নোভি, ২০ জুলাই : ভক্তি, আনন্দ ও আধ্যাত্মিকতার অপূর্ব সমন্বয়ে মিশিগানের নোভি সিটিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের মহাপবিত্র রথযাত্রা উৎসব। আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) ডেট্রয়েটের উদ্যোগে আয়োজিত এই বর্ণাঢ্য ধর্মীয় উৎসবে সনাতন ধর্মাবলম্বী হাজারো নারী-পুরুষ, শিশু ও বয়োজ্যেষ্ঠ ভক্ত অংশগ্রহণ করেন।
রোববার (১৯ জুলাই) সকাল ১১টায় নারিকেল ফাটিয়ে এবং মঙ্গলধ্বনির মধ্য দিয়ে ৪১তম রথযাত্রা উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অতিথিবৃন্দ। এরপর ভগবান জগন্নাথ, ভ্রাতা বলদেব ও ভগিনী সুভদ্রাকে সুসজ্জিত রথে অধিষ্ঠিত করে শুরু হয় মহামঙ্গলময় শোভাযাত্রা।
ঢাক-ঢোল, করতাল ও কীর্তনের ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে নোভির রাজপথ। ভক্তরা ভক্তি ও আবেগে পরিপূর্ণ হৃদয়ে রথের রশি টেনে নেন। কেউ নৃত্যে, কেউ কীর্তনে, আবার কেউ প্রার্থনায় অংশ নিয়ে প্রকাশ করেন ভগবানের প্রতি তাদের গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। বর্ণাঢ্য রথযাত্রা বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে নোভি সিটির সিভিক সেন্টারে ফিরে আসে। শোভাযাত্রার শেষ মুহূর্তে আকাশ থেকে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে রথের ওপর পুষ্পবর্ষণ করা হলে সৃষ্টি হয় এক অনন্য আধ্যাত্মিক আবহ।
উৎসব প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী ছিল নানা ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আয়োজন। দুটি পৃথক মঞ্চে পরিবেশিত হয় ভক্তিমূলক সংগীত, কীর্তন, শাস্ত্রীয় সংগীত, নাট্য পরিবেশনা ও নৃত্যানুষ্ঠান। স্থানীয় শিল্পীদের পাশাপাশি বিভিন্ন বয়সী তরুণ-তরুণীরাও অংশ নেন এসব আয়োজনে।
ইসকনের পক্ষ থেকে আগত ভক্ত ও দর্শনার্থীদের জন্য বিনামূল্যে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি দেওয়া হয় ধর্মীয় স্মরণিকা। উৎসবে ছিল বিনামূল্যে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা। মেলা প্রাঙ্গণে ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী পোশাক, গয়না, হেনা ট্যাটু, খাদ্যসামগ্রী ও বিভিন্ন ধরনের হস্তশিল্পের স্টল বসে। শিশুদের জন্য ছিল মুখ আঁকা, কারুশিল্প কর্মশালা, পারিবারিক যোগ সেশন এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মশালা।
মিশিগানের অন্যতম বৃহৎ ও দীর্ঘদিনের এই রথযাত্রা উৎসব টানা চার দশকেরও বেশি সময় ধরে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। প্রতিবছর এ উৎসবে ১৫ থেকে ১৭ হাজার মানুষের সমাগম ঘটে। নোভি ও আশপাশের এলাকার মানুষের কাছে এটি এখন পরিণত হয়েছে এক প্রাণের উৎসব ও বার্ষিক মিলনমেলায়। যেখানে ধর্ম, সংস্কৃতি ও ভক্তির বন্ধনে একত্রিত হন হাজারো মানুষ।
রোববার (১৯ জুলাই) সকাল ১১টায় নারিকেল ফাটিয়ে এবং মঙ্গলধ্বনির মধ্য দিয়ে ৪১তম রথযাত্রা উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অতিথিবৃন্দ। এরপর ভগবান জগন্নাথ, ভ্রাতা বলদেব ও ভগিনী সুভদ্রাকে সুসজ্জিত রথে অধিষ্ঠিত করে শুরু হয় মহামঙ্গলময় শোভাযাত্রা।
ঢাক-ঢোল, করতাল ও কীর্তনের ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে নোভির রাজপথ। ভক্তরা ভক্তি ও আবেগে পরিপূর্ণ হৃদয়ে রথের রশি টেনে নেন। কেউ নৃত্যে, কেউ কীর্তনে, আবার কেউ প্রার্থনায় অংশ নিয়ে প্রকাশ করেন ভগবানের প্রতি তাদের গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। বর্ণাঢ্য রথযাত্রা বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে নোভি সিটির সিভিক সেন্টারে ফিরে আসে। শোভাযাত্রার শেষ মুহূর্তে আকাশ থেকে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে রথের ওপর পুষ্পবর্ষণ করা হলে সৃষ্টি হয় এক অনন্য আধ্যাত্মিক আবহ।
উৎসব প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী ছিল নানা ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আয়োজন। দুটি পৃথক মঞ্চে পরিবেশিত হয় ভক্তিমূলক সংগীত, কীর্তন, শাস্ত্রীয় সংগীত, নাট্য পরিবেশনা ও নৃত্যানুষ্ঠান। স্থানীয় শিল্পীদের পাশাপাশি বিভিন্ন বয়সী তরুণ-তরুণীরাও অংশ নেন এসব আয়োজনে।
ইসকনের পক্ষ থেকে আগত ভক্ত ও দর্শনার্থীদের জন্য বিনামূল্যে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি দেওয়া হয় ধর্মীয় স্মরণিকা। উৎসবে ছিল বিনামূল্যে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা। মেলা প্রাঙ্গণে ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী পোশাক, গয়না, হেনা ট্যাটু, খাদ্যসামগ্রী ও বিভিন্ন ধরনের হস্তশিল্পের স্টল বসে। শিশুদের জন্য ছিল মুখ আঁকা, কারুশিল্প কর্মশালা, পারিবারিক যোগ সেশন এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মশালা।
মিশিগানের অন্যতম বৃহৎ ও দীর্ঘদিনের এই রথযাত্রা উৎসব টানা চার দশকেরও বেশি সময় ধরে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। প্রতিবছর এ উৎসবে ১৫ থেকে ১৭ হাজার মানুষের সমাগম ঘটে। নোভি ও আশপাশের এলাকার মানুষের কাছে এটি এখন পরিণত হয়েছে এক প্রাণের উৎসব ও বার্ষিক মিলনমেলায়। যেখানে ধর্ম, সংস্কৃতি ও ভক্তির বন্ধনে একত্রিত হন হাজারো মানুষ।