ল্যান্সিং, ১৬ জুলাই: মিশিগান ডিপার্টমেন্ট অব হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান সার্ভিসেস (MDHHS)-এর তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে সাইক্লোস্পোরিয়াসিস আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। বৃহস্পতিবার সকালে রাজ্য কর্মকর্তারা আরও ৫৫০টি নতুন রোগীর তথ্য প্রকাশ করেছেন। এর ফলে ২২ জুনের পর থেকে এ রোগে আক্রান্তের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪,৩১২ জনে।
সর্বশেষ এই সংখ্যা সোমবার পর্যন্ত পাওয়া ২,৬০০-এর বেশি কেসের তুলনায় প্রায় ৬৫ শতাংশ বেশি। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলমান এই প্রাদুর্ভাবে আক্রান্তদের মধ্যে ১০২ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সাইক্লোস্পোরিয়াসিস হলো একটি পরজীবীঘটিত সংক্রমণ, যা সাধারণত ঘন ঘন পাতলা পায়খানা, পেটের অস্বস্তি এবং তীব্র ডায়রিয়ার মতো উপসর্গ সৃষ্টি করে।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত আক্রান্তদের বড় অংশই দক্ষিণ-পূর্ব মিশিগানে সীমাবদ্ধ রয়েছে। এর মধ্যে ওয়েইন কাউন্টিতে ৫৮২টি, ওয়াশটেনাও কাউন্টিতে অন্তত ৪৭৪টি এবং ওকল্যান্ড কাউন্টিতে ৩৯৬টি কেস শনাক্ত হয়েছে। অন্যদিকে, ম্যাকম্ব কাউন্টিতে আক্রান্তের সংখ্যা ৭৫।
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে এক কনফারেন্স কলে কর্মকর্তারা জানান, ইউ.এস. সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (CDC)-এর তদন্তে প্রাথমিকভাবে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে মিশিগান, ওহাইও, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া ও কেনটাকিতে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে একটি “সম্ভাব্য অভিন্ন উৎস” বা সংযোগ থাকতে পারে। তবে ফেডারেল কর্মকর্তারা এখনো সেই সম্ভাব্য উৎসটি শনাক্ত করতে পারেননি।
মিশিগানের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা সোমবার জানিয়েছেন, সংক্রমিত লেটুস বা সালাদের শাকসবজি থেকে সাইক্লোস্পোরিয়াসিস ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তাঁরা সতর্ক করে বলেছেন, “অন্যান্য খাদ্যপণ্যের সম্ভাবনাও পুরোপুরি বাদ দেওয়া যাচ্ছে না।”
রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট কৃষিপণ্য, উৎপাদক প্রতিষ্ঠান বা সরবরাহকারীকে এই প্রাদুর্ভাবের উৎস হিসেবে নিশ্চিতভাবে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি।
রাজ্যের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. নাতাশা বাগদাসারিয়ান এক বিবৃতিতে বলেন, “যদিও এই প্রাদুর্ভাবের উৎস হিসেবে এখনো কোনো নির্দিষ্ট পণ্য শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি, তবুও আমরা এ পর্যন্ত পাওয়া তথ্য মিশিগানবাসীদের জানাতে চাই, যাতে তারা নিজেদের ও পরিবারের সদস্যদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারেন। প্রাথমিক তদন্তে লেটুসের বিষয়টি বারবার উঠে এসেছে। আরও তথ্য পাওয়া গেলে আমরা তা জনগণকে জানাতে থাকব।”
সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (CDC)-এর খাদ্য ও পানিবাহিত এবং পরিবেশগত রোগ বিভাগের উপ-পরিচালক গওয়েন বিগারস্টাফ জানান, আক্রান্ত ব্যক্তিদের খাওয়া খাবার, খাবার সংগ্রহের স্থান এবং মল পরীক্ষার মাধ্যমে পাওয়া জিনোটাইপিং তথ্য বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞরা পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত রোগীদের দল বা ‘ক্লাস্টার’ শনাক্ত করার চেষ্টা করছেন।
বিগারস্টাফ বলেন, “সাইক্লোস্পোরা সংক্রান্ত তদন্ত অত্যন্ত জটিল এবং এতে অনেক সময় ও পরিশ্রম প্রয়োজন হয়। এর প্রধান দুটি কারণ রয়েছে। প্রথমত, এই পরজীবীর সংস্পর্শে আসার পর সাধারণত দুই দিন থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে অসুস্থতার লক্ষণ দেখা দেয়। ফলে কোনো ঘটনা শনাক্ত ও নথিভুক্ত হওয়ার সময় পর্যন্ত অনেক সপ্তাহ পেরিয়ে যেতে পারে।”
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় সাইক্লোস্পোরিয়াসিসের আগের কয়েকটি প্রাদুর্ভাবের সঙ্গে প্যাকেটজাত সালাদ, তাজা ধনে পাতা,
ফ্রেস বাসিল, রাস্পবেরি, স্নো পি এবং সবুজ পেঁয়াজের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।
তদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুজন ব্যক্তির বরাত দিয়ে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, ফেডারেল ও রাজ্য স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বর্তমান সাইক্লোস্পোরিয়াসিস প্রাদুর্ভাবে টাকো বেল (Taco Bell) রেস্তোরাঁগুলোর কোনো ভূমিকা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন।
