকারি কল্যাণমূলক সুবিধা গ্রহণ না করেন বা দেশটির ওপর অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা সৃষ্টি না করেন, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়া এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা যাচাই-বাছাই ও নিরাপত্তা যাচাইকরণ নীতিমালা পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ তৈরি হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো, অভিবাসন প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া।
তবে মার্কিন দূতাবাস স্পষ্ট করেছে, এই স্থগিতাদেশ শুধুমাত্র অভিবাসী (ইমিগ্র্যান্ট) ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। পর্যটন, শিক্ষার্থী, ব্যবসা কিংবা অন্যান্য নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা আবেদনকারীদের ওপর এর কোনো প্রভাব পড়বে না।
শনিবার (১১ জুলাই) দূতাবাসের এক বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের অর্থ সুরক্ষিত রাখা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। নতুন অভিবাসীরা যাতে অনিয়মিতভাবে সরকারি কল্যাণমূলক সুবিধা গ্রহণ না করেন বা দেশটির ওপর অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা সৃষ্টি না করেন, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়া এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা যাচাই-বাছাই ও নিরাপত্তা যাচাইকরণ নীতিমালা পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ তৈরি হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো, অভিবাসন প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া।
তবে মার্কিন দূতাবাস স্পষ্ট করেছে, এই স্থগিতাদেশ শুধুমাত্র অভিবাসী (ইমিগ্র্যান্ট) ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। পর্যটন, শিক্ষার্থী, ব্যবসা কিংবা অন্যান্য নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা আবেদনকারীদের ওপর এর কোনো প্রভাব পড়বে না।