মাধবপুর (হবিগঞ্জ), ১১ জুলাই: হবিগঞ্জের মাধবপুর ও চুনারুঘাট সীমান্তে অবস্থিত সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে দেশের অন্যতম বিরল বনজ পাখি ‘কালো মথুরা’র দেখা মিলেছে।
সম্প্রতি প্রখ্যাত বন্যপ্রাণী ফটোগ্রাফার আনিস শেখ উদ্যানের গভীর অরণ্যে একটি পূর্ণবয়স্ক পুরুষ কালো মথুরার দুর্লভ ছবি ধারণ করেন। ছবিটি প্রকাশের পর প্রকৃতিপ্রেমী, পাখি গবেষক ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।
বন বিশেষজ্ঞদের মতে, কালো মথুরা বাংলাদেশের অত্যন্ত বিরল আবাসিক বনমুরগি প্রজাতির একটি। ঘন চিরসবুজ ও আধা-চিরসবুজ বনে বসবাসকারী এই পাখি মানুষের উপস্থিতি টের পেলেই ঝোপঝাড়ের আড়ালে লুকিয়ে পড়ে। এ কারণে প্রকৃতিতে এর দেখা পাওয়া এবং ছবি ধারণ করা অত্যন্ত কঠিন।
এর আগে দেশের পার্বত্য অঞ্চল খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও রাঙামাটিতে কালো মথুরার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। তবে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে এ পাখির উপস্থিতি খুবই বিরল।
ফটোগ্রাফার আনিস শেখ জানান, দীর্ঘ সময় ধরে পর্যবেক্ষণের পর নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে তিনি পাখিটির কয়েকটি দুর্লভ ছবি তুলতে সক্ষম হন। তিনি বলেন, “কালো মথুরার উপস্থিতি বাংলাদেশের বনাঞ্চলের জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক একটি বার্তা।”
সাতছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা মেহেদী মাসুদ বলেন, কালো মথুরার উপস্থিতি প্রমাণ করে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের জীববৈচিত্র্য আগের তুলনায় আরও সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় হয়েছে। একই সঙ্গে এটি বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের গুরুত্বও নতুন করে তুলে ধরেছে।
সম্প্রতি প্রখ্যাত বন্যপ্রাণী ফটোগ্রাফার আনিস শেখ উদ্যানের গভীর অরণ্যে একটি পূর্ণবয়স্ক পুরুষ কালো মথুরার দুর্লভ ছবি ধারণ করেন। ছবিটি প্রকাশের পর প্রকৃতিপ্রেমী, পাখি গবেষক ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।
বন বিশেষজ্ঞদের মতে, কালো মথুরা বাংলাদেশের অত্যন্ত বিরল আবাসিক বনমুরগি প্রজাতির একটি। ঘন চিরসবুজ ও আধা-চিরসবুজ বনে বসবাসকারী এই পাখি মানুষের উপস্থিতি টের পেলেই ঝোপঝাড়ের আড়ালে লুকিয়ে পড়ে। এ কারণে প্রকৃতিতে এর দেখা পাওয়া এবং ছবি ধারণ করা অত্যন্ত কঠিন।
এর আগে দেশের পার্বত্য অঞ্চল খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও রাঙামাটিতে কালো মথুরার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। তবে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে এ পাখির উপস্থিতি খুবই বিরল।
ফটোগ্রাফার আনিস শেখ জানান, দীর্ঘ সময় ধরে পর্যবেক্ষণের পর নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে তিনি পাখিটির কয়েকটি দুর্লভ ছবি তুলতে সক্ষম হন। তিনি বলেন, “কালো মথুরার উপস্থিতি বাংলাদেশের বনাঞ্চলের জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক একটি বার্তা।”
সাতছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা মেহেদী মাসুদ বলেন, কালো মথুরার উপস্থিতি প্রমাণ করে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের জীববৈচিত্র্য আগের তুলনায় আরও সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় হয়েছে। একই সঙ্গে এটি বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের গুরুত্বও নতুন করে তুলে ধরেছে।