গাজীপুর, ১৮ জুলাই : গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে রিম্পা (২১) নামে এক নারী বন্দি দেয়াল টপকে পালানোর ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে দুই মেট্রন ও পাঁচ মহিলা কারারক্ষীসহ মোট সাতজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা হলেন- মেট্রন লায়লা আনজুমান সুমি, মেট্রন মেরিনা, মেট্রন রেহেনা এবং মহিলা কারারক্ষী শায়লা, শারমিন, জেমি ও আসমা। শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (এআইজি) মো. জান্নাতুল ফরহাদ। তিনি জানান, তদন্ত প্রতিবেদনে দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়ায় গতকাল তাদের সাতজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কারাগারের ভেতরে প্রায় ৪০ জন নারী বন্দিকে দিয়ে ইট বহনের কাজ করানো হচ্ছিল। এ সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত মেট্রনের তদারকির ঘাটতির সুযোগ নিয়ে রিম্পা কারাগারের অফিস ভবনের পাশের দেয়ালের কার্নিশ বেয়ে সীমানা প্রাচীর টপকে পালিয়ে যান।
পলাতক রিম্পা মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার রায়পুর এলাকার মো. হাসানের মেয়ে। তিনি ঢাকার ধানমন্ডি থানা এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের একটি মামলায় তিন মাসের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে বন্দি ছিলেন। ঘটনার পরপরই কারা কর্তৃপক্ষ পুরো কারাগারে তল্লাশি চালায়। তবে তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে নিশ্চিত হওয়া যায়, তিনি কারাগার থেকে পালিয়ে গেছেন।
এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে কোনাবাড়ী মডেল থানায় কারা কর্তৃপক্ষ একটি মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ ও কারা কর্তৃপক্ষ পলাতক বন্দিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।
বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা হলেন- মেট্রন লায়লা আনজুমান সুমি, মেট্রন মেরিনা, মেট্রন রেহেনা এবং মহিলা কারারক্ষী শায়লা, শারমিন, জেমি ও আসমা। শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (এআইজি) মো. জান্নাতুল ফরহাদ। তিনি জানান, তদন্ত প্রতিবেদনে দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়ায় গতকাল তাদের সাতজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কারাগারের ভেতরে প্রায় ৪০ জন নারী বন্দিকে দিয়ে ইট বহনের কাজ করানো হচ্ছিল। এ সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত মেট্রনের তদারকির ঘাটতির সুযোগ নিয়ে রিম্পা কারাগারের অফিস ভবনের পাশের দেয়ালের কার্নিশ বেয়ে সীমানা প্রাচীর টপকে পালিয়ে যান।
পলাতক রিম্পা মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার রায়পুর এলাকার মো. হাসানের মেয়ে। তিনি ঢাকার ধানমন্ডি থানা এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের একটি মামলায় তিন মাসের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে বন্দি ছিলেন। ঘটনার পরপরই কারা কর্তৃপক্ষ পুরো কারাগারে তল্লাশি চালায়। তবে তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে নিশ্চিত হওয়া যায়, তিনি কারাগার থেকে পালিয়ে গেছেন।
এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে কোনাবাড়ী মডেল থানায় কারা কর্তৃপক্ষ একটি মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ ও কারা কর্তৃপক্ষ পলাতক বন্দিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।