ঢাকা, ২৬ জুলাই : ইসলামী ব্যাংকের কথিত ৮০ হাজার কোটি টাকার শেয়ার ও ঋণ-সংক্রান্ত কেলেঙ্কারিতে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং তার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান জেএমসি বিল্ডার্সের সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে বাংলাদেশ ফাইন্যানসিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) হাইকোর্টে একটি প্রতিবেদন দাখিল করেছে। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
মামলাসংশ্লিষ্ট আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির গতকাল শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আগামী বুধবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
বিএফআইইউর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালে জেএমসি বিল্ডার্সের মনোনীত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। পরে তিনি ইসলামী ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ পর্যন্ত তিনি ওই পদে বহাল ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই সময়ে ইসলামী ব্যাংক থেকে ২৪টি প্রতিষ্ঠানের নামে প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করা হয়। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে জেএমসি বিল্ডার্সও রয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ঋণের অর্থ এখনো ব্যাংকে পরিশোধ করা হয়নি।
তবে এ বিষয়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন কিংবা জেএমসি বিল্ডার্সের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।
মামলাসংশ্লিষ্ট আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির গতকাল শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আগামী বুধবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
বিএফআইইউর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালে জেএমসি বিল্ডার্সের মনোনীত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। পরে তিনি ইসলামী ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ পর্যন্ত তিনি ওই পদে বহাল ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই সময়ে ইসলামী ব্যাংক থেকে ২৪টি প্রতিষ্ঠানের নামে প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করা হয়। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে জেএমসি বিল্ডার্সও রয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ঋণের অর্থ এখনো ব্যাংকে পরিশোধ করা হয়নি।
তবে এ বিষয়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন কিংবা জেএমসি বিল্ডার্সের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।