তদন্তকারীদের কাছে অসুস্থ কয়েকজন ব্যক্তি জানিয়েছেন, তারা অসুস্থ হওয়ার আগে টাকো বেলে খাবার খেয়েছিলেন। তবে আক্রান্তদের মধ্যে অনেকেই জানিয়েছেন যে তারা টাকো বেলে
Source & Photo: http://detroitnews.com
সর্বশেষ এই সংখ্যা সোমবার পর্যন্ত পাওয়া ২,৬০০-এর বেশি কেসের তুলনায় প্রায় ৬৫ শতাংশ বেশি। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলমান এই প্রাদুর্ভাবে আক্রান্তদের মধ্যে ১০২ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সাইক্লোস্পোরিয়াসিস হলো একটি পরজীবীঘটিত সংক্রমণ, যা সাধারণত ঘন ঘন পাতলা পায়খানা, পেটের অস্বস্তি এবং তীব্র ডায়রিয়ার মতো উপসর্গ সৃষ্টি করে।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত আক্রান্তদের বড় অংশই দক্ষিণ-পূর্ব মিশিগানে সীমাবদ্ধ রয়েছে। এর মধ্যে ওয়েইন কাউন্টিতে ৫৮২টি, ওয়াশটেনাও কাউন্টিতে অন্তত ৪৭৪টি এবং ওকল্যান্ড কাউন্টিতে ৩৯৬টি কেস শনাক্ত হয়েছে। অন্যদিকে, ম্যাকম্ব কাউন্টিতে আক্রান্তের সংখ্যা ৭৫।
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে এক কনফারেন্স কলে কর্মকর্তারা জানান, ইউ.এস. সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (CDC)-এর তদন্তে প্রাথমিকভাবে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে মিশিগান, ওহাইও, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া ও কেনটাকিতে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে একটি “সম্ভাব্য অভিন্ন উৎস” বা সংযোগ থাকতে পারে। তবে ফেডারেল কর্মকর্তারা এখনো সেই সম্ভাব্য উৎসটি শনাক্ত করতে পারেননি।
মিশিগানের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা সোমবার জানিয়েছেন, সংক্রমিত লেটুস বা সালাদের শাকসবজি থেকে সাইক্লোস্পোরিয়াসিস ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তাঁরা সতর্ক করে বলেছেন, “অন্যান্য খাদ্যপণ্যের সম্ভাবনাও পুরোপুরি বাদ দেওয়া যাচ্ছে না।”
রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট কৃষিপণ্য, উৎপাদক প্রতিষ্ঠান বা সরবরাহকারীকে এই প্রাদুর্ভাবের উৎস হিসেবে নিশ্চিতভাবে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি।
রাজ্যের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. নাতাশা বাগদাসারিয়ান এক বিবৃতিতে বলেন, “যদিও এই প্রাদুর্ভাবের উৎস হিসেবে এখনো কোনো নির্দিষ্ট পণ্য শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি, তবুও আমরা এ পর্যন্ত পাওয়া তথ্য মিশিগানবাসীদের জানাতে চাই, যাতে তারা নিজেদের ও পরিবারের সদস্যদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারেন। প্রাথমিক তদন্তে লেটুসের বিষয়টি বারবার উঠে এসেছে। আরও তথ্য পাওয়া গেলে আমরা তা জনগণকে জানাতে থাকব।”
সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (CDC)-এর খাদ্য ও পানিবাহিত এবং পরিবেশগত রোগ বিভাগের উপ-পরিচালক গওয়েন বিগারস্টাফ জানান, আক্রান্ত ব্যক্তিদের খাওয়া খাবার, খাবার সংগ্রহের স্থান এবং মল পরীক্ষার মাধ্যমে পাওয়া জিনোটাইপিং তথ্য বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞরা পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত রোগীদের দল বা ‘ক্লাস্টার’ শনাক্ত করার চেষ্টা করছেন।
বিগারস্টাফ বলেন, “সাইক্লোস্পোরা সংক্রান্ত তদন্ত অত্যন্ত জটিল এবং এতে অনেক সময় ও পরিশ্রম প্রয়োজন হয়। এর প্রধান দুটি কারণ রয়েছে। প্রথমত, এই পরজীবীর সংস্পর্শে আসার পর সাধারণত দুই দিন থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে অসুস্থতার লক্ষণ দেখা দেয়। ফলে কোনো ঘটনা শনাক্ত ও নথিভুক্ত হওয়ার সময় পর্যন্ত অনেক সপ্তাহ পেরিয়ে যেতে পারে।”
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় সাইক্লোস্পোরিয়াসিসের আগের কয়েকটি প্রাদুর্ভাবের সঙ্গে প্যাকেটজাত সালাদ, তাজা ধনে পাতা,
ফ্রেস বাসিল, রাস্পবেরি, স্নো পি এবং সবুজ পেঁয়াজের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।
তদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুজন ব্যক্তির বরাত দিয়ে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, ফেডারেল ও রাজ্য স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বর্তমান সাইক্লোস্পোরিয়াসিস প্রাদুর্ভাবে টাকো বেল (Taco Bell) রেস্তোরাঁগুলোর কোনো ভূমিকা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন।
তদন্তকারীদের কাছে অসুস্থ কয়েকজন ব্যক্তি জানিয়েছেন, তারা অসুস্থ হওয়ার আগে টাকো বেলে খাবার খেয়েছিলেন। তবে আক্রান্তদের মধ্যে অনেকেই জানিয়েছেন যে তারা টাকো বেলে
Source & Photo: http://detroitnews.com