ঢাকা, ২৩ জুলাই: রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন খুব শিগগিরই পদত্যাগ করছেন বলে সরকারের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সূত্রটি দাবি করেছে, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ এখন কেবল সময়ের ব্যাপার।
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সরকার ও ক্ষমতাসীন বিএনপির উচ্চপর্যায়ে নতুন রাষ্ট্রপতি মনোনয়ন নিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা চলছে। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিলম্ব হলে সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলে কার্যত সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে বলেই দাবি করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল আওয়ামী লীগ সরকারের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও তিনি দায়িত্বে বহাল থাকেন। সে সময় তার পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি হলেও অন্তর্বর্তী সরকার তাকে অপসারণে কোনো উদ্যোগ নেয়নি।
সম্প্রতি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠনের পর রাষ্ট্রপতির ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। এর আগে এক সাক্ষাৎকারে মো. সাহাবুদ্দিন বলেছিলেন, সরকার চাইলে তিনি দায়িত্বে থাকবেন, অন্যথায় স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করবেন।
রাষ্ট্রপতির পদে পরিবর্তন হলে গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক পুনর্গঠনের ধারায় এটি হবে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পরিবর্তন। এখন সবার নজর—বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন। রাষ্ট্রপতির পদে কে আসছেন, তা নিয়েই এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও জল্পনা-কল্পনা চলছে।
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সরকার ও ক্ষমতাসীন বিএনপির উচ্চপর্যায়ে নতুন রাষ্ট্রপতি মনোনয়ন নিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা চলছে। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিলম্ব হলে সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলে কার্যত সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে বলেই দাবি করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল আওয়ামী লীগ সরকারের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও তিনি দায়িত্বে বহাল থাকেন। সে সময় তার পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি হলেও অন্তর্বর্তী সরকার তাকে অপসারণে কোনো উদ্যোগ নেয়নি।
সম্প্রতি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠনের পর রাষ্ট্রপতির ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। এর আগে এক সাক্ষাৎকারে মো. সাহাবুদ্দিন বলেছিলেন, সরকার চাইলে তিনি দায়িত্বে থাকবেন, অন্যথায় স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করবেন।
রাষ্ট্রপতির পদে পরিবর্তন হলে গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক পুনর্গঠনের ধারায় এটি হবে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পরিবর্তন। এখন সবার নজর—বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন। রাষ্ট্রপতির পদে কে আসছেন, তা নিয়েই এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও জল্পনা-কল্পনা চলছে।