সিলেট, ১৬ জুলাই : সিলেটে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসব। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুর ১২টায় নগরীর ইসকন মন্দির প্রাঙ্গণে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে উৎসবের উদ্বোধন করা হয়।
আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) সিলেটের উদ্যোগে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভক্ত-অনুরাগী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং সুধীজনের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। সভাপতিত্ব করেন ইসকন বাংলাদেশের সহ-সভাপতি পূজ্যপাদ শ্রীমৎ ভক্তি অদ্বৈত নবদ্বীপ স্বামী মহারাজ। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক কাইয়ুম চৌধুরী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “এই বাংলাদেশ সবার। সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহাবস্থানের ঐতিহ্যই আমাদের শক্তি। সকল ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘ্নে পালন করবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা এবং এ ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে বিকেল ৩টায় ইসকন মন্দির থেকে একটি বর্ণাঢ্য রথযাত্রা শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে, যেখানে বিপুলসংখ্যক ভক্ত ও দর্শনার্থী অংশ নেন।
আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) সিলেটের উদ্যোগে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভক্ত-অনুরাগী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং সুধীজনের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। সভাপতিত্ব করেন ইসকন বাংলাদেশের সহ-সভাপতি পূজ্যপাদ শ্রীমৎ ভক্তি অদ্বৈত নবদ্বীপ স্বামী মহারাজ। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক কাইয়ুম চৌধুরী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “এই বাংলাদেশ সবার। সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহাবস্থানের ঐতিহ্যই আমাদের শক্তি। সকল ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘ্নে পালন করবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা এবং এ ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে বিকেল ৩টায় ইসকন মন্দির থেকে একটি বর্ণাঢ্য রথযাত্রা শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে, যেখানে বিপুলসংখ্যক ভক্ত ও দর্শনার্থী অংশ নেন।