ঢাকা, ১৩ জুলাই: দেশের শীর্ষ বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা (১.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) বিনিয়োগে বহরে ২১টি নতুন বোয়িং ৭৩৭-৮ উড়োজাহাজ যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এই বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হলে বর্তমানে ২৫টি উড়োজাহাজের বহর বেড়ে ৪৬টিতে উন্নীত হবে, যা দেশের বেসরকারি বিমান পরিবহন খাতে অন্যতম বৃহৎ সম্প্রসারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ইউএস-বাংলা জানিয়েছে, বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি এয়ারক্র্যাফট লিজিং প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উড়োজাহাজগুলো সংগ্রহ করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলে দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন নতুন গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।
আগামী ২৯ জুলাই রাজধানীর হোটেল শেরাটনে এই মেগা বিনিয়োগ পরিকল্পনার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে বোয়িংয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট পল রিগিহ, বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এয়ারক্র্যাফট লিজিং প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিসহ দেশি-বিদেশি এভিয়েশন, ট্রাভেল ও পর্যটন খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন। সেখানে বিনিয়োগ পরিকল্পনা, উড়োজাহাজ সরবরাহের সময়সূচি ও ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ কৌশলের বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।
নতুন বোয়িং উড়োজাহাজগুলোতে থাকবে ওয়্যারলেস ইন-ফ্লাইট এন্টারটেইনমেন্ট, ইন-ফ্লাইট ওয়াই-ফাই, প্রিমিয়াম কেবিন ও আধুনিক আসনব্যবস্থা। যাত্রীরা আকাশে ভ্রমণের সময় ইন্টারনেট ব্যবহার, বার্তা আদান-প্রদান এমনকি ফোনকল করার সুবিধাও পাবেন।
ইউএস-বাংলার দাবি, এই প্রকল্পের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণের পাশাপাশি শত শত নতুন কর্মসংস্থান, পর্যটন, বাণিজ্য এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয়ে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এই বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হলে বর্তমানে ২৫টি উড়োজাহাজের বহর বেড়ে ৪৬টিতে উন্নীত হবে, যা দেশের বেসরকারি বিমান পরিবহন খাতে অন্যতম বৃহৎ সম্প্রসারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ইউএস-বাংলা জানিয়েছে, বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি এয়ারক্র্যাফট লিজিং প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উড়োজাহাজগুলো সংগ্রহ করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলে দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন নতুন গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।
আগামী ২৯ জুলাই রাজধানীর হোটেল শেরাটনে এই মেগা বিনিয়োগ পরিকল্পনার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে বোয়িংয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট পল রিগিহ, বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এয়ারক্র্যাফট লিজিং প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিসহ দেশি-বিদেশি এভিয়েশন, ট্রাভেল ও পর্যটন খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন। সেখানে বিনিয়োগ পরিকল্পনা, উড়োজাহাজ সরবরাহের সময়সূচি ও ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ কৌশলের বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।
নতুন বোয়িং উড়োজাহাজগুলোতে থাকবে ওয়্যারলেস ইন-ফ্লাইট এন্টারটেইনমেন্ট, ইন-ফ্লাইট ওয়াই-ফাই, প্রিমিয়াম কেবিন ও আধুনিক আসনব্যবস্থা। যাত্রীরা আকাশে ভ্রমণের সময় ইন্টারনেট ব্যবহার, বার্তা আদান-প্রদান এমনকি ফোনকল করার সুবিধাও পাবেন।
ইউএস-বাংলার দাবি, এই প্রকল্পের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণের পাশাপাশি শত শত নতুন কর্মসংস্থান, পর্যটন, বাণিজ্য এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয়ে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।