সিলেট, ১৭ জুলাই: বর্ণাঢ্য আয়োজন ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সিলেটে শুরু হয়েছে শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসব। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় নগরের ইসকন মন্দির প্রাঙ্গণে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। পরে বিকেল ৩টায় বিশাল রথযাত্রার শোভাযাত্রা নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
ইসকন সিলেটের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ মহোৎসবে উপস্থিত ছিলেন ইসকন বাংলাদেশের সহ-সভাপতি পূজ্যপাদ শ্রীমৎ ভক্তি অদ্বৈত নবদ্বীপ স্বামী মহারাজ, ভক্ত-অনুরাগী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও সুধীজন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারতের সহকারী হাই কমিশন, সিলেটের সহকারী হাই কমিশনার অনিরুদ্ধ দাস। তিনি বলেন, “রথযাত্রা শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি শান্তি, মানবতা, ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির প্রতীক। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহাবস্থানের ঐতিহ্য আমাদের শক্তি। সব ধর্মের মানুষ যেন নির্বিঘ্নে নিজ নিজ উৎসব পালন করতে পারেন, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। পরে সহকারী হাই কমিশনার অনিরুদ্ধ দাস রিকাবীবাজারে মণিপুরি সম্প্রদায়ের আয়োজিত রথযাত্রা উৎসব পরিদর্শন করেন।
বক্তারা বলেন, রথযাত্রা শুধু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি শান্তি, সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহাবস্থানের চেতনাকে আরও শক্তিশালী করে। সমাজে সৌহার্দ্য ও ঐক্য প্রতিষ্ঠায় এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ইসকন সিলেটের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ মহোৎসবে উপস্থিত ছিলেন ইসকন বাংলাদেশের সহ-সভাপতি পূজ্যপাদ শ্রীমৎ ভক্তি অদ্বৈত নবদ্বীপ স্বামী মহারাজ, ভক্ত-অনুরাগী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও সুধীজন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারতের সহকারী হাই কমিশন, সিলেটের সহকারী হাই কমিশনার অনিরুদ্ধ দাস। তিনি বলেন, “রথযাত্রা শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি শান্তি, মানবতা, ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির প্রতীক। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহাবস্থানের ঐতিহ্য আমাদের শক্তি। সব ধর্মের মানুষ যেন নির্বিঘ্নে নিজ নিজ উৎসব পালন করতে পারেন, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। পরে সহকারী হাই কমিশনার অনিরুদ্ধ দাস রিকাবীবাজারে মণিপুরি সম্প্রদায়ের আয়োজিত রথযাত্রা উৎসব পরিদর্শন করেন।
বক্তারা বলেন, রথযাত্রা শুধু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি শান্তি, সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহাবস্থানের চেতনাকে আরও শক্তিশালী করে। সমাজে সৌহার্দ্য ও ঐক্য প্রতিষ্ঠায় এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